নির্বাচনের আর মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি। এ সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটলগ্রাউন্ড বলে পরিচিত ৭টি রাজ্যের মধ্যে চারটিতে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে জনমত জরিপে এগিয়ে আছেন ডেমোক্রেট দলের প্রার্থী কমালা হ্যারিস। অন্যদিকে ট্রাম্প সামান্য এগিয়ে আছেন দু’টি রাজ্যে। ওয়াশিংটন পোস্ট-শচার স্কুল পরিচালিত জরিপে সোমবার এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। কমালা হ্যারিস এগিয়ে আছেন জর্জিয়া, মিশিগান, পেনসিলভ্যানিয়া ও উইসকনসিনে। ট্রাম্প এগিয়ে আছেন অ্যারিজোনা এবং নর্থ ক্যারোলাইনাতে। নেভাদায় তারা দু’জনে সমান সমান সমর্থন পেয়েছেন। এর পরিমাণ শতকরা ৪৮ ভাগ। এ খবর দিয়েছে অনলাইন দ্য হিল। এতে বলা হয়েছে জর্জিয়াতে ডেমোক্রেট প্রার্থী কমালা হ্যারিসকে সমর্থন করেছেন শতকরা ৫১ ভাগ মানুষ। ট্রাম্পকে সমর্থন করেছেন শতকরা ৪৭ ভাগ। অন্যদিকে উইসকনসিন রাজ্যে কমালা হ্যারিসকে সমর্থন করেছেন শতকরা ৫০ ভাগ ভোটার। অন্যদিকে ট্রাম্পকে সমর্থন করেছেন শতকরা ৪৭ ভাগ ভোটার। মিশিগানে তাদের ব্যবধান দুই পয়েন্টে। মিশিগানে কমালা হ্যারিসকে জয়ী করার জন্য প্রচারণায় নেমেছেন উইসকনসিনের গভর্নর টনি এভারস এবং মিশিগানের গভর্নর গ্রেশ্চেন হোয়াইটমার। পেনসিলভ্যানিয়াকে নিজেদের দখলে নেয়ার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দুই প্রার্থীই। কারণ, এখানেই আছে ১৯টি ইলেক্টোরাল ভোট। এখানে দুই পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে আছেন কমালা হ্যারিস। তাকে সমর্থন করেছেন শতকরা ৪৯ ভাগ ভোটার। ট্রাম্পকে সমর্থন করেছেন শতকরা ৪৭ ভাগ। অন্যদিকে ২০২০ সালের নির্বাচনে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য অ্যারিজোনায় সামান্য ব্যবধানে জয়ী হন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এবারকার নির্বাচনে বড় ইস্যু হয়েছে অভিবাসন। এই ইস্যুকে সামনে এনে এই রাজ্যে জয়ের লক্ষ্য স্থির করেছেন ট্রাম্প। বর্তমানে সেখানকার শতকরা ৪৯ ভাগ ভোটার তাকে সমর্থন করছেন। কমালা হ্যারিসকে সমর্থন করছেন ৪৬ ভাগ। নর্থ ক্যারোলাইনাতে শতকরা তিন পয়েন্টে এগিয়ে আছেন ট্রাম্প। এই রাজ্যে শতকরা ৫০ ভাগ ভোটার সমর্থন করেছেন তাকে। কমালা হ্যারিসকে সমর্থন করেছেন শতকরা ৪৭ ভাগ ভোটার। এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে ওয়াশিংটন পোস্টের ওই জরিপে। ২৯ শে সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ই অক্টোবর পর্যন্ত সাতটি সুইং স্টেটের ৫০১৬ জন ভোটারের ওপর চালানো হয়েছে এই জরিপ।
এবারের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দোদুল্যমান ভোটাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। তাঁরা যেদিকে ঝুঁকবেন, হোয়াইট হাউসের পাল্লা তাঁর দিকে ভারী হবে। তাই এই ভোটারদের কাছে টানতে কমলা ও ট্রাম্পের প্রচারশিবির থেকে কোটি কোটি ডলার অর্থ খরচ করা হচ্ছে। তবে নির্বাচনের মাত্র দুই সপ্তাহ আগে বিভিন্ন জরিপে দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের বিষয়টিই দেখানো হচ্ছে।