বাংলাদেশ আবহমানকাল থেকেই সম্প্রদায়গত সম্প্রীতি এবং বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত । তবে এ ভূখণ্ডের উন্নয়ন, ভূ-রাজনীতি এবং ধর্মীয় সহাবস্থানকে ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা নতুন কিছু নয়। বিশেষ করে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দেশি-বিদেশি নানামুখী ষড়যন্ত্র মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে একটি অস্থিতিশীল ও উগ্রবাদী কিংবা জঙ্গিবাদী রাষ্ট্র হিসেবে চিত্রায়িত করার গভীর ও সুদূরপ্রসারী নীল নকশা বাস্তবায়নে একটি কায়েমী স্বার্থান্বেষী মহল যে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে, সাম্প্রতিক নানা ঘটনাই তার স্পষ্ট প্রমাণ।
সম্প্রতি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘উল্টো রথযাত্রা’কে কেন্দ্র করে রাজধানীর বুকে যে নাশকতার ছক আঁকা হয়েছিল, তা এই আন্তর্জাতিক ও দেশীয় চক্রান্তেরই একটি হিংস্র প্রচেষ্টা—এ কথা আজ নিঃসংকোচে বলা যায়।
তবে অশুভ শক্তির এই গভীর ষড়যন্ত্রকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়ে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। পুলিশের সময়োচিত হস্তক্ষেপ, সুদূরপ্রসারী পেশাদারিত্ব এবং তাৎক্ষণিক প্রজ্ঞার কারণে রাজধানী ঢাকা এক ভয়াবহতম দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। এ ঘটনা শুধু পুলিশের একটি সফল অভিযানই নয়, বরং এটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা ও কৌশলগত মেধার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বলেই মনে হচ্ছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রার সমাপনী উৎসব অর্থাৎ ‘উল্টো রথযাত্রা’র সুবিশাল শোভাযাত্রা ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হয়ে মতিঝিল শাপলা চত্বর অতিক্রম করে স্বামীবাগ আশ্রমের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি এবং উৎসবমুখর পরিবেশে চারদিক যখন মুখরিত, ঠিক তখনই মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে অন্ধকার চক্রান্তের বীজ আবিষ্কৃত হয়।
সেদিন আনুমানিক সন্ধ্যা ৬টার দিকে ট্রাফিক বিভাগের মারফতে ডিএমপি কন্ট্রোল রুমে একটি অতি জরুরি খবর আসে—মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের ঠিক নিচে পরিত্যাক্ত অবস্থায় থাকা একটি ছাতার ভেতর বোমাসদৃশ বস্তু দেখা যাচ্ছে এবং সেখান থেকে আলো জ্বলছে। খবর পাওয়া মাত্রই ডিএমপির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং পুরো এলাকা কর্ডন বা কর্ডনভুক্ত করে নেন।
একটি বিশাল ধর্মীয় শোভাযাত্রা যখন ঠিক ওই বিপজ্জনক স্থানটি স্পর্শ করতে যাচ্ছিল, ঠিক সেই ভয়াল মুহূর্তে হাজার হাজার মানুষের ভিড়ে যদি ‘বোমা’ শব্দটি উচ্চারিত হতো, তবে কী ঘটতে পারত? মুহূর্তের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ত, শুরু হতো হুড়োহুড়ি ও পদপিষ্ট হওয়ার মতো হৃদয়বিদারক ঘটনা। চক্রান্তকারীদের মূল উদ্দেশ্যই হয়তো ছিল সেখানে সরাসরি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে কিংবা আতঙ্কের সুযোগ নিয়ে শতাধিক প্রাণহানি ঘটানো এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশকে ‘সংখ্যালঘুদের জন্য অনিরাপদ’ ও ‘জঙ্গিরাষ্ট্র’ হিসেবে উপস্থাপন করা।
কিন্তু এখানেই ডিএমপি পুলিশ দেখিয়েছে তাদের বিরল উপস্থিত বুদ্ধি এবং মনস্তাত্ত্বিক পেশাদারিত্ব। রথযাত্রার বহরটি ঘটনাস্থলের কাছাকাছি পৌঁছানো মাত্রই জনমনে আতঙ্ক ছড়ানো বন্ধ করতে এবং জনবিৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে কৌশল অবলম্বন করে। সাধারণ মানুষকে জানানো হয় যে সেখানে একটি সাধারণ ‘শর্ট সার্কিট’ হয়েছে। এই ‘কৌশলগত মিথ্যা’ বা মনস্তাত্ত্বিক নিয়ন্ত্রণের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে কোনো আতঙ্ক ছড়ায়নি। একই সাথে অত্যন্ত নিপুণভাবে শোভাযাত্রাটিকে বিকল্প নিরাপদ পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।
রথযাত্রা এলাকা ত্যাগ করে নিরাপদ দূরত্বে পৌঁছে যাওয়ার পর, রাত ৮টার দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের উচ্চপ্রশিক্ষিত বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল (Bomb Disposal Unit) নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে শক্তিশালী আইইডি (Improvised Explosive Device) বোমাটি ধ্বংস করে।
