দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ২৪ মে ঘোষিত ভিসানীতির প্রয়োগ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশের একটি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে আজইএমন ঘোষণা দিতে পারেন মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু। বিষয়টি আমার দিনকে নিশ্চিত করেছে উচ্চ পর্যায়ের একটি কূটনৈতিক সূত্র ।
তবে কাদের বিরুদ্ধে ভিসানীতি প্রয়োগ করা হযেছে; তাদের কোনো নাম ঘোষণা করবেন না লু।যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যাদের বিরুদ্ধে ভিসানীতির প্রয়োগ হয়েছে, তাদের ব্যক্তিগতভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে যাদের বিরুদ্ধে ভিসানীতির প্রয়োগ হচ্ছে তাদের মধ্যে সরকার ও বিরোধী পক্ষেরও কারও কারও নাম আছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন গত ২৪ মে বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সহায়তার লক্ষ্যে নতুন ভিসানীতি ঘোষণা করেন। গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে এমন বর্তমান ও সাবেক বাংলাদেশী কর্মকর্তা, সরকার ও বিরোধীদলীয় রাজনীতিবিদ, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, বিচার বিভাগের সদস্য, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে। গণতান্ত্রিক নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার অর্থ হলো ভোট কারচুপি, ভোটারকে ভয়ভীতি দেখানো, শান্তিপূর্ণ সভা সমাবেশে বাধা দান, রাজনৈতিক দল, ভোটার, সুশীল সমাজ, মিডিয়াকে মত প্রকাশে বাধা দেওয়া। এসব কর্মকাণ্ডের জন্যও ভিসানীতির প্রয়োগ হতে পারে।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন আমেরিকায় তখন ভিসানীতি প্রয়োগের ঘোষণার বিষয়টি দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য ণ্ডরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষঙ্গ মহল।




