আজ মঙ্গলবার, ৩১শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৯ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি
আজ মঙ্গলবার, ৩১শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৯ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি

মহাকাশ নিয়ে যে কারণে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র লড়াই!

চাঁদে মানুষ পাঠানোর অভিযান নিয়ে লড়াইয়ে নেমেছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। চীনের মহাকাশ সংস্থা সিএমএসএ জানিয়েছে, নিজেদের মহাকাশ স্টেশনে আরও নতুন তিন নভোচারীকে পাঠাবে তারা। সংস্থাটির সহকারী পরিচালক জি কিমিং ঘোষণা দিয়েছেন চাঁদেও মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে তাদের।
মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) চীনের মহাকাশ সংস্থা সিএমএসএ এমন তথ্য জানিয়েছে। এর আগে, ১৬ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট আর্টেমিস-১ উৎক্ষেপণ করে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার চীনের দক্ষিণাঞ্চলের জিউকুয়ান স্যাটেলাইট লঞ্চ সেন্টার থেকে মনুষ্যবাহী শেনচৌ-১৫ মহাকাশযান দিয়ে তিন নভোচারিকে মহাকাশে পাঠানো হবে। তারা চীনের নিজস্ব তিয়ানগং মহাকাশ স্টেশনে যাবেন এবং সেখানে ছয় মাস অবস্থান করবেন।

নাসার আর্টেমিসের সঙ্গে সংযুক্ত অবস্থায় ওরিয়ন নামে আরও একটি ছোট মানুষবিহীন নভোযান (অ্যাস্ট্রোনট ক্যাপসুল) পাঠানো হয় সেদিন। যা পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে যাওয়ার পর আর্টেমিস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে চাঁদের উদ্দেশে রওনা হয়। মূলত সুদুরপ্রসারী চন্দ্র অভিযানের অংশ হিসেবেই এ ক্যাপসুলটি পাঠানো হয়েছে। এর দুই সপ্তাহ পরেই চীনের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হলো তারাও চাঁদে অভিযান চালানোর বড়সড় প্রস্তুতি নিচ্ছে।

চীনের মহাকাশ স্টেশনের সহকারী পরিচালক জি জানিয়েছেন, তাদের এখন অন্যতম বড় লক্ষ্য হলো চাঁদে মানুষ পাঠানো। এ লক্ষ্যে চীনের নিজস্ব প্রযুক্তি দিয়ে গবেষণাও শেষ হয়ে গেছে। এছাড়া নতুন প্রজন্মের মনুষ্যবাহী নভোযান, মনুষ্যবাহী রকেট, চাঁদে ল্যান্ড করার পোশাক তৈরিতে চীন বড় সাফল্য পেয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
Pin on Pinterest
Pinterest
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin