আজ মঙ্গলবার, ৩রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি
আজ মঙ্গলবার, ৩রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

বাংলাদেশের বাইরে আমার কোনো ঠিকানা নেই: তারেক রহমান

 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া একটি কথা বলেছিলেন যে, এই দেশের বাইরে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার কোনো ঠিকানা নেই। বাংলাদেশের বাইরে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার কোনো ঠিকানা নেই। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সন্তান হিসেবে আজ আপনাদের সামনে একইভাবে বলতে চাই, বাংলাদেশের বাইরে আমার কোনো ঠিকানা নেই। কাজেই এই দেশই আমার প্রথম ঠিকানা, এই দেশই আমার শেষ ঠিকানা। কাজেই এই দেশের জন্য, এই দেশের মানুষের ভালো কিছু করার জন্য আমাদের সকল প্রকার প্রচেষ্টা থাকবে।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কিশোরগঞ্জে বিএনপির জনসমাবেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।

তারেক রহমান আরও বলেন, জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার যে কাজ সেটি করতে গিয়ে এমন কোনো পরিস্থিতির উদ্ভব যাতে না হয় যাতে করে স্বৈরাচার আবার কোনো ষড়যন্ত্র করার সুযোগ পায়। স্বৈরাচারের প্রেতাত্মারা বসে নেই। তারা তাদের ষড়যন্ত্রকে অব্যাহত রেখেছে। যে লক্ষ্য নিয়ে ছাত্রজনতা প্রাণ দিয়েছে তা পূরণ করতে হবে। স্বৈরাচারের পতন হলেও তার দোসররা নানা চক্রান্ত করছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আগামীতে ক্ষমতায় গেলে প্রত্যেক পরিবারকে খাদ্য সহযোগিতা হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। শহীদদের আত্মত্যাগ ধরে রাখতে হলে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দলমত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে দেশের উন্নয়ন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্যও সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। জনগণের নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সম্ভব নয়। এ জন্য দরকার ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত জনগণের সরকার। জনগণের এই অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই জুলাই বিপ্লবে অসংখ্য ছাত্র-জনতা শহীদ হয়েছেন। তাদের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।

তারেক রহমান বলেন, ভবিষ্যতে বিএনপি সরকার গঠন করলে বাংলাদেশে কতগুলো পরিবার আছে আমরা তা নির্দিষ্ট করব, আমরা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি করে ফ্যামিলি কার্ড প্রত্যেকটি পরিবারকে করে দেব। এই ফ্যামিলি কার্ডটি হবে পরিবারের মায়ের অথবা গৃহিণীর নামে। এই কাজটি প্রথমে গ্রাম থেকে তারপর ধীরে ধীরে শহর, থানা, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে করবো। এই ফ্যামিলি কার্ডে একটি পরিবারের মাসিক প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের কিছু অংশ এই কার্ডের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।

 

শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
Pin on Pinterest
Pinterest
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin