আজ শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৫ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি
আজ শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৫ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

দলীয় নৈপুণ্যে সেমিফাইনালে মেসির আর্জেন্টিনা

আবিশ্বাস্য… প্রত্যাশিত, আশা, শঙ্কা আর দম বন্ধ করা নিঃস্বাসের শ্রান্তিতে প্রাপ্তির আনন্দ যেন পুরো বিশ্বে একাকার। নেদারল্যান্ডসকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে গেল আর্জেন্টিনা। এর আগে ২০১৪ সালের বিশ্বকাপেও ডাচদের টাইব্রেকারে হারিয়েছিল লিওনেল মেসির দল।
সেমির লক্ষ্যে কাতার বিশ্বকাপের শেষ আট অর্থাৎ কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াইয়ে মুখোমুখি হয় নেদারল্যান্ডস ও আর্জেন্টিনা। আক্রমণ পাল্টা আক্রমণের খেলায় উত্তেজনা ছড়িয়ে ৯০ মিনিটের খেলা ফিরে ২-২ সমতায়, ফলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সে একস্ট্রা সময়ের ৩০ মিনিটও শেষ হয় গোল শূণ্য হয়ে। ফলে এখন ফলাফল নির্ধারণের জন্য যেতে হয় টাইব্রেকারে।

টাইব্রেকারে শুট আউটে নেদারল্যান্ডসকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে এবারের কাতার বিশ্বকাপের শিরোপা লড়াইয়ে এরো এক ধাপ এগিয়ে গেলো মেসিরা।

প্রথমার্ধে মেসির দুর্দান্ত এক এসিস্টে ডাচদের বিপক্ষে ১ গোলের লিড নিয়ে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। খেলার ৩৫ মিনিটে গোলটি করেন নাহুয়েল মলিনা। প্রথমার্ধে ১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা। ৪৫ মিনিট শেষে ১০ মিনিটের বিরতি শেষ করে আবারো সেমির লক্ষ্যে দ্বিতীয়ার্ধের লড়াইয়ে মাঠে নামেন মেসি ও ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংরা। বিরতি থেকে ফিরে আবারো লিড বাড়ায় মেসিরা। ঠান্ডা মাথার আদুরে কিকে মেসি বল গড়ান নেদারল্যান্ডসের জালে। পেনাল্টি থেকে মেসির দেয়া এই গোলেই ২-০ তে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধের ৭৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন মেসি।

তবে এ লিড বেশিক্ষন স্থায়ী হয়নি। খেলার ৮৩ মিনিটে ডাচদের হয়ে ১ গোল পরিশোধ করেন ওট ওয়েগস্ট। আর তাতেই ২-১ এ ব্যবধান কমে ডাচদের। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে অতিরিক্ত ১০ মিনিট বাড়তি সময় পায় দু’দল। আর এসময়েই কাজে লাগায় ডাচরা। খেলার একেবারে শেষ মূহুর্তে গোল করে সমতায় ফিরে নেদারল্যান্ডস। ডাচদের হয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ওট ওয়েগস্ট।

শুক্রবার ৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে শুরু হয় ম্যাচটি।

অতিরিক্ত সময়ে যেন দুদল আরো মরিয়া হয়ে উঠে। আর্জেন্টিনা একের পর এক আক্রমণ করেও গোল আদায় করতে পারেনি। ১০৫ মিনিটে মেসির ফ্রি কিক থেকে ডি বক্সের ভেতর বাড়ানো বলে পা লাগাতে ব্যর্থ হন ওটামেন্ডি।

ম্যাচের একদম অন্তিম মুহূর্তে এনজো ফার্নান্দেজের দূরপাল্লার শট বার পোস্টে লেগে প্রতিহত হলে হতাশায় মুষড়ে পড়ে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

টাইব্রেকারে ডাচদের প্রথম ২ টি শটই রুখে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। মেসির প্রথম ৩ টা স্পট কিক থেকে গোল করলেও ৪র্থ শটে মিস করেন এনজো ফার্নান্দেজ।

একদম শেষ শটে লাউতারো মার্টিনেজ গোল করলে আর্জেন্টিনা ৪-৩ ব্যবধানের জয় ছিনিয়ে নেয়।

শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
Pin on Pinterest
Pinterest
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin