আমরা আজ এমন এক সময় অতিক্রম করছি, যখন সমাজের প্রতিটি স্তরে নৈতিক অবক্ষয়, দ্বিচারিতা, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিচারহীনতার এক ভয়াবহ সংস্কৃতি দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। রাষ্ট্র, রাজনীতি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন—সবখানেই যেন এক অদ্ভুত অসুস্থতা বাসা বেঁধেছে। আর এই অসুস্থতার লক্ষণগুলো প্রতিদিনই আরও নগ্নভাবে প্রকাশ পাচ্ছে। ধর্ষণের চেষ্টা, ক্ষমতার প্রদর্শনীমূলক বিয়ে, প্রকাশ্যে ঘুষি মারা, মামলা বাণিজ্য, এবং একজন বিতর্কিত রাষ্ট্রপতির প্রতি অদ্ভুত রাজনৈতিক আনুগত্য—সবকিছু মিলিয়ে আজকের বাংলাদেশ যেন এক গভীর নৈতিক সংকটের রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনা আবারও আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠগুলো কতটা অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং নিয়মিত বিরতিতে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, এমনকি স্কুলেও নারী নিপীড়ন, যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের খবর আসছে। প্রশ্ন হচ্ছে—আমরা কি সত্যিই শিক্ষিত হচ্ছি, নাকি শুধু ডিগ্রিধারী বর্বর তৈরি করছি?
একটি রাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় কেবল জ্ঞানচর্চার স্থান নয়, এটি সেই রাষ্ট্রের নৈতিকতার প্রতিচ্ছবি। অথচ আজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্ষমতাসীন ছাত্ররাজনীতি, সন্ত্রাস, মাদক, টেন্ডারবাজি এবং নারী নির্যাতনের সংস্কৃতি এমনভাবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে যে, একজন শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে গিয়ে নিরাপদ বোধ করতে পারে না।
সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো—প্রতিটি ঘটনার পর প্রশাসন কিছুদিন তৎপরতা দেখায়, তারপর সবকিছু আবার আগের মতো চলতে থাকে। যেন ধর্ষণের চেষ্টাও এখন “স্বাভাবিক” ঘটনা।
এই সামাজিক অবক্ষয়ের বিপরীতে যখন মানুষ কিছু নৈতিক নেতৃত্ব আশা করছিল, তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি সাদিক কায়েমের রাজকীয় বিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। একজন ছাত্রনেতার বিয়েতে কোটি কোটি টাকা ব্যয়, আলোকসজ্জা, বিলাসী আয়োজন, হাজারো অতিথি, প্রায় সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের উপস্থিতি—সব মিলিয়ে এটি যেন রাজনৈতিক অভিজাত শ্রেণির শক্তি প্রদর্শনের এক মহড়া।
আমি সাধারণত কারো ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলি না কিংবা লিখিনা। যদি না সেখানে জাতীয় স্বার্থ জড়িত থাকে।
আমি মনে করি, সাদিক কায়েমের বিয়ের বিষয়টি ব্যক্তিগত গণ্ডি পেরিয়ে রাজনৈতিক ও নৈতিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে । একজন ছাত্রনেতা, যিনি আগামী দিনের রাজনীতির প্রতিনিধি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছেন, তিনি যদি রাজনীতির শুরুতেই এই ধরনের আড়ম্বরপূর্ণ জীবনযাপনের প্রতীক হয়ে ওঠেন, তাহলে মানুষ কাদের কাছে পরিবর্তনের আশা করবে? জনগণ কি আবারও সেই পুরনো ভোগবাদী, সুবিধাবাদী, ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির পুনর্জন্ম দেখছে না?
সবচেয়ে বেদনাদায়ক বিষয় হলো—দেশ যখন হামের প্রাদুর্ভাবে বিপর্যস্ত, প্রতিদিন শিশুমৃত্যুর খবর আসছে, হাসপাতালগুলো উদ্বিগ্ন, অভিভাবকরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন—ঠিক সেই সময়ে দেশের রাজনৈতিক অভিজাতদের এমন উৎসবমুখর উপস্থিতি জাতির প্রতি চরম সংবেদনহীনতার পরিচয় দেয়। যে রাজনৈতিক নেতারা প্রতিদিন জনগণের দুঃখ-কষ্টের কথা বলেন, তারাই কিভাবে এমন এক মৃত্যুময় বাস্তবতার মধ্যে বিলাসী উৎসবে মেতে উঠতে পারেন?
এটি কেবল রুচির প্রশ্ন নয়, এটি বিবেকের প্রশ্ন। একটি জাতি তখনই নৈতিকভাবে ভেঙে পড়ে, যখন তার নেতৃত্ব সাধারণ জনগণের কান্না অনুভব করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েই আরেকটি ঘটনা দেশবাসীকে হতবাক করেছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় তার অতিরিক্ত প্রেস সেক্রেটারি আতিফুর রহমান রুম্মানকে প্রকাশ্যে এক ছাত্রকে ঘুষি মারতে দেখা গেছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে—এটি কিসের সংস্কৃতি? একজন সরকারি কর্মকর্তা কি নিজেকে আইনের ঊর্ধ্বে ভাবছেন?