পরবর্তী সময়ে মতিঝিল থানায় বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলার বিবরণী পর্যালোচনা করলে এই নাশকতার ভয়াবহ রূপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মামলার বাদী মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুক্তা অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের অভিযুক্ত করে মামলাটি দায়ের করেন।
ঘটনাস্থল থেকে আলামত হিসেবে যা জব্দ করা হয়েছে—জিআই পাইপের টুকরো, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারি, ইলেকট্রিক সার্কিট এবং বিপুল পরিমাণ বিয়ারিং বল। এই উপাদানগুলো প্রমাণ করে যে, এটি কোনো সাধারণ আতশবাজি বা সাধারণ ককটেল ছিল না; এটি ছিল অত্যন্ত প্রাণঘাতী পাইপ বোমা। বিয়ারিং বলগুলোর মূল কাজই হলো বিস্ফোরণের পর স্প্লিন্টার হিসেবে তীব্র গতিতে ছড়িয়ে পড়ে মানবদেহকে ছিন্নভিন্ন করে দেওয়া। রথযাত্রার মতো জনসমুদ্রের মধ্যে যদি এই বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো সম্ভব হতো, তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কতটা ভয়াবহ হতো, তা ভাবলেও শিউরে উঠতে হয়।
বোমা নিষ্ক্রিয় করার সময় নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের স্প্লিন্টারে পথচারী ৬৬ বছর বয়সী মিরাজ আহমেদ নামে এক ব্যক্তি সাময়িক আহত হন এবং তাঁর বাম চোখে আঘাত লাগে। তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। পুলিশের সময়োচিত তৎপরতা না থাকলে হয়তো বহু তাজা প্রাণ সেদিন ঝরে যেত এবং আহত মিরাজ আহমেদের মতো শত শত মানুষকে চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করতে হতো।
উল্টো রথযাত্রায় নাশকতার পরিকল্পনা যেভাবে নস্যাৎ করা হয়েছে, তা ডিএমপির ইতিহাসে নিশ্চিতভাবেই এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে থাকবে। তবে এই সফলতা কেবল কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়; বরং এটি ডিএমপির সাম্প্রতিক আমূল পরিবর্তন ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলারই সরাসরি প্রতিফলন।
স্বীকার করতে দ্বিধা নেই যে, পুলিশ কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ ডিএমপির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে রাজধানীর সার্বিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এক নতুন গতি সঞ্চারিত হয়েছে। ভেঙে পড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা কাটিয়ে ডিএমপি আজ একটি সুসংগঠিত, কার্যকর এবং গতিশীল বাহিনীতে পরিণত হচ্ছে।
কমিশনারের ব্যক্তিগত সততা, প্রশাসনিক কঠোরতা, আন্তরিকতা এবং উচ্চমাত্রার পেশাদারিত্বের প্রভাবেই আজ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিটি স্তরে নতুন করে শৃঙ্খলা এবং ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। মাঠপর্যায়ের একজন এসআই থেকে শুরু করে শীর্ষ কর্মকর্তা পর্যন্ত সবার মধ্যে জননিরাপত্তা রক্ষায় যে দায়িত্ববোধ তৈরি হয়েছে, তা কমিশনারের বলষ্ঠ নেতৃত্বের ফসল। অপরাধী যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক গোয়েন্দা নজরদারির কারণে আজ দুষ্কৃতকারীরা নাশকতার ছক এঁকেও পার পাচ্ছে না।
আমাদের অনুধাবন করতে হবে যে, মতিঝিলের ওই শক্তিশালী পাইপ বোমাটি কেবল একটি অবকাঠামো বা নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে রাখা হয়নি; এটি রাখা হয়েছিল বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, অসাম্প্রদায়িক ভাবমূর্তি এবং গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতার ওপর আঘাত হানার জন্য।
