কানাডার সরকারি সূত্র বলছে, কানাডায় উপস্থিত ভারতীয় কূটনীতিকসহ দেশটির আরও কয়েকজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।এই গোয়েন্দা তথ্য কেবল কানাডা থেকে আসেনি। কিছু এসেছে ফাইভ আইজ গোয়েন্দা জোটের কাছ থেকেও। ফাইভ আইজ হলো অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটি গোয়েন্দা জোট।
শিখ নেতা নিজ্জারকে ১৮ জুন একটি শিখ মন্দিরের বাইরে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি যে জীবনের ঝুঁকিতে ছিলেন কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস সে বিষয়ে তাকে আগেই সতর্ক করেছিল।
হরদীপ সিং নিজ্জারের মৃত্যুর তদন্তে সহযোগিতা চেয়ে কানাডার জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা উপদেষ্টা জোডি থমাস আগস্টের মাঝামাঝি চারদিনের সফরে ভারত ছিলেন। চলতি মাসেও পাঁচ দিনের জন্য তিনি ভারত যান। শেষ সফরটি প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে একটি উত্তেজনাপূর্ণ বৈঠকের সময় হয়েছিল।
বিরোধটি ভারতের সঙ্গে কানাডার সম্পর্ককে বিষিয়ে তুলেছে। ভারত একটি ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক শক্তি। যুক্তরাষ্ট্র দেশটিকে সম্ভাব্য মিত্র হিসেবে বিবেচনা করছে।
ভারত সরকারের দাবি, নিজ্জারসহ শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আশ্রয় দিয়েছে কানাডা। এসব বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সন্ত্রাসী বলে দাবি করছে দিল্লি।
ক্রমবর্ধমান দ্বন্দ্বের জেরে ইতোমধ্যেই কানাডা এবং ভারত উভয়ের কূটনীতিকদের বহিষ্কার করেছে। শুধু তাই নয়, ভারত বৃহস্পতিবার কানাডায় ভিজিটর ভিসা প্রক্রিয়াকরণ বন্ধ করে দিলে উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠে। অটোয়াতে সরকারি সূত্র বলছে, ভারতের এমন পদক্ষেপের উপযুক্ত জবাব খুঁজছে কানাডা সরকার। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি তা এড়িয়ে যান।