প্রধানমন্ত্রী সহনশীলতা, শিষ্টাচার ও গণতান্ত্রিক আচরণের কথা বলবেন, অথচ তার সামনেই তার কর্মকর্তা একজন ছাত্রের গায়ে হাত তুলবেন—এটি জনগণের কাছে কী বার্তা দেয়? রাষ্ট্র কি নাগরিককে সম্মান করতে শিখছে, নাকি ক্ষমতার অহংকারে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে?
বিশ্ববিদ্যালয় একটি মুক্ত চিন্তার জায়গা। সেখানে মতভেদ থাকবে, বিতর্ক থাকবে, উত্তেজনাও থাকবে। কিন্তু একজন কর্মকর্তা যদি প্রকাশ্যে সহিংস আচরণ করেন, তাহলে সাধারণ কর্মীরা কী শিখবে? এই সংস্কৃতি শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রকেই সহিংস করে তোলে।
অন্যদিকে সাবেক ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান যখন অভিযোগ করেন যে তার মামলা প্রত্যাহারের জন্য এক কোটি টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছে, তখন সেটি শুধু একজন ব্যক্তির অভিযোগ নয়; এটি বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক ভয়াবহ বাস্তবতার প্রতিফলন। পাঁচ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সারা দেশে মামলা বাণিজ্য যেন নতুন এক শিল্পে পরিণত হয়েছে—এমন অভিযোগ এখন সর্বত্র।
মামলা এখন ন্যায়বিচারের হাতিয়ার নয়; এটি অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রতিশোধ, অর্থ আদায় এবং প্রভাব বিস্তারের অস্ত্রে পরিণত হয়েছে। যারা ক্ষমতায় আছে, তারা মামলা ব্যবহার করছে প্রতিপক্ষকে নিয়ন্ত্রণের জন্য; আবার যারা ক্ষমতার আশেপাশে আছে, তারা সেটিকে ব্যবসায়িক সুযোগে পরিণত করেছে। সবচেয়ে বিপজ্জনক বিষয় হলো—এই সংস্কৃতি ধীরে ধীরে সমাজে বৈধতা পেয়ে যাচ্ছে।
রাষ্ট্র যদি বিচারকে বাণিজ্যে পরিণত হতে দেয়, তাহলে সাধারণ মানুষ শেষ পর্যন্ত কোথায় যাবে? আদালত যদি আস্থার জায়গা না থাকে, তাহলে মানুষ ন্যায়বিচারের জন্য কার কাছে দাঁড়াবে?
এই দ্বিচারিতার সবচেয়ে বিস্ময়কর উদাহরণ সম্ভবত রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে ঘিরে বর্তমান রাজনৈতিক আচরণ। যে ব্যক্তি অতীতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ ছিলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে সুবিধাভোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন, বিভিন্ন বিতর্কিত ভূমিকার কারণে সমালোচিত ছিলেন—আজ তাকেই নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় অনেকে প্রশংসা করছেন।
গতকাল যিনি ছিলেন “বিশ্বস্ত সহযোগী”, আজ তিনিই আবার নতুন ভাষ্যে “ফ্যাসিবাদবিরোধী”। প্রশ্ন হচ্ছে—বাংলাদেশের রাজনীতিতে আদর্শ বলে কি সত্যিই কিছু আছে? নাকি ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে চরিত্র, অবস্থান ও ভাষাও বদলে যায়?
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, যদি সাবেক সরকারের সহযোগী হওয়ার অপরাধে অসংখ্য নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হতে পারেন, তাহলে ব্যাংক লুটের দায় অভিযুক্ত রাষ্ট্রপতির মতো বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব কেন প্রশ্নের ঊর্ধ্বে থাকবেন? আইনের শাসন কি সবার জন্য সমান, নাকি ক্ষমতার ভারসাম্যের ওপর নির্ভরশীল?