বর্তমান নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে দেশের ভেতরে ও বাইরে একটি বিশেষ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সরকারের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি নষ্ট করা এবং দেশের অর্থনীতি ও পর্যটন খাতকে বাধাগ্রস্ত করতে তারা বারবার ধর্মীয় সংবেদনশীল বিষয়গুলোকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে বৈচিত্র্যময় ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো যখন নির্বিঘ্নে পালিত হয়, তখন তা ষড়যন্ত্রকারীদের হতাশ করে। তাই উল্টো রথযাত্রার মতো সংবেদনশীল আন্তর্জাতিক ধর্মীয় উৎসবে বড় ধরনের রক্তপাত ঘটিয়ে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে একটি ‘জঙ্গিবাদী ও উগ্রপন্থী রাষ্ট্র’ হিসেবে তুলে ধরার পাঁয়তারা চালানো হয়েছিল।
যদি বোমাটি ফুটত, তবে বিদেশের সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে বড় বড় হেডলাইন হতো, যার খেসারত দিতে হতো পুরো জাতিকে। পুলিশের কৌশলগত উপস্থিত বুদ্ধি এই আন্তর্জাতিক চক্রান্তকে এক নিমেষে ব্যর্থ করে দিয়েছে।
ডিএমপির এই অসামান্য সাফল্য যেমন আমাদের আশান্বিত করে, তেমনি মুদ্রার অপর পিঠটি পর্যালোচনা করলে গভীর উদ্বেগের কারণও খুঁজে পাওয়া যায়।
এখানে গোপন করার কিছু নেই যে, রাজধানীর বাইরে দেশের অনেক মেট্রোপলিটন কিংবা জেলা পর্যায়ে পুলিশের শীর্ষ পদে এখনো এমন কিছু বিতর্কিত বা অদক্ষ ব্যক্তি বসে আছেন, যাদের নিয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে। পেশাদারিত্বের অভাব, রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি এবং নৈতিক বিচ্যুতির কারণে সেসব অঞ্চলে কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলস্বরূপ, দেশের কোথাও না কোথাও এখনো বিচ্ছিন্ন অঘটন ঘটছে এবং সরকারের উন্নয়নমূলক ও ইতিবাচক অর্জনগুলো প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
আমি এ কলামের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের নীতিনির্ধারকদের স্পষ্ট করে বলতে চাই—একটি দেশের টেকসই উন্নয়ন ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার মূল শর্তই হলো শক্তিশালী আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা। আর এই ব্যবস্থা বজায় রাখতে হলে পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে যোগ্য, সৎ ও নৈতিকভাবে উন্নত কর্মকর্তাদের বসাতে হবে।
ডিএমপি কমিশনারের মতো যেসব কর্মকর্তা সততা, মেধা, পেশাদারিত্ব এবং নৈতিক উচ্চতায় বলীয়ান, তাঁদের খুঁজে বের করে পুলিশ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর পদগুলোতে পদায়ন করা এখন সময়ের দাবি। যোগ্য নেতৃত্বের অভাব থাকলে আধুনিক প্রযুক্তি বা পর্যাপ্ত জনবল থাকা সত্ত্বেও বড় ধরনের বিপর্যয় রোখা সম্ভব হয় না। উল্টো রথযাত্রার ঘটনা প্রমাণ করেছে যে, শীর্ষ পদে একজন দক্ষ ও নীতিবান শাসক থাকলে পুরো বাহিনী কীভাবে রাতারাতি কার্যকর হয়ে উঠতে পারে। তাই কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অক্ষুণ্ণ রাখতে হলে পুলিশ প্রশাসনের আমূল সংস্কার এবং সৎ কর্মকর্তাদের মূল্যায়নের কোনো বিকল্প নেই।
পরিশেষে বলতে চাই ,মতিঝিলের মেট্রোরেল স্টেশনের নিচের সেই ঘটনা কেবল একটি সফল ‘বোমা নিষ্ক্রিয়করণ’ নয়; এটি বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর মেধা, মনন এবং সাহসিকতার এক বিজয়গাথা। পুলিশের উপস্থিত বুদ্ধি, জনমানুষের আবেগ ও নিরাপত্তা অনুধাবন করার ক্ষমতা এবং কৌশলগত সিদ্ধান্ত হাজারো মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে, নস্যাৎ করে দিয়েছে দেশি-বিদেশি গভীর ষড়যন্ত্র।
তবে আমাদের মনে রাখতে হবে, চক্রান্তকারীরা থেমে নেই। আজ তারা রথযাত্রাকে লক্ষ্য বানিয়েছে, কাল হয়তো অন্য কোনো অসাম্প্রদায়িক উৎসব বা রাষ্ট্রীয় স্থাপনাকে লক্ষ্য বানাবে। এই অপশক্তিকে চিরতরে নির্মূল করতে হলে কেবল একটি সফল অভিযানেই তুষ্ট থাকলে চলবে না; বরং চক্রান্তের নেপথ্যে থাকা কুশীলবদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
একই সাথে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পেশাদারিত্বকে মডেল হিসেবে গ্রহণ করে সমগ্র দেশের পুলিশ প্রশাসনকে ঢেলে সাজাতে হবে। সৎ, নির্ভীক ও পেশাদার কর্মকর্তাদের হাতে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ব্যাটন তুলে দিলেই কেবল একটি নিরাপদ, বৈষম্যহীন এবং অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
লেখক:
সাংবাদিক, কলামিস্ট, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সম্পাদক,আমার দিন
ই-মেইল: ahabibhme@gmail.com