আজ শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৩শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি
আজ শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৩শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

বৈষম্যবিরোধী সরকারে চরম বৈষম্যের নজির তথ্য মন্ত্রণালয়ে

৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বৈষম্যবিরোধী  অভ্যুত্থানে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় স্বৈরাচার  হাসিনা। এর মাধ্যমে প্রায় সাড়ে ১৫ বছরের স্বৈরাচারের  শাসনামলের অবসান ঘটলেও বহাল তবিয়তে রয়েছেন গেছেন স্বৈরাচারের দোসররা। এ ক্ষেত্রে  তথ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ হুমায়ুন কবীর  খোন্দকার বৈষম্যের নিকৃষ্ট নজির স্থাপন করেছেন। গত ৩ সেপ্টেম্বর এক প্রজ্ঞাপনে ডিএফপি. পিআইবি এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরে বদলী-পদায়ন করার ক্ষেত্রেও  চরম  বৈষম্যের শিকার হন ত্রয়োদশ ব্যাচের মেধাবী কর্মকর্তা ফাইজুল হক।

কর্ম জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে একজন পেশাদার ও দক্ষ কর্মকর্তা হিসেবে সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার খ্যাতি রয়েছে বিসিএস সাধারণ ক্যাডারের ত্রয়োদশ ব্যাচের কর্মকর্তা ফাইজুল হকের। কিন্তু স্বৈরাচার  হাসিনার শাসনামলে কয়েক দফায় পদোন্নতি বঞ্চিত হয়েছেন তিনি। মেধা ও জ্যেষ্ঠতা লঙ্গন করে জুনিয়র কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে বদলী-পদায়ন করলেও ফাইজুল হককে প্রেষনে দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা করে রাখা হযেছে। এ পদটি মূলত একজন উপ সচিব পদ মর্যাদার। অথচ তার মূল পদ হচ্ছে অতিরিক্ত প্রধান তথ্য কর্মকর্তা বা মহাপরিচালক পদ মর্যাদার। তার এই বৈষম্যের অন্যতম কুশিলব হলেন স্বৈরাচার  হাসিনা সরকারের দোসর খ্যাত তথ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ হুমায়ুন কবীর  খোন্দকার ও সাবেক দুর্নীতিবাজ ও নারী লিপ্সু মন্ত্রী হাসান মাহমুদ।

এদিকে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নতুন সরকার গঠনের পর ফাইজুল হক বঞ্চিত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ ভূতাপেক্ষভাবে বিধি মোতাবেক পদোন্নতি প্রদানের জন্য গত ৮ আগষ্ট মন্ত্রীপরিষদ সচিব বরাবর আবেদন করেন। অনুলিপি দেন জনপ্রশাসন ও তথ্য সচিবকে। কিন্তু পূর্বের মতো আবারো বঞ্চিত করা হয় ফাইজুল হককে।

ওদিকে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র আমার দিনকে জানিয়েছে যে, সম্প্রতি আনসার বিদ্রোহে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের মদদের অভিযোগ ওঠেছে। উল্লেখ্য স্বৈরাচার  হাসিনার বিশ্বস্ত এ আমলা এর আগে নির্বাচন কমিশনের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কর্মজীবনে তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টার একান্ত সচিব, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন জেলায় ডিসি ও জেলা প্রশাসকও ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে।

 

শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
Pin on Pinterest
Pinterest
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin