আজ বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি
আজ বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

ইউক্রেনকে আরও ২২০ কোটি ডলার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইউক্রেনকে আরও ২২০ কোটি ডলারের (২.২ বিলিয়র ডলার) সামরিক সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শ্মিহাল জানিয়েছেন, ৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের সহায়তার বিল মার্কিন কংগ্রেসে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। খবর আনাদোলুর।

শুক্রবার এক টেলিগ্রাম বার্তায় এসব জানান ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী। এতে তিনি আরও জানান, নতুন সমরাস্ত্রের প্যাকেজে হিমার্স ও প্রেট্রিয়টের মতো অত্যাধুনিক অস্ত্র রয়েছে।

৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের সহায়তার বিলটি ২০২৩ সালের যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটের সঙ্গে বিল আকারে উত্থাপন করা হবে। এখান থেকে ইউক্রেনের সামরিক, অর্থনৈতিক ও মানবিক জরুরি চাহিদার ব্যয় নির্বাহ করা হবে।

মার্কিন সিনেট এরই মধ্যে এই খসরা বিলে অনুমোদন দিয়েছে। এখন এটি বিল আকারে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে তোলা হবে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন। সেখানকার পার্লামেন্টে দেশকে বাঁচাতে আবেগঘন ভাষণও দিয়েছেন তিনি।

এ সময় জেলেনস্কিকে প্রেট্রিয়টসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করার আশ্বাস দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

ইউক্রেনকে প্রেট্রিয়ট দেওয়ার খবরে বেজায় চটেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

তিনি বলেন, রুশ অস্ত্রের কাছে প্রেট্রিয়ট খুবই পুরনো একটি প্রতিরোধ ব্যবস্থা। এসব দিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত করবে যুক্তরাষ্ট্র।

পুতিন বলেন, রাশিয়া চায় যুদ্ধ বাদ দিয়ে কূটনৈতিক পথে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত ইউক্রেন সমস্যার সমাধান করতে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই দেশটিকে অর্থসহায়তা দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র।

এই সাহায্য পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশে কিঞ্চিত দ্বিধান্বিত হলেন না প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া ভাষণে মার্কিনিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন জেলেনস্কি।

মার্কিন পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি ডলার দান নয়, বরং এগুলো বৈশ্বিক নিরাপত্তায় বিনিয়োগ।’

এ সময় জেলেনস্কি আরও বলেন, ‘মার্কিনিদের সঙ্গে কথা বলা আমার জন্য অনেক সম্মানের। ইউক্রেন ভেঙে পড়েনি, এখনো টিকে আছে।’

শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
Pin on Pinterest
Pinterest
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin