বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যাবে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভূরাজনৈতিক স্থিতিশীলতার চেয়ে ব্যক্তিনির্ভর সংকীর্ণ রাজনৈতিক অনুকম্পা কখনোই দীর্ঘমেয়াদে কোনো রাষ্ট্রকে লাভবান করতে পারেনি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার বাংলাদেশের পতিত স্বৈরাচার ও চরম কর্তৃত্ববাদী শাসক শেখ হাসিনাকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক জুয়া খেলছে, তা দিনশেষে বাংলাদেশের স্বাভাবিক সম্পর্কের পথ রুদ্ধ করে কার্যত ভারতেরই দীর্ঘমেয়াদি ও অসামান্য অর্থনৈতিক-কৌশলগত ক্ষতি সাধন করছে। ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশ থেকে পলায়ন করে ভারতে অবস্থান নেন বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম ধিকৃত এই পতিত শাসক। তার পতনের পর বাংলাদেশের রাজনীতির আকাশে নতুন প্রভাত সূচিত হলেও, দিল্লির নীতি-নির্ধারকদের মানসিকতায় এতটুকুও পরিবর্তন আসেনি। তারা এখনও ইতিহাস ও বাস্তবতার পরোয়া না করে এক পতিত স্বৈরাচারকে আঁকড়ে ধরে রেখে নিজেদের জাতীয় স্বার্থকেই বিসর্জন দিয়ে চলেছে।
নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারত সরকারের প্রধানতম ভুল হলো তারা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের আড়াইশো কোটি জনগণের ঐতিহাসিক সম্পর্কের চেয়ে একটি বিশেষ দল কিংবা ব্যক্তিনির্ভর সম্পর্ককে প্রাধান্য দিয়েছে। শেখ হাসিনার টানা দেড় দশকের স্বৈরাচারী শাসনামলে ভারতের প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ পুরোপুরি সংরক্ষিত হয়েছিল—উত্তর-পূর্ব ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দমন, ট্রানজিট ও করিডোর সুবিধা লাভ, সীমান্ত ও বন্দর ব্যবহারের একচেটিয়া অধিকার এবং বাণিজ্যিক প্রাধান্য অর্জন। ভারত যা যা চেয়েছে, শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে তার বিনিময়ে কেবল নিজের অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার গ্যারান্টি বানিয়েছেন। কিন্তু মোদি সরকার এটি বুঝতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে যে, একটি নির্দিষ্ট শাসকগোষ্ঠীর প্রতি অন্ধ সমর্থনে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে ভারতবিরোধী মনস্তত্ত্ব প্রবল রূপ ধারণ করেছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রভাবশালী সংবাদপত্র ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এ প্রকাশিত ভারতের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফয়সাল মাহমুদের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় উঠে এসেছে কীভাবে নয়াদিল্লি এখনও অতীত উত্তেজনার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক ফাঁদে বন্দি হয়ে আছে। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, বাংলাদেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় দিল্লি বারবার পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানই সম্পর্কের প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের ক্রমাগত কূটনৈতিক তাগিদ ও সার্বভৌম অনুরোধ সত্ত্বেও ভারত সরকার হাসিনাকে নিজের ভূখণ্ডে বসিয়ে রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের সুযোগ দিচ্ছে।
মোদি সরকার ভারতীয় সংসদীয় পররাষ্ট্রবিষয়ক স্থায়ী কমিটিতে দাবি করেছে যে শেখ হাসিনাকে কেবল “মানবিক কারণে” আশ্রয় দেওয়া হয়েছে এবং তাকে ভারতীয় ভূমি ব্যবহার করে কোনো রাজনৈতিক তৎপরতা চালাতে দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে প্রত্যর্পণ আবেদন বিবেচনার কথাও বলা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘রয়টার্স’-কে শেখ হাসিনার প্রদত্ত দীর্ঘ সাক্ষাৎকার এবং আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে ভারতে বসে দেওয়া বক্তব্য প্রমাণ করে যে দিল্লির বক্তব্য কতখানি ফাঁপা ও বিভ্রান্তিকর।
বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বাধীন ও স্বাবলম্বী পররাষ্ট্রনীতির মূল রূপকার ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তারা বাংলাদেশকে কোনো একক শক্তির অনুগত সেবক হিসেবে না দেখে, জাতীয় স্বার্থ ও বিশ্বরাজনীতিতে আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। তাদের দেখানো পথেই বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ধারার নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর বিগত ছয় মাসে কূটনৈতিক ক্ষেত্রে এক নবদিগন্তের সূচনা ঘটেছে। বহুমাত্রিক বা ‘মাল্টি-অ্যালাইনমেন্ট’ পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতে পরিচালিত এই নতুন কূটনীতি বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করছে। তারেক রহমান পরিষ্কার বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন অন্য দেশের সঙ্গে বৈরিতা তৈরি করে নয়, আবার কোনো একটি দেশের ওপর অন্ধ নির্ভরশীলতা রক্ষা করেও নয়।
এই কৌশলী নীতির অংশ হিসেবেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার প্রথম বিদেশ সফরে চিরাচরিত প্রথা ভেঙে ভারতে না গিয়ে প্রথমে মালয়েশিয়া এবং পরবর্তীতে গণচীন সফর করেন। বেইজিং সফরে তিনি বাণিজ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে বেশ কিছু ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এটি মোটেও চীনের দিকে একতরফা হেলে পড়া নয়; বরং ভারতের ওপর থেকে ঐতিহাসিক অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনাই এর মূল লক্ষ্য।
ব্রিকস (BRICS) সম্মেলনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ ঘিরেও ভারতীয় গণমাধ্যম যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল, তা ধোপে টেকেনি। ২০২৩ সালের জি-২০ সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও ভারতের পক্ষ থেকে ব্যক্তিকেন্দ্রিক তোষামোদের অংশ হিসেবে বিশেষ অতিথি করা হয়েছিল, সেখানে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে একটি আঞ্চলিক সংস্থার শীর্ষ প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিনিধি হিসেবে। এই তুলনামূলক চিত্রটিই প্রমাণ করে ভারত রাষ্ট্রের চেয়ে একজন ব্যক্তির তোষামোদে কতটা ব্যস্ত ছিল।
হাসিনাকে লালন-পালন করার খেসারত কেবল কূটনৈতিক টানাপোড়েনেই সীমাবদ্ধ নেই; এটি ভারতের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে চরম আঘাত হেনেছে। ভারতের ব্যবসা-বাণিজ্য,-রপ্তানি এবং বিশেষ করে পর্যটন খাতে ধস নেমেছে।
“ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম সহায়ক চালিকাশক্তি ছিল বাংলাদেশী পর্যটক ও ব্যবসায়ী সমাজ। কিন্তু মোদি সরকারের একগুঁয়ে নীতির কারণে গত দুই বছরে এই খাতে অভূতপূর্ব ধস নেমেছে, যা কলকাতার ব্যবসায়ী মহলে চরম আহাহাকার সৃষ্টি করেছে।”
পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার অর্থনীতি ব্যাপকভাবে বাংলাদেশী পর্যটক ও চিকিৎসাপ্রার্থীদের ওপর নির্ভরশীল। নিউ মার্কেট, মারকুইস স্ট্রিট, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট এবং বড়বাজারের হাজার হাজার হোটেল, রেস্তোরাঁ, ট্রাভেল এজেন্সি এবং শপিং মল আজ ফাঁকা। স্বাস্থ্যসেবা খাত—বিশেষ করে বাইপাস সংলগ্ন অ্যাপোলো, টাটা মেডিকেল, কিংবা মণিপাল হাসপাতালের মতো বড় মেডিকেল সেন্টারগুলোতে বাংলাদেশী রোগীদের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।
সীমান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তেজনা ও ভারতের পক্ষ থেকে ভিসা সংক্রান্ত কঠোরতা আরোপ এবং অপ্রয়োজনীয় দীর্ঘসূত্রতার কারণে বাংলাদেশীরা এখন ভারতমুখী হওয়া বন্ধ করে দিয়ে বিকল্প হিসেবে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক এবং চীনের দিকে ঝুঁকছেন। ভারতের স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এখন প্রকাশ্যেই স্বীকার করছেন যে, শেখ হাসিনাকে রক্ষা করতে গিয়ে মোদি সরকার ভারতীয় সাধারণ ব্যবসায়ীদের পেটে লাথি মেরেছে।
বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও একই স্থবিরতা দৃশ্যমান। ভারতের সুতা, তুলা, ক্যাপিটাল যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানিতে বাংলাদেশ যে সুবিধাজনক বাজার ছিল, সেখানে এখন অন্যান্য গ্লোবাল সাপ্লাই চেইন যুক্ত হচ্ছে। ভারতের পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত বা গেদে-দর্শনা সীমান্ত দিয়ে বাণিজ্য কমে যাওয়ায় ভারতীয় রপ্তানিকারকরা কোটি কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
মোদি সরকারের নীতিনির্ধারকদের সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা হলো—তারা ভৌগোলিক নৈকট্যকে ভারতের একমাত্র ও অলঙ্কারহীন হাতিয়ার মনে করে। ভারত ভেবেছিল, চারদিকে ভারতের ভূখণ্ড দ্বারা বেষ্টিত হওয়ার কারণে বাংলাদেশকে দিনশেষে দিল্লির দরবারেই ধরনা দিতে হবে। কিন্তু বিশ্ব রাজনীতির নতুন মেরুকরণে ভৌগোলিক নৈকট্যই একমাত্র নিয়ামক নয়।
আজকের বাংলাদেশ আর শেখ হাসিনার আমলের মতো দুর্বল, মেরুদণ্ডহীন কোনো অধীনস্থ রাষ্ট্র নয়। আজ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অংশীদারের অভাব নেই:বিলিয়ন ডলারের অবকাঠামোগত বিনিয়োগ ও সহজ শর্তে অর্থায়নে এগিয়ে আসছে চীন।
আসিয়ান জোট বাংলাদেশের পণ্য ও সেবা বাজারের নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে। উপসাগরীয় দেশসমূহ
জ্বালানি নিরাপত্তা, বিনিয়োগ এবং বিপুল জনশক্তি কর্মসংস্থানের চালিকাশক্তি। জাপান মেগা প্রজেক্ট ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশ্বস্ত অংশীদার।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত নিরাপত্তা এবং শুল্কমুক্ত পোশাক রপ্তানির মূল গন্তব্য।
ফলে ভারত যদি মনে করে তারা সামরিক বা কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে বাংলাদেশকে আগের মতো নিয়ন্ত্রণ করবে, তবে তা হবে মোদি সরকারের অদূরদর্শিতার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ।
তবেভারতীয় নীতিনির্ধারকদের মধ্যে কিছুটা বিলম্বে হলেও সামান্য শুভবুদ্ধির উদয় হওয়ার আলামত মিলছে। সম্প্রতি ভারতের অভ্যন্তরীণ সংসদীয় পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটি মোদি সরকারকে পরামর্শ দিয়েছে যে, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের বরফ গলাতে দ্রুততম সময়ে ভিসা পরিষেবা স্বাভাবিক করতে হবে এবং ১৯৯৬ সালের গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন আলোচনা দ্রুত শুরু করতে হবে। কারণ তারা বুঝতে পারছে, অতিরিক্ত বিলম্বের ফলে ভারত পুরো বাংলাদেশের বাজার ও মনস্তাত্ত্বিক অবস্থান চিরতরে হারাবে।
কিন্তু এই পদক্ষপগুলোই যথেষ্ট নয়। আসল বিষফোড়া হলো শেখ হাসিনা। বাংলাদেশকে যদি ভারতের সাথে বাস্তবিক ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত মিত্রতা তৈরি করতে হয়, তবে মোদি সরকারকে তিনটি জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে:
প্রথমত,বাংলাদেশকে একটি সমমর্যাদাসম্পন্ন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে মেনে নিতে হবে। তথাকথিত “দাদাগিরি” বা “ছোট প্রতিবেশীকে চাপ দিয়ে শাসনের” মানসিকতা পরিহার করতে হবে।
দ্বিতীয়ত,মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত শেখ হাসিনাকে ভারতের মাটি ব্যবহার করে বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চক্রান্ত বন্ধ করতে হবে এবং বাংলাদেশের আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করার জন্য তাকে বাংলাদেশ সরকারের হাতে হস্তান্তর অথবা অন্তর্বর্তীকালীন প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে হবে।
তৃতীয়ত,প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্কের ভিত্তি মজবুত করতে তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি সই, সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক শুল্ক বাধা দূরীকরণে দৃশ্যমান অগ্রগতি প্রদর্শন করতে হবে।
পরিশেষে বলা যায়, শেখ হাসিনাকে পুষে রাখার মোদি সরকারের একগুঁয়ে সিদ্ধান্ত মোটেও কোনো দূরদর্শী ভূরাজনৈতিক কূটনৈতিক সাফল্য নয়; বরং এটি ভারতের জাতীয় স্বার্থের বিপরীতে এক প্রকাণ্ড আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। একটি মাত্র পতিত রাজনৈতিক শক্তিকে সুরক্ষা দিতে গিয়ে মোদি সরকার ১৮ কোটি মানুষের একটি সম্ভাবনাময় উদীয়মান অর্থনৈতিক প্রতিবেশীকে শত্রু ভাবাপন্ন অঞ্চলে পরিণত করার ঝুঁকি নিচ্ছে। ভারতের ব্যবসায়ী, পর্যটন খাত এবং দক্ষিণ এশীয় নিরাপত্তার খাতিরে দিল্লির নীতি-নির্ধারকদের উচিত অবিলম্বে এই ব্যর্থ ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক নীতি থেকে বের হয়ে আসা। অন্যথায়, মোদি সরকারের এই ভুলের মাশুল ভারতকে কেবল আজ নয়, অনাগত বহু দশক ধরে গুনে যেতে হবে।
লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সম্পাদক, আমার দিন।
ই-মেইল: ahabibhme@gmail.com*