আজ সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৮ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
আজ সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৮ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

পুলিশকে জনবান্ধব করতে একগুচ্ছ প্রস্তাব

বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশের কার্যক্রম বিশেষত বিচারবহির্ভূত হত্যাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক মহল উদ্বেগ জানিয়েছে। তবে সর্বশেষ শিক্ষার্থীদের ওপর নির্বিচারে গুলি করার কারণে দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে পুলিশ বাহিনী। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ভেঙে পড়ে পুলিশের ‘চেইন অব কমান্ড’। দলীয়করণের মাধ্যমে পুলিশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং দমন-পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পেশাদারিত্ব ছিল না। এমতাবস্থায় স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনসহ পুলিশ সংস্কারে একগুচ্ছ প্রস্তাব তৈরি করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীটির সদর দপ্তর। এতে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পুলিশের সব সদস্যের কর্মকাণ্ড নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদারকি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। প্রাথমিক খসড়ায় মানবাধিকার সুরক্ষা, পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা বাড়ানো সংস্কারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনুসরণীয় নীতি গ্রহণ, কর্মসময় ৮ ঘণ্টা নির্ধারণ সহ বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে।এছাড়া পিআরবিসহ বিভিন্ন আইন ও বিধির প্রয়োজনীয় সংশোধন বিভিন্ন ইউনিটের প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বাড়ানোসহ রয়েছে অনেক নতুন প্রস্তাব। সর্বোপরি ২০০৭ সালের প্রস্তাবিত অধ্যাদেশের আলোকে পুলিশের সংস্কার চান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ পুলিশ অধ্যাদেশ-২০২৫ এর খসড়া প্রস্তাবের একটি কপি আমার দিন’র হাতে এসেছে। পাঠকদের জন্য তা হুবুহু প্রকাশিত হল:-


বাংলাদেশ পুলিশ অধ্যাদেশ, ২০২৫(খসড়া প্রস্তাব)
বাংলাদেশ পুলিশ অধ্যাদেশ, ২০২৫
(২০২৫ সনের ………….. নম্বর অধ্যাদেশ)
নং-……………….. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক …../……/২০২৫ ইং তারিখে জারিকৃত নিম্নলিখিত অধ্যাদেশটি
জনসাধারণের অবগতির জন্য এতদ্বারা প্রকাশিত হইল।
বাংলাদেশ পুলিশ পুনর্গঠন ও নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশে ̈ প্রণীত একটি অধ্যাদেশ।
ঔপনিবেশিক আমলে পুলিশ ছিল প্রভূদের সেবাদাস আর ̄^াধীনতা উত্তরকালে গত কয়েক যুগ যাবৎ রাজনৈতিক ক্ষমতাবানরা অবৈধ
প্রভাবের মাধ্যমে পুলিশকে নিয়ন্ত্রণ করিয়া তাঁহাদের সেবায় নিয়োজিত রাখে। পুলিশ সার্ভিসের ভিতরে ও বাহিরে পুলিশী ব্যবস্থা
সম্পর্কে জনগণের অসন্তোষ ও মোহমুক্তি এখন সুস্বীকৃত বিষয়। ক্ষমতার কেন্দ্র হইতে অবৈধ হস্তক্ষেপের কারণে অতীতে পুলিশ সার্ভিস
ইহার মূখ্য উদ্দেশ্য “জনগণের সেবা করা” হইতে বিচ্যুত হইয়াছিল। অবৈধ ও অনাকাংখিত প্রভাবমুক্ত হইয়া ন্যায়সংগতভাবে এবং
আইনের শাসনের সাথে সংগতি রাখিয়া তাঁহাদের কার্যাবলী সম্পাদন করিতে হইলে পুলিশী ব্যবস্থার পরিচালনাগত বিষয়াবলীর উপর
পুলিশের সম্পূর্ন নিয়ন্ত্রণ থাকা প্রয়োজন।
যেহেতু মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, জনগণের অধিকার সংরক্ষণ, সংবিধান ও আইন অনুসারে কর্মপরিচালন এবং জনগণের
গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা পূরণে পুলিশের দায়িত্ব, কর্তব্য ও ভূমিকা রহিয়াছে;
এবং যেহেতু উক্তরূপ কর্মপরিচালনায় পুলিশকে পেশাগতভাবে দক্ষ, সেবা-নিবেদিত, জনগণের প্রতি বন্ধু ভাবাপনড়ব, বাহ্যিক
প্রভাবমুক্ত এবং আইন, আদালত ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ হইতে হইবে;
এবং যেহেতু পুলিশী ব্যবস্থার নতুন চ ̈ালেঞ্জসমূহ, আইনের শাসন ও সুশাসনের নীতিসমূহ বিবেচনা করিয়া পুলিশের ভূমিকা, কর্তব্য ও
দায়িত্ব পুনঃসংজ্ঞায়িত করা সমীচীন; এবং যেহেতু দক্ষতার সহিত অপরাধ প্রতিরোধ, উদঘাটন ও দমন, জনশৃংখলা, শান্তি ও নিরাপত্তা
সংরক্ষণের জন্য পুলিশ পুনর্গঠন প্রয়োজন;
সেহেতু এক্ষনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নি¤œরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী
করিয়াছেন।


প্রথম অধ্যায়
প্রারম্ভিক
১। শিরোনাম, প্রয়োগ ও প্রবর্তনঃ
(ক) এই অধ ̈াদেশ বাংলাদেশ পুলিশ অধ ̈াদেশ-২০২৫ নামে অভিহিত হইবে।
(খ) এই অধ ̈াদেশ বাংলাদেশের সর্বত্র প্রযোজ ̈ হইবে।
(গ) এই অধ ̈াদেশ বাংলাদেশের সর্বত্র প্রযোজ ̈ হইবে।
২। সংজ্ঞাঃ
(১) ‘বাংলাদেশ পুলিশ’ বা ‘পুলিশ সার্ভিস’ বলিতে সরকার কত…ক গঠিত পুলিশ প্রতিষ্ঠানসমূহকে এই অধ ̈াদেশের উদ্দেশে ̈ পূরণকল্পে
একটি পুলিশ সার্ভিস হিসাবে গণ ̈ করা হইবে। এই অধ ̈াদেশ বা ইহার অধীনে প্রণীত বিধিমালা বা প্রবিধানমালা অনুযায়ী পুলিশ
সার্ভিসের সদস ̈গণকে বাংলাদেশের অভ ̈ন্তরে বা বাহিরে যে কোন পদে বা ̄’ানে বদলী করা যাইবে।
(২) ‘পুলিশ কমিশন’ বলিতে এই অধ ̈াদেশের ধারা ৪ অনুসারে সংগঠিত পুলিশ কমিশন বুঝাইবে।
(৩) ‘অভিযোগ কত..র্.পক্ষ’ বলিতে এই অধ ̈াদেশের ধারা ১৪ অনুসারে গঠিত পুলিশ অভিযোগ কত..র্.পক্ষ বুঝাইবে।
(৪) ‘জিলা’ বলিতে ১৮৩৬ সনের জিলা আইনে সংজ্ঞায়িত জিলা বুঝাইবে।
(৫) ‘পুলিশ জিলা’ বলিতে এই অধ ̈াদেশের ধারা ১৫ অনুযায়ী ঘোষিত বা সংজ্ঞায়িত পুলিশ জিলা বুঝাইবে।
(৬) ‘জিলা পুলিশ প্রধান’ বলিতে কোন জিলায় পুলিশ প্রধান হিসাবে নিযুক্ত পুলিশ অফিসার; যিনি পুলিশ সুপার বা তদুর্ধ পদমর্যাদার
হইবেন এবং এই অধ ̈াদেশের অধীন জিলা পুলিশ প্রধানের কার্য সম্পাদনের জন ̈ সরকারের বিশেষ বা সাধারণ আদেশবলে নিযুক্ত যে
কোন পুলিশ অফিসারকে বুঝাইবে।
(৭) পুলিশ রেঞ্জ বলিতে কয়েকটি জেলার সমন্বয়ে একটি পুলিশ রেঞ্জ হইবে। পুলিশের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক বা তদুর্ধ পদমর্যাদার
একজন পুলিশ অফিসার রেঞ্জ প্রধান হইবেন। তিনি রেঞ্জের প্রশাসন তদারকি করিবেন এবং পুলিশ প্রধান অথবা তাঁহার নিকট হইতে
ক্ষমতাপ্রাপ্ত কত..র্.পক্ষের নিকট জবাবদিহি করিবেন।
(৮) ‘সাধারণ পুলিশ এলাকা’ বলিতে যে কোন মেট্রোপলিটন এলাকা বা জিলা বা বাংলাদেশের যে কোন অংশ বুঝাইবে।
(৯) ‘জুনিয়র র ̈াংকস’ বলিতে সাব-ইন্সপেক্টর ও তদনি¤œ পদের সকল পুলিশ অফিসারকে বুঝাইবে।
(১০) ‘সিনিয়র র ̈াংকস’ (উর্ধতন কর্মকর্তা) বলিতে ইন্সপেক্টর ও তদুর্ধ পদমর্যাদা পদের সকল পুলিশ অফিসারকে বুঝাইবে।
(১১) ‘ইউনিট প্রধান’ বলিতে পুলিশের বিশেষ শাখা (ে ̄ক্সশাল ব্রাঞ্চ), অপরাধ তদন্ত বিভাগ, আর্মড পুলিশ ব ̈াটালিয়ন, র ̈াপিড একশন
ব ̈াটালিয়ন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, প্রোটেকশন ও প্রোটোকল বিভাগ, মেট্রোপলিটন পুলিশ, পুলিশ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, পুলিশ রেঞ্জ,
হাইওয়ে পুলিশ, মেরিন পুলিশ, জিলা পুলিশ, থানা, তদন্ত কেন্দ্র, ফাঁড়ি বা সরকার কর্তৃক প্রজ্ঞাপন দ্বারা বিভিন্ন সময়ে ঘোষিত যে কোন
পুলিশ
(১১) ‘পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স’ বলিতে পুলিশ প্রধানের অফিস বুঝাইবে।
(১২) ‘পুলিশ বা পুলিশ অফিসার’ বলিতে ঐ সকল ব ̈ক্তিকে বুঝাইবে যাহারা –
(ক) এই অধ ̈াদেশের অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত হইয়াছেন;
(খ) যে কোন অনুমোদিত পুলিশ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান হইতে মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনান্তে উত্তীর্ণ হইয়াছেন।
(গ) পুলিশ সদস ̈ হিসাবে শপথ গ্রহন করিয়াছেন; এবং
(ঘ) এই অধ ̈াদেশের অধীনে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ হইতে নিয়োগপত্র লাভ করিয়াছেন।
৩। এই অধ ̈াদেশে নির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত হয় নাই এমন কোন শব্দ বা শব্দাবলী ১৮৯৭ সনের জেনারেল ক্লজেস এ ̈াক্ট, ১৮৯৮ সনের
ফে.জদারী কার্য ̈বিধি ও ১৮৬০ সনের দন্ডবিধিতে সংজ্ঞায়িত অর্থ বহন করিবে।

দ্বিতীয় অধ ̈ায়
পুলিশ কমিশন
৪। পুলিশ কমিশন গঠন- পুলিশ কমিশন হবে একটি সাংবিধানিক কমিশন। সরকার পদাধিকারবলে নিযুক্ত চেয়ারপারসনসহ ০৫
(পাঁচ) সদস ̈ বিশিষ্ট একটি পুলিশ কমিশন গঠিত হইবে।
৫। সিলেকশন প ̈াণেল-
(ক) পুলিশ কমিশনের ০৫ জন নিরপেক্ষ সদস ̈ নিয়োগের উদ্দেশে ̈ ১০ জনের নামের তালিকা প্রণয়নের নিমিত্তে তিন সদস ̈ বিশিষ্ট
একটি জাতীয় সিলেকশন প ̈াণেল থাকিবে, যাহার চেয়ারপারসন হইবেন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি, দুর্নীতি দমন কমিশনের
চেয়ারম ̈ান ও পুলিশ প্রধান হইবেন অন ̈ দুইজন সদস ̈।
(খ) ̄^চ্ছ পদ্ধতিতে নিরপেক্ষ সদস ̈ বাছাই করিবার জন ̈ সিলেকশন প ̈াণেল ইহার নিজ ̄^ পদ্ধতি উদ্ভাবন ও প্রণয়ন করিবে। তবে
অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার, অবসরপ্রাপ্ত সচিব, অবসরপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ ̈ালয়ের ̧নি শিক্ষক, বিশিষ্ট সমাজকর্মী
ইত ̈াদি শ্রেণীর ব ̈ক্তি পুলিশ কমিশনের সদস ̈ হওয়ার যোগ ̈ বিবেচিত হবে।
(গ) নিরপেক্ষ সদস ̈গণ নিখুঁত চরিত্র, সততা ও প্রমাণিত/প্রতিষ্ঠিত পেশাগত দক্ষতার অধিকারী হইবেন।
(ঘ) পুলিশ কমিশনের সদস ̈ হওয়ার যোগ ̈ ব ̈ক্তিদের নির্বাচন/ মনোনয়ন করিবার পর প ̈াণেল ১০ জনের নামের তালিকা মহামান ̈
রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করিবে।
৬। নিরপেক্ষ সদস ̈দের নির্বাচন/বাছাই করিবার যোগ ̈তা- কোন ব ̈ক্তি পুলিশ কমিশনের সদস ̈ হইবার অযোগ ̈ হইবেন যদি –
(ক) সংবিধানে যে সকল অযোগ ̈তা থাকলে একজন সংসদ সদস ̈ হিসাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না এমন ব ̈ক্তি পুলিশ কমিশনের
সদস ̈ হিসাবে নিয়োগের ক্ষেত্রে অযোগ ̈ বিবেচিত হবেন; বা
(খ) পুলিশ কমিশন সদস ̈রা কেউ রাজনৈতিক দলের বা মতাদর্শী অনুসারি হন; বা তিনি নিয়োগপূর্ব ১০ বৎসরের মধে ̈ কোন
রাজনৈতিক দলের সদস ̈ বা প্রতিনিধি বা জনসেবক থাকেন; বা
(গ) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক না হন; বা তিনি দেওলিয়া,্ ঋণ খেলাপী বা কর ফাঁকিদাতা ঘোষিত হন; বা
(ঘ) তিনি যদি বাংলাদেশ সরকারের এমপি, মন্ত্রী, ̄^-রাষ্ট মন্ত্রী, সচীব, বাংলাদেশের সেবায়/চাকুরীতে ( শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস ̈
ব ̈তীত) একটি লাভজনক পদে থাকেন; বা
(ঙ) তিনি চাকুরীরত থাকেন কোন সংবিধিবদ্ধ সং ̄’ায় বা সরকারী মালিকানাধীন বা নিয়ন্ত্রণাধীন সং ̄’ায় বা যাহাতে সরকারের
নিয়ন্ত্রণমূলক অংশ বা ̄^ার্থ আছে এমন কোন সং ̄’ায় (শৃঙ্খখলা বাহিনীর সদস ̈ ব ̈তীত);
(চ) তিনি দুর্নীতি বা অন ̈ কোন অসদাচরণের কারণে সরকারী চাকুরী হইতে বরখা ̄Í অপসারিত বা বাধ ̈তামূলক অবসরপ্রাপ্ত হন; বা
(ছ) তিনি ফৌজদারী অপরাধে শাি ̄Íপ্রাপ্ত হন; বা
(জ) ইহাতে তাহার কোন ̄^ার্থের সংঘাত ঘটে বা থাকে।
৭। সদস ̈ নির্বাচন/মনোনয়ন-পুলিশ কমিশনের সদস ̈গণ নি¤œরূপে মনোনীত/নির্বাচিত/নিযুক্ত হইবেন-
(খ) রাষ্ট্রপতি জাতীয় সিলেকশন প ̈াণেল কর্তৃক সুপারিশক…ত ১০ জনের তালিকা হইতে ০৫ জন অরাজনৈতিক ব ̈ক্তিত্ব পুলিশ
কমিশনের সদস ̈ মনোনীত করিবেন।
(খ) মনোনীত উক্ত ০৫ জনের মধে ̈ ১ (এক) জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, ১ (এক) জন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার এবং ১ (এক )
জন মহিলা কর্মকর্তা হইবেন ।
(গ) পুলিশ কমিশন সদস ̈দের নিয়োগ প্রজ্ঞাপন সরকারী গেজেটে প্রকাশিত হইবে।
৮। পুলিশ কমিশনের সদসে ̈র মেয়াদ-
(ক) একজন সদসে ̈র সদস ̈পদের মেয়াদ হইবে ৪ বৎসর হইবে; যদি না তিনি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে ই ̄Íফা প্রদান করেন বা পদ
হইতে অপসারিত হন।
(খ) কোন সদস ̈ই দ্বিতীয় মেয়াদের জন ̈ সদস ̈ হইবার যোগ ̈ হইবেন না।
(গ) বিধি অনুযায়ী সদস ̈দের সম্মানী, ভ্রমনভাতা ও মহার্ঘ ভাতা প্রদান করা হইবে।
৯। চেয়ারপারসন দায়িত্ব ও কর্তব ̈-
(ক) কমিশনের সকল সভায় চেয়ারপারসন সভাপতিত্ব করিবেন।
(খ) চেয়ারপারসনের অনুপি ̄’তিতে পুলিশ কমিশন ইহার সদস ̈দের মধ ̈ হইত একজনকে কমিশনের সভার সভাপতি নির্বাচন করিবে।

১০। সদস ̈দের অপসারণ- নি¤œ বর্ণিত কারণে রাষ্ট্রপতি পুলিশ কমিশনের কোন সদস ̈কে অপসারণ করিতে পারিবেনঃ
(ক) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব না থাকিলে;
খ) শারীরিক বা মানসিক অক্ষমতা বা অসু ̄’তায় ভুগিলে;
(গ) অসদাচরণের জন ̈ দোষী সাব ̈ ̄Í হইলে;
(ঘ) কমিশনে উপ ̄.াপিত কোন বিষয়ে তাঁহার ̄^ার্থ থাকার বিষয় গোপণ করিলে;
(ঙ) ফৌজদারী অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হইলে;
(চ) দেউলিয়া বা ঋণ খেলাপী বা কর ফাঁকিদাতা ঘোষিত হইলে;
(ছ) কমিশনের সুখ ̈াতি নষ্ট করিলে বা দুর্নাম করিলে;
(জ) কমিশনের নিকট গ্রহনযোগ ̈ যুক্তিযুক্ত কারণ ব ̈তীত পর পর ৩টি সভায় অনুপি ̄’ত থাকিলে।
১১। পুলিশ কমিশনের কার্যাবলী-পুলিশ কমিশন নি¤œবলিখিত কার্যাবলী সম্পাদন করিবেঃ
(ক) পুলিশ কমিশন এই অধ ̈াদেশের বিধান সাপেক্ষে ইহার কর্তব ̈ সম্পাদনের মাধ ̈মে পুলিশ সার্ভিসের কাজকর্মের তত্ত¡াবধান করিবে
এবং মহামান ̈ রাষ্ট্রপতির নিকট কমিশনের জবাবদিহিতা করিবেন।
(খ) পুলিশ প্রধান হিসাবে নিয়োগের জন ̈ অতিঃ আইজিপির নি¤œপদ ̄’ নয় এমন পাঁচজন কর্মকর্তার নামের তালিকা মহামান ̈ রাষ্ট্রপতির
নিকট প্রেরণ করিবে।
(গ) দুর্নীতি বা ̧রুত্ব অভিযোগে অভিযুক্ত পুলিশ প্রধান ও অন ̈ান ̈ পুলিশ অফিসারদের দুই বৎসরের ̄^াভাবিক মেয়াদ পূর্ণ হইবার পূর্বে
সরকারের নিকট কারণ উল্লে খ পুর্বক তাঁহাদের বদলীর সুপারিশ করা।
(ঘ) প্রতি বৎসর ডিসেম্বর মাসের মধে ̈ কমিশনের বাৎসরিক কর্মকান্ডের একটি সাধারণ প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির এবং দেশের আইন
শৃঙ্খলা পরিি ̄’তির বার্ষিক প্রতিবেদন সরকার ও সংসদের নিকট পেশ করা।
(ঙ) পুলিশের আর্থিক অনিয়মসহ কমিশন ̄^-রাষ্ট মন্ত্রী, আইজিপি, ডিআইজি, এসপি ও ওসি-দের কাজ তদারকি করা।
(চ) পুলিশ, ফৌজদারী মামলা রুজুকরণ, কারাগার এবং প্রবেশন বিষয়ক আইন ও কার্যবিধির, আধুনিকায়ন ও সং ̄‹ারের সুপারিশ করা;
(ছ) পুলিশ নীতি নির্ধারনী প্রæপের প্র ̄Íাবাবলী বিবেচনা করিয়া সরকার সমীপে সুপারিশ পেশ করা।
(জ) রাষ্ট্রপতির অনুমোদনμমে ̄^ীয় কার্যাদি পরিচালনার জন ̈ পুলিশ কমিশন ইহার কার্যবিধি প্রণয়ন করা।
১২। সভার মাধ ̈মে কার্য পরিচালনা-
(ক) পুলিশ কমিশনের কাজকর্ম সভার মাধ ̈মে পরিচালনা করা হইবে।
(খ) চেয়ারপারসন কর্তৃক অথবা তিন জন সদসে ̈র তলবানায় সভা আহবান করা যাইবে।
(গ) কমিশনের তিন জন সদসে ̈র উপি ̄’তি সভার কোরাম পূর্ণ করিবে।
(ঘ) কার্যসূচীসহ অন্ততঃপক্ষে এক সপ্তাহের নোটিশ দিয়া প্রয়োজনানুযায়ী যে কোন সময় আহবানক…ত সভায় সদস ̈গণ উপি ̄’ত
থাকিবেন। তবে প্রতি তিন মাসে অন্ততঃপক্ষে একটি সভা হইতে হইবে এবং নূ ̈নপক্ষে ২৪ ঘন্টার ̄^ল্প নোটিশে জরুরী সভা আহবান
করা যাইবে।
(ঙ) কমিশনের সিদ্ধান্তসমক্সহ মেজরিটি (সংখ ̈াগরিষ্ঠু ) ভোটেই গৃহীত হইবে।
(চ) পুলিশ কমিশন প্রয়োজন অনুযায়ী জনগণের সহিত পরামর্শ করিতে পারিবে।
(ছ) বিশেষ কোন বিষয়ে পরামর্শের জন ̈ কমিশন যে কোন বিশেষজ্ঞকে আমন্ত্রণ জানাইতে পারিবে।
১৩। পুলিশ কমিশনের কার্যে হ ̄Íক্ষেপ-
(ক) প্রধানমন্ত্রী, ̄^-রাষ্ট মন্ত্রী, ̄^-রাষ্ট সচীব, আইজিপি, ডিআইজি কেউ পুলিশ কমিশন এর কাজে কোন ধরনের হ ̄Íক্ষেপ করতে পারবে
না।
(খ) পুলিশ কমিশন এর কাজে কোন ধরনের হ ̄Íক্ষেপ ফৌজদারী অপরাধ হিসাবে গণ ̈ করা। এক্ষেত্রে কমিশনের লিখিত আবেদনে
মহামান ̈ সুপ্রিম কোটের হাইকোট বিভাগ তার বিচার সহ অভিযুক্তের ২ বৎসর পর্যন্ত কারাদন্ডে দন্ডিত করিতে পারিবে।

ত…তীয় অধ ̈ায়
পুলিশ অভিযোগ কত..র্.পক্ষ
১৪। পুলিশ অভিযোগ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা- বাংলাদেশ পুলিশ সদস ̈দের বিরুদ্ধে আনীত ̧রুতর অভিযোগের তদন্ত করিবার উদ্দেশে ̈
সরকার “পুলিশ অভিযোগ কত..র্.পক্ষ”(অতঃপর অভিযোগ কত..র্.পক্ষ বলিয়া অভিহিত) প্রতিষ্ঠা করিবে।
১৫। কত..র্.পক্ষের সদস ̈ মনোনয়ন- মানবাধিকার বা ̄Íবায়নের প্রতি প্রতিশ্রæতিবদ্ধ এবং উন্নত সততা ও চারিত্রিক দৃঢ়তা সম্পন্ন পাঁচ জন
সদস ̈কে লইয়া অভিযোগ কত..র্.পক্ষ গঠিত হইবে, যাহাদের সংগঠন নি¤œরুপ হইবে:
(ক) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অথবা খ ̈াতিমান জাতীয় পর্যায়ে সুখ ̈াতিসম্পন্ন একজন ব ̈ক্তিত্ব যিনি
কমিশনের চেয়ারপারসন হইবেন;
(খ) পুলিশের মহাপরিদর্শক বা অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার;
(গ) সরকারের একজন অবসরপ্রাপ্ত সচিব বা অতিরিক্ত সচিব; এবং
(ঘ) সুশীল সমাজের প্রতিনিধিত্বকারী দুইজন বিখ ̈াত ব ̈ক্তি, যাহাদের একজন মহিলা হইবেন।
(ঙ) অভিযোগ কত..র্.পক্ষের সদস ̈ মনোনয়ন মহামান ̈ রাষ্ট্রপতি পুলিশ কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে প্রদান করিবেন।
১৬। অভিযোগ কত..র্.পক্ষের সদস ̈ মনোনয়নের মাপকাঠি ও শর্তাবলী-
(ক) পুলিশ অভিযোগ কত..র্.পক্ষের সদস ̈গণ যথেষ্ট জ্ঞান, পারদর্শী ও উন্নত চরিত্রের অধিকারী হইবেন।
(খ) অভিযোগ কত..র্.পক্ষের সদস ̈দের নিয়োগ সার্বক্ষনিক বা খন্ডকালীন হইতে পারিবে।
(গ) কোন সদস ̈ তিন বৎসরের অতিরিক্ত সময়ের জন ̈ নিযুক্ত হইবেন না।
(ঘ) অভিযোগ কত..র্.পক্ষের কোন সদস ̈ পদ খালি হওয়ার পর যথাশীঘ্র সম্ভব (সর্বোচ্চ তিন মাসের মধে ̈) শূন ̈ পদ পূরণ করিতে
হইবে।
(ঙ) চেয়ারপারসন বা কোন সদস ̈ দ্বিতীয় মেয়াদের জন ̈ উপযুক্ত হইবেন না।
(জ) কমিশনের সদস ̈ নির্বাচনে/মনোনয়নে সিলেকশন প ̈াণেল ̄^চ্ছতা অবলম্বন করিবে।
১৭। অভিযোগ কর্তৃপক্ষের কার্যাবলী-
(ক) পুলিশ কমিশন অথবা কোনো সংক্ষুব্ধ ব ̈ক্তি হইতে কোন পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে কাজে অবহেলা বা বাড়াবাড়ি বা অন ̈ কোন
অসদাচরণ সম্বলিত লিখিত অভিযোগ গ্রহন, তদন্তের ব ̈ব ̄’া কর; তবে অভিযোগ কত..র্.পক্ষ বিচারাধীন কোন বিষয়ের উপর কোন
অভিযোগ গ্রহন করিবে না।
(খ) প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের জন ̈ অভিযোগ কত..র্.পক্ষ সাধারন মানের অভিযোগ ̧লি উপযুক্ত পুলিশ কত..র্.পক্ষের নিকট প্রেরন
করিবে এবং ̧রুতর প্রক…তির অভিযোগের বিষয়ে অভিযোগ কত..র্.পক্ষ ব ̈ব ̄’া গ্রহন করিতে পারিবে।
(গ) রেঞ্জ পুলিশ অফিসার বা ইউনিট প্রধান হইতে পুলিশ হেফাজতে মৃতু ̈, ধর্ষণ বা মারাত্মক আঘাত সম্পর্কিত প্রতিবেদন গ্রহন এবং
এইরূপ ঘটনা বা দুর্ঘটনার সাক্ষ ̈ সংরক্ষণের ব ̈ব ̄’া গ্রহন।
(ঘ) ̧রুতর ক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করার জন ̈ একজন জিলা ও দায়রা জজকে নিয়োগ দানের জন ̈ প্রধান বিচারপতিকে
অনুরোধ করা।
(ঙ) উপযুক্ত ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব ̈ক্তির চেয়ে উচ্চতর র ̈াংক বা পদের একজন পুলিশ অফিসারকে তদন্তকারী অফিসার হিসাবে নিয়োগ
দিয়া তদন্ত প্রμিয়ার তত্ত¡াবধান করা।
(চ) উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট তদন্ত প্রতিবেদনের কপি প্রেরণ করিয়া তদন্তে প্রাপ্ত তথে ̈র ভিত্তিতে ব ̈ব ̄’া গ্রহন এবং গৃহীত ব ̈ব ̄’া
সম্পর্কে অভিযোগ কত..র্.পক্ষের নিকট প্রতিবেদন পেশ করার জন ̈ যথাযথ পুলিশ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ প্রদান।
(ছ) অনুচ্ছেদ (চ) অনুযায়ী প্রেরিত কোন তদন্ত প্রতিবেদনের উপর প্রদত্ত আদেশ সন্তোষজনক বিবেচিত না হইলে অভিযোগ কত..র্.পক্ষ
উক্ত আদেশ প্রদানকারী অফিসারের পরবর্তী উচ্চতর কর্তৃপক্ষের নিকট উক্ত আদেশ পুনর্বিবেচনা করিবার জন ̈ প্রেরণ করিবে এবং
প্রয়োজনে সর্বশেষ কর্তৃপক্ষ পর্যন্ত এই প্রμিয়া অনুসরণ করা হইবে।
(জ) মিথ ̈া, তুচ্ছ বা হয়রানিমলক মামলার/নালিশের জন ̈ নালিশকারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব ̈ব ̄’ ̈ গ্রহন করা।
(ঝ) কোন তদন্তকারী অফিসারের বিরুদ্ধ তদন্তকার্যে ̈ ইচ্ছাক…ত অবহেলা বা তদন্তকে ভুল পথে পরিচালনা করার জন ̈ তাহার বিরুদ্ধে
শঙ্খলাজনিত শাি ̄Íমুলক ব ̈ব ̄’া গ্রহনের সুপারিশ করা।
(ঞ) অভিযোগ কত..র্.পক্ষের অধীনে কর্মরত কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারী অসদুপায় অবলম্বন বা উদ্দেশ ̈ ̈মক্সলক ভাবে কোনো কার্য স¤ক্সাদন
করিলে বা উদে ̈াগ গ্রহন করিলে তাহার বিরুদ্ধে যথাযথ ব ̈ব ̄’ ̈ গ্রহণ।

(ট) অভিযোগ কত..র্.পক্ষের কার্যাবলী স¤ক্সর্কে বার্ষিক রিপোর্ট প্রণয়ন এবং তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপ ̄’াপন করার জন ̈ সরকারের নিকট
প্রেরণ।
১৮। সাচিবিক সহায়তা- পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অধীনে গঠিত শৃঙ্খখলা শাখা অভিযোগ কত..র্.পক্ষকে ইহার কার্য সম্পাদনে সকল
সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবে।
১৯। সদস্যদের অপসারণ-
পুলিশ অভিযোগ কত..র্.পক্ষের চেয়ারপারসন ও সদস ̈দের অপসারণের পদ্ধতি পুলিশ কমিশনের সদস ̈দের অনুরুপ হইবে।
২০। অভিযোগকারীর অধিকার-
(ক) অভিযোগকারী কোন পুলিশ সদসে ̈র বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ বিভাগীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষ অথবা পুলিশ অভিযোগ কত..র্.পক্ষের
নিকট পেশ করিতে পারিবে।
(খ) অভিযোগ কত..র্.পক্ষ এমন কোন অভিযোগ গ্রহন করিবে না যাহার বিষয়ব ̄‘ আদালত বা অন ̈ কোন কমিশনে পরীক্ষাধীন আছে।
(গ) বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের নিকট অভিযোগের ক্ষেত্রে তদন্ত প্রμিয়া অতিরিক্ত বিলম্ব হইলে অভিযোগকারী তদন্তের যে কোন পর্যায়ে তাহা
অভিযোগ কত..র্.পক্ষকে জানাইতে পারিবে।
(ঘ) তদন্তকারী কত..র্.পক্ষ (অভিযোগ কত..র্.পক্ষ বা বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ) তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে সময়ে সময়ে অভিযোগকারীকে অবহিত
করিবে। তদন্ত ও বিভাগীয় প্রসিডিং শেষে উহার উপসংহার ও গৃহীত চূড়ান্ত ব ̈ব ̄’া সম্পর্কে যথাশীঘ্র সম্ভব অভিযোগকারীকে অবহিত
করা হইবে।
(ঙ) বিভাগীয় তদন্তের ফলাফল সম্পর্কে অভিযোগকারী যদি এই কারণে অসন্তুষ্ট হয় যে তদন্তে তাঁহাকে যথাযথ শুনানীর সুযোগ না দিয়া
বিচার প্রμিয়ার ̄^াভাবিক নীতি লংঘিত হইয়াছে তাহা হইলে উপযুক্ত নির্দেশের জন ̈ তিনি অভিযোগ কত..র্.পক্ষকে অনুরোধ করিতে
পারিবেন।
২১। অভিযুক্ত ও অভিযোগকারীর অধিকার-
অভিযুক্ত ও অভিযোগকারী উভয়েরই সমান অধিকার থাকিবে এবং তাঁহারা তাঁহাদের পছন্দমত আইনী পরামর্শ গ্রহন করিতে পারিবেন।
চতুর্থ অধ ̈ায়
অপরাধ ও বিচার
২২। সাময়িক বরখা ̄Í-এই অধ ̈াদেশ ও ইহার অধীন প্রণীত বিধি ও প্রবিধান অনুসারে যে কোন পুলিশ সদস ̈কে সাময়িক বরখা ̄ক্স করা
যাইবে।
(ক) প্রযোজ ̈ বিধি সাপেক্ষে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসারের তাঁহার অধীন ̄’ কোন পুলিশ সদস ̈কে
সাময়িক বরখা ̄Í করিবার ক্ষমতা থাকিবে।
(খ) কোনো পুলিশ অফিসার সাময়িক বরখা ̄Í হইলে তাহার উপর অর্পিত ক্ষমতা অকার্যকর থাকিবে।
প্রকাশ থাকে যে সাময়িক বরখা ̄Íক…ত পুলিশ সদসে ̈র সদস ̈পদ বাতিল হইবে না, বরং তিনি বরখা ̄Í না হইলে যে কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে
থাকিতেন সাময়িক বরখা ̄Í হওয়া সত্তে¡ও সেই কর্তৃপক্ষেরই নিয়ন্ত্রণে থাকিবেন।
২৩। পুলিশ ট্রাইবুনাল-
কোন পুলিশ সদস ̈ এই অধ ̈াদেশে বর্ণিত কোনো বিধান লংঘন করিলে পুলিশ ট্রাইবুনালে তাহার বিচার হইতে পারিবে। পুলিশ প্রধান
একই সময়ে অনেক ̧লি পুলিশ ট্রাইবুনাল গঠন করিতে পারিবেন। পুলিশ প্রধান অথবা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসারের লিখিত
আদেশ না পাইলে পুলিশ ট্রাইবুনাল এই অধ ̈াদেশের অধীন বিভাগীয় শাি ̄Íযোগ ̈ অপরাধ বিচারের জন ̈ গ্রহন করিতে পারিবে না।
লিখিত আদেশ প্রাপ্তির পর ট্রাইবুনাল নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করিবে।
২৪। পুলিশ ট্রাইবুনাল গঠন, ইত ̈াদি-
(১) সিনিয়র র ̈াংক অফিসারের অপরাধ বিচারের উদ্দেশে ̈ পুলিশ ট্রাইবুনাল নি¤œরূপে গঠিত হইবেঃ
(ক) অতিরিক্ত মহা-পুলিশ পরিদর্শক – চেয়ারপারসন; এবং
(খ) অনূ ̈ন পুলিশ সুপার র ̈াংকের একজন পুলিশ অফিসার – সদস ̈।

প্রকাশ, অভিযুক্ত ব ̈ক্তি পুলিশ সুপার র ̈াংকের হইলে (খ) অনুচ্ছেদের সদসে ̈র র ̈াংক হইবে উপ-মহা পুলিশ পরিদর্শক; এবং অভিযুক্ত
ব ̈ক্তি যদি অতিরিক্ত উপ-মহা পুলিশ পরিদর্শক বা তদুর্ধ র ̈াংকের হয় তাহা হইলে (খ) অনুচ্ছেদের সদস ̈ হইবেন অতিরিক্ত মহা-
পুলিশ পরিদর্শক এবং সিনিয়র অতিরিক্ত মহা-পুলিশ পরিদর্শক ট্রাইবুনালের চেয়ারপারসন হইবেন।
(২) উপধারা (১) এ বর্ণিত পুলিশ ট্রাইবুনাল, পুলিশ প্রধান কর্তৃক গঠিত হইবে এবং ট্রাইবুনালকে সহায়তা করিতে একজন পাবলিক
প্রসিকিউটর বা পুলিশ প্রধান হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন সহকারী পুলিশ সুপার বা কোর্ট ইন্সপেক্টর নিয়োজিত থাকিবেন।
(৩) জুনিয়র র ̈াংক অফিসারের অপরাধ বিচারের উদ্দেশে ̈ পুলিশ ট্রাইবুনাল নি¤œরূপে গঠিত হইবেঃ
(ক) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বা পুলিশ সুপার- চেয়ারপারসন; এবং
(খ) অনূ ̈ন সহকারী পুলিশ সুপার বা ইন্সপেক্টর- সদস ̈।
পুলিশ প্রধান কর্তৃক এই ট্রাইবুনাল গঠিত হইবে এবং ট্রাইবুনালকে সহায়তা প্রদানের জন ̈ একজন পাবলিক প্রসিকিউটর বা পুলিশ
প্রধান হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন সহকারী পুলিশ সুপার বা একজন কোর্ট ইন্সপেক্টর নিয়োজিত থাকিবেন। পুলিশ প্রধান সুনির্দিষ্ট ও
লিখিত আদেশের মাধে ̈মে অতিরিক্ত মহা-পুলিশ পরিদর্শক এর নি¤েœ নহেন এমন একজন কর্মকর্তাকে ট্রাইবুনাল গঠনের ক্ষমতা অর্পন
করিতে পারিবেন ।
২৫। পুলিশ ট্রাইবুনালে বিচার্য ̈ বিষয়-
নি¤েœ বর্ণিত বিষয় সমুহ সহ আচরণবিধিতে উল্লেখিত অপরাধের জন ̈ একজন পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাি ̄Íর ব ̈ব ̄’া করা
যাইবে অথবা পুলিশ ট্রাইবুনালে বিভাগীয় মামলা করা যাইবে।
(ক) কর্তবে ̈ অবহেলা;
(খ) অবাধ ̈তা বা ঔদ্ধত্বপূর্ন আচরণ;
(গ) অননুমোদিত অনুপি ̄’তি বা কর্মে ফাঁকি
(ঘ) কাপুরুষতা
(ঙ) ক্ষমতার অপব ̈বহার; এবং
(চ) একজন অফিসারের জন ̈ অশোভনীয় কোন কাজ।
২৬। পুলিশ ট্রাইবুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপীল-
(১) পুলিশ ট্রাইবুনালের রায়ে সংক্ষুব্ধ ব ̈ক্তি রায়ের ৩০ ত্রিশ দিনের মধে ̈ (ক) সিনিয়র র ̈াংক অফিসারের ক্ষেত্রে পুলিশ কমিশনের
নিকট এবং (খ) জুনিয়র র ̈াংক অফিসারের ক্ষেত্রে পুলিশ প্রধানের নিকট আপীল করিতে পারিবেন।
(২) পুলিশ ট্রাইবুনাল বা উহার আপীল কর্তৃপক্ষের কোন আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদালত বা ট্রাইবুনালে আপীল করা যাইবে
না।
২৭। অভিযুক্ত ব ̈ক্তির আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার-
এই অধ ̈াদেশের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত পুলিশ সদস ̈ নিজে আত্মপক্ষ সমর্থন করিতে পারিবেন এবং তাহার ইউনিটের কোন
সিনিয়র বা জুনিয়র র ̈াংকের অফিসার অথবা একজন আইনজীবীর সহায়তা গ্রহন করিতে পারিবেন।
২৮। বিভাগীয় মামলা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের দন্ড বা শাি ̄Í-
(১) এই অধ ̈াদেশের অধীনে প্রণীত বিধি ও প্রবিধান সাপেক্ষে পুলিশ সুপার বা তদুর্ধ পদের একজন পুলিশ অফিসার যে পুলিশ
অফিসারের নিয়োগকারী কর্ত…পক্ষ এইরুপ অধীন ̄’. পুলিশ অফিসারকে নি¤œলিখিত যে কোন একটি শাি ̄Í প্রদান করিতে পারিবেনঃ
̧রুদন্ড লঘুদন্ড
(ক) পদাবনতি;
(খ) বাধ ̈তামূলক অবসর;
(গ) চাকুরী হইতে অপসারণ;
(ঘ) পদোন্নতি ̄’গিতকরণ া
(ক) বরখা ̄Í;
(খ) ভর্ৎসনা বা তির ̄‹ার;
(ঙ) সতর্কীকরন।
(২) পুলিশ সুপার বা তদুর্ধ র ̈াংকের একজন পুলিশ অফিসার তাঁহার অধীন ̄Í জুনিয়র র ̈াংকের কোন পুলিশ অফিসারকে নি¤œলিখিত যে
কোন শাি ̄Í প্রদান করিতে পারিবেনঃ
̧রুদন্ড লঘুদন্ড
(ক) পদাবনতি; (ক) বেতন হ্রাস

(খ) বাধ ̈তামূলক অবসর;
(গ) চাকুরী হইতে অপসারণ;
(ঘ) পদোন্নতি ̄’গিতকরণ;
(ঙ) বেতন বৃদ্ধি ̄’গিতকরণ;
(খ) বরখা ̄Í।
(গ) ভর্ৎসনা বা তির ̄‹ার;
(ঘ) সতর্কীকরন
(৩) বিভাগীয় বিধি লংঘনের জন ̈ কোন পুলিশ অফিসার উপধারা (১) বা (২) এ উল্লেখত কোন শাি ̄Í ঐ ঘটনায় ক…ত তাহার বিরুদ্ধে
কোন ফৌজদারী কার্যμমকে বারিত করিবে না ।
২৯। দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল-এই অধ ̈াদেশের অধীনে কোন অফিসারের বিরুদ্ধ শাি ̄Íর আদেশ হইলে তাহার বিরুদ্ধে নি¤েœাক্তভাবে
আপীল করা যাইবে
(ক) পুলিশ প্রধান কর্তৃক শাি ̄Íর আদেশ প্রদত্ত হইলে মহামান ̈ রাষ্ট্রপতির নিকট আপীল হইবে
(খ) পুলিশ প্রধানের অধঃ ̄Íন কোন অফিসার কর্তৃক দন্ডাদেশ প্রদত্ত হইলে আদেশ প্রদানকারী অফিসারের নিকটতম উর্ধতন র ̈াংকের
অফিসারের নিকট আপীল হইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, এ ধারা লঘু দন্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ ̈ হবে না।
৩০। শৃঙ্খখলা ও আপীল বিধি-সরকারের অনুমোদনμমে পুলিশ প্রধান পুলিশ ট্রাইবুনাল, বিভাগীয় মামলা বা প্রসিডিং এবং আপীল
পদ্ধতি সম্পর্কিত বিধিমালা প্রণয়ন করিতে পারিবেন।
পঞ্চম অধ ̈ায়
নিয়োগ ও পদোন্নতি
৩১। নিয়োগ ও পদোন্নতিঃ
(ক) সরকার কর্তৃক পুলিশ প্রধানের সহিত সুপারিশμমে বিভিন্ন সময়ে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন পদে নির্ধারিত সংখ ̈ক পুলিশ
সদস ̈ সমন্বয়ে পুলিশ সার্ভিস গঠিত হইবে এবং অনুরূপভাবে নির্ধারিত সংগঠন, ইউনিট বা প্রতিষ্ঠানসমূহ পুলিশ সার্ভিসের অন্তর্গ ত
হইবে। সরকার কত..র্.ক সৃজিত পুলিশ সার্ভিসের পদসমূহ ̄’ায়ী পদ হিসাবে গন ̈ হইবে।
(খ) কনস্টেবল ও ইন্সপেক্টর এই দুই পদে পুলিশ সার্ভিসে সরাসরি নিয়োগ করা হইবে; অথবা বিকল্প হিসাবে কনস্টেবল, ইন্সপেক্টর ও
সহকারী পুলিশ সুপার এই তিন পদে পুলিশ সার্ভিসে সরাসরি নিয়োগ করা হইবে।
(গ) ইন্সপেক্টর ও সহকারী পুলিশ সুপার পদে নিয়োগ সরকারী কর্ম কমিশনের মাধ ̈মে হইবে। সরকারী কর্ম কমিশন কর্তৃক গঠিত
প্রাক-নিয়োগ নির্বাচনী পরিষদের সম্মুখে প্রার্থীদের সর্বশেষ সাক্ষাৎকারের সময় পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার নীচে নয় এমন
একজন পুলিশ অফিসারকে বিশেষজ্ঞ সদস ̈ হিসাবে উপি ̄’ত থাকার জন ̈ আমন্ত্রন জানানো হইবে।
(ঘ) সংশিষ্ট বিধি বিধান অনুযায়ী ̄^চ্ছ, নিরপেক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনী/বাছাই প্রμিয়ার মাধ ̈মে কনস্টেবল পদে পুলিশ প্রধান
(আইজিপি) লোক নিয়োগ করিবেন।
(ঙ) সংশিষ্ট বিধি বিধান অনুযায়ী ̄^চ্ছ, নিরপেক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনী/বাছাই প্রμিয়ার মাধ ̈মে নায়েক হতে সাব-ইন্সপেক্টর
পদে পুলিশ প্রধান (আইজিপি) বোর্ড গঠন করে যোগ ̈দের পদোন্নতি প্রদান করিবেন।
৩২। নিয়োগ বোর্ড গঠন :
(ক) কনস্টেবল নিয়োগের ক্ষেত্র নিয়োগের পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স একজন অতিরিক্ত আইজিপি কে প্রধান করে একটি বোর্ড গঠন
করবেন।
(খ) মাঠের বাছাই পরীক্ষা নিজ নিজ জেলা পুলিশ সুপার গ্রহন করিবেন, লিখিত পরীক্ষা রেঞ্জ ডিআইজির মাধ ̈মে পুলিশ
হেডকোয়ার্টার্স গ্রহন করিবেন এবং ভাইভা পরীক্ষা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কত..র্.ক গ্রহন শেষে চূড়ান্ত নিয়োগ প্রদান করা হইবে।
(গ) কনস্টেবল পদে নিয়োগের জন ̈ শিক্ষাগত যোগতা এইচএসসি পাশ হইতে হইবে।
৩৩। পদোন্নতি বোর্ড গঠন-
(ক) মেধা, জে ̈ষ্ঠতা, বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনের গ্রেডিং, সুনাম, সততা, দক্ষতা, সৃষ্টিশীলতা ও অন ̈ান ̈ বিষয় পুলিশ সার্ভিসের
সিনিয়র পদ সমূহে পদোন্নতির মাপকাঠি বিবেচনার জন ̈ পুলিশ কমিশনের সহিত পরামশেμমে সরকার পদোন্নতি বোর্ড গঠন