একই অপরাধে একজন জেলে যাবে, আরেকজন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মান ও নিরাপত্তা ভোগ করবেন—এটি কোনো ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রের চিত্র হতে পারে না। এতে জনগণের মনে একটি স্পষ্ট বার্তা যায়: আইন দুর্বলদের জন্য, শক্তিশালীদের জন্য নয়।
এখানেই বাংলাদেশের বর্তমান সংকটের মূল বিষয়বস্তু ধরা পড়ে। রাষ্ট্র তার নৈতিক অবস্থান হারাচ্ছে। যে রাষ্ট্র একদিকে ন্যায়বিচারের কথা বলে, অন্যদিকে সুবিধামতো মানুষ বেছে নেয়; যে রাষ্ট্র দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলে, আবার রাজনৈতিক প্রয়োজনে বিতর্কিতদের আশ্রয় দেয়; যে রাষ্ট্র জনগণের কষ্টের কথা বলে, আবার জনগণের শোকের সময় বিলাসী উৎসবে অংশ নেয়—সেই রাষ্ট্র ধীরে ধীরে নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা হারায়।
সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, এই দ্বিচারিতা এখন আর লুকানো হচ্ছে না। বরং প্রকাশ্যেই চলছে। যেন জনগণ সব দেখেও কিছু বলবে না—এই আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়ে গেছে ক্ষমতাকেন্দ্রিক গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে।
কিন্তু ইতিহাস বলে, কোনো রাষ্ট্র দীর্ঘদিন দ্বিচারিতার ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। নৈতিকতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের সমতা ছাড়া কোনো গণতন্ত্র টেকে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণের চেষ্টা, রাজনীতিতে বিলাসী প্রদর্শন, প্রশাসনের সহিংসতা, বিচার ব্যবস্থার বাণিজ্যিকীকরণ এবং রাজনৈতিক সুবিধাবাদের এই সমষ্টিগত সংস্কৃতি শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রকেই দুর্বল করে দেয়।
অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াত আইভী ওরফে তাইভি রহমানের বিষয়টিও গভীরভাবে ভাবিয়ে তোলে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে খুব কম নেতাই আছেন, যারা বারবার জনরায়ের মাধ্যমে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করতে পেরেছেন। আইভী সেই বিরল ব্যতিক্রমদের একজন। শামীম ওসমানের মতো অত্যন্ত প্রভাবশালী রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে একাধিকবার নির্বাচনে পরাজিত করে তিনি নিজেকে জনগণের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
সততা, সাধারণ মানুষের প্রতি আন্তরিকতা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং তুলনামূলক পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ভাবমূর্তির কারণে তিনি বহু মানুষের কাছে আশার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন।
কিন্তু আজ সেই আইভী দীর্ঘ সময় ধরে কারাবন্দী। অভিযোগ আছে, কথিত হত্যা মামলায় তাকে আটকে রাখা হয়েছে।
প্রশ্ন হচ্ছে—একজন নারী রাজনীতিবিদের প্রতি রাষ্ট্রের এই আচরণ কি ন্যায়বিচারের প্রতিফলন, নাকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ? যদি আইনের শাসন সত্যিই সমানভাবে কার্যকর হতো, তাহলে বিতর্কিত ও ক্ষমতাসীনদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা বিশেষ সুবিধা পেতেন না, আর তুলনামূলক গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্বদের দীর্ঘদিন কারাগারে থাকতে হতো না।
বাংলাদেশের মানুষ অতীতে দেখেছে কীভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা একজন নন্দিত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দীর্ঘদিন কারাভোগ করতে বাধ্য করেছিল। ইতিহাসের নির্মম বাস্তবতা হলো—ক্ষমতার অপব্যবহার শেষ পর্যন্ত ক্ষমতাসীনদেরও রেহাই দেয় না। অথচ সেই অভিজ্ঞতা থেকেও আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি শিক্ষা নিতে পারেনি।
সবচেয়ে ভয়ংকর বৈপরীত্য এখানেই—একদিকে সেলিনা হায়াত আইভীর মতো একজন জনপ্রিয় ও তুলনামূলক পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নারী রাজনীতিক জেলে থাকেন, অন্যদিকে শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর মতো চরম বিতর্কিত ব্যক্তি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা, প্রটোকল ও সম্মান ভোগ করেন। চিকিৎসার জন্য লন্ডন গিয়ে শপিং করে বেড়াচ্ছেন। এ কারণে তার প্রটোকলের দায়িত্বে নিয়োজিতরা জুম্মার নামাজ থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন। এই দ্বিচারিতা কোনো সভ্য রাষ্ট্রের পরিচয় হতে পারে না। এটি শুধু রাজনৈতিক সংকট নয়, এটি রাষ্ট্রের নৈতিক দেউলিয়াত্বের এক ভয়াবহ প্রতীক।
বাংলাদেশের মানুষ বহুবার প্রতারিত হয়েছে। তারা পরিবর্তনের নামে পুরনো রাজনীতির নতুন সংস্করণ দেখেছে। কিন্তু একটি জাতি যদি সত্যিই সামনে এগোতে চায়, তাহলে তাকে প্রথমেই এই দ্বিচারিতার সংস্কৃতি ভাঙতে হবে।
আইনের শাসন যদি থাকে, তবে সেটি সবার জন্য থাকতে হবে। নৈতিকতা যদি দাবি করা হয়, তবে সেটি ক্ষমতাবানদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে হবে। আর রাজনীতি যদি জনগণের জন্য হয়, তবে জনগণের কান্নার সময় ক্ষমতাবানদের উৎসব মানায় না।
আজকের বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় সংকট অর্থনৈতিক নয়, রাজনৈতিকও নয়—সবচেয়ে বড় সংকট নৈতিকতার। আর যে জাতি নৈতিকতা হারায়, সে জাতি ধীরে ধীরে নিজের ভবিষ্যৎও হারিয়ে ফেলে। হে মহান আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত নসিব করুন।
লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক,ঢাকা।
ই-মেইল: ahabibhme@gmail.com