চলতি বছরে করোনা মহামারির মধ্যে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসই ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের বছরের চেয়ে ৯৪৯.১৩ পয়েন্ট বা ২১.৩১ শতাংশ বেড়েছে। এতে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চ স্থানে গেছে।
বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) ডিএসই থেকে প্রকাশিত বাৎসরিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএসইর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মূল্যসূচকে এই উত্থানের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের নেতৃত্বাধীন কমিশনের ইতিবাচক ও কার্যকরী ভূমিকা। এছাড়া, কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ ও এফডিআরের সুদ হার তলানিতে নেমে আসায় শেয়ারবাজারে বড় ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। যে উন্নয়নের পথ তৈরিতে ভিত্তি গড়ে দিয়েছে বিগত কমিশনের ফ্লোরপ্রাইস নির্ধারণ।
ডিএসইএক্স আগের বছরের চেয়ে ৯৪৯.১৩ পয়েন্ট বা ২১.৩১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে বছরের শেষ দিন ৫৪০২.০৭ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে, যা ২০২০ সালের সর্বোচ্চ অবস্থান। এবছর সূচকটি সর্বনিম্ন ৩৬০৩.৯৫ পয়েন্টে নেমেছিল।
অপর সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসই ৩০ সূচক (ডিএস৩০) ৪৫০.৬১ পয়েন্ট বা ২৯.৭৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৯৬৩.৯৬ পয়েন্টে দাড়িঁয়েছে। এছাড়া, ডিএসইএক্স শরীয়াহ্ সূচক (ডিএসইএস) ২৪২.২৮ পয়েন্ট বা ২৪.২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১২৪২.১১ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে৷
সূচকের এই উন্নতির মাধ্যমে ২০২০ সালে বাজার মূলধন (সিকিউরিটিজের দাম) ডিএসইর ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে৷ ডিএসই বাজার মূলধন আগের বছরের তুলনায় ১ লাখ ৮ হাজার কোটি টাকা বা ৩২.০১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে৷