কবিরেন।

(খ) সংশিষ্ট বাছাই বা পদোন্নতি বোর্ড কর্তৃক যথাযথভাবে বিবেচিত হওয়া ব ̈তীত সিনিয়র পদে নিয়োগ বা পদোন্নতি দেওয়া যাইবে
না।
(গ) প্রণীত বিধি ও প্রবিধান অনুসারে জুনিয়র পদসমূহে পদোন্নতি দেওয়া ক্ষেত্রে আরএল, পিএল পদ্ধতি অনুসরন করিতে হইবে।
(ঘ) পদোন্নতির ক্ষেত্রে প্রার্থীর পরিবারের সদস ̈ ও আত্মীয় ̄^জনদের রাজনৈতিক পরিচয় সংμান্ত বিষয় বিবেচনা করা হইবে না।
৩৪। কনস্টবল থেকে নায়েক পদে পদোন্নতির পদ্ধতি-
(ক) পদোন্নতির জন ̈ বিবেচ ̈ বিষয় ̧লি হইতেছে- (ক) অভিজ্ঞতা ও জে ̈ষ্ঠতা, (খ) বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন এবং (গ) লিখিত
পরীক্ষার ফলাফল।
(খ) শিক্ষাগত যোগতা এইচএসসি পাশ ও তিন বছর কনস্টবল পদে চাকুরি অভিজ্ঞতা ও জে ̈ষ্ঠতা।
(গ) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স প্রনিত নির্ধারিত সিলেভাজ অনুসারে লিখিত পরীক্ষা উত্তির্ণ হইতে হইবে।
(ঘ) প্রতি লঘু দন্ড প্রাপ্তির জন ̈ দন্ড প্রাপ্তির তারিখ হইতে কোন অফিসারের পদোন্নতি এক বৎসর ̄’গিত থাকিবে এবং প্রতি ̧রু দন্ড
প্রাপ্তির জন ̈ দন্ড প্রাপ্তির তারিখ হইতে কোন অফিসারের পদোন্নতি তিন বৎসর ̄’গিত থাকিবে।
৩৫। নায়েক থেকে সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতির পদ্ধতি-
(ক) পদোন্নতির জন ̈ বিবেচ ̈ বিষয় ̧লি হইতেছে- (ক) অভিজ্ঞতা ও জে ̈ষ্ঠতা, (খ) বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন এবং (গ) লিখিত
পরীক্ষার ফলাফল।
(খ) শিক্ষাগত যোগতা সম্মান পাশ ও দুই বৎসর নায়েক পদে চাকুরি অভিজ্ঞতা ও জে ̈ষ্ঠতা।
((গ) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স প্রনিত নির্ধারিত সিলেভাজ অনুসারে লিখিত পরীক্ষা উত্তির্ণ হইতে হইবে।
(ঘ) প্রতি লঘু দন্ড প্রাপ্তির জন ̈ দন্ড প্রাপ্তির তারিখ হইতে কোন অফিসারের পদোন্নতি এক বৎসর ̄’গিত থাকিবে এবং প্রতি ̧রু দন্ড
প্রাপ্তির জন ̈ দন্ড প্রাপ্তির তারিখ হইতে কোন অফিসারের পদোন্নতি তিন বৎসর ̄’গিত থাকিবে।
৩৬। সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর হইতে সাব-ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতির পদ্ধতি-
(ক) পদোন্নতির জন ̈ বিবেচ ̈ বিষয় ̧লি হইতেছে- (ক) অভিজ্ঞতা ও জে ̈ষ্ঠতা, (খ) বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন এবং (গ) লিখিত
পরীক্ষার ফলাফল।
(খ) শিক্ষাগত যোগতা সম্মান পাশ ও তিন বছর সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর পদে চাকুরি অভিজ্ঞতা ও জে ̈ষ্ঠতা।
(গ) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স প্রনিত নির্ধারিত সিলেভাজ অনুসারে লিখিত পরীক্ষা উত্তির্ণ হইতে হইবে।
(ঘ) প্রতি লঘু দন্ড প্রাপ্তির জন ̈ দন্ড প্রাপ্তির তারিখ হইতে কোন অফিসারের পদোন্নতি এক বৎসর ̄’গিত থাকিবে এবং প্রতি ̧রু দন্ড
প্রাপ্তির জন ̈ দন্ড প্রাপ্তির তারিখ হইতে কোন অফিসারের পদোন্নতি তিন বৎসর ̄’গিত থাকিবে।
৩৭। ইন্সপেক্টর থেকে সহকারী পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতির পদ্ধতি-
(ক) পদোন্নতির জন ̈ বিবেচ ̈ বিষয় ̧লি হইতেছে- (ক) অভিজ্ঞতা ও জে ̈ষ্ঠতা, (খ) বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন।
(খ) ইন্সপেক্টর হিসাবে চাকুরি তিন বছর সম্পন্ন করিলে একজন ইন্সপেক্টর সμিয়ভাবে সহকারী পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পাবেন।
(গ) প্রতি লঘু দন্ড প্রাপ্তির জন ̈ দন্ড প্রাপ্তির তারিখ হইতে কোন অফিসারের পদোন্নতি এক বৎসর ̄’গিত থাকিবে এবং প্রতি ̧রু দন্ড
প্রাপ্তির জন ̈ দন্ড প্রাপ্তির তারিখ হইতে কোন অফিসারের পদোন্নতি তিন বৎসর ̄’গিত থাকিবে।
(ঘ) মোট সহকারী পুলিশ সুপার পদে ৭০% ই ̄œপেক্টর হইতে এবং ৩০% সরাসরি নিয়োগের মধে ̈ পূরণ হইবে।
(ঙ) পদোন্নতির জন ̈ বিবেচিত কর্মকর্তাদের সার্ভিস রেকর্ড অনুমোদনের জন ̈ পাবলিক সার্ভিস কমিশনে প্রেরণ করিতে হইবে।
(চ) পুর্বের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ ̈মে নিযুক্ত অফিসার পরের বিজ্ঞপ্তির মাধ ̈মে নিযুক্ত অফিসারের উপর জে ̈ষ্ঠতা পাইবেন।
৩৮। সহকারী পুলিশ সুপার পদ হইতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতির পদ্ধতি-
(ক) পদোন্নতির জন ̈ বিবেচ ̈ বিষয় ̧লি হইবে- (ক) অভিজ্ঞতা ও জে ̈ষ্ঠতা, (খ) বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন, (গ) মৌলিক প্রশিক্ষণ
(ঘ) ইন-সার্ভিস প্রশিক্ষণ এবং (ঙ) সততা, মেধা ও পুলিশের ভাবমূর্তি গঠনে অবদান।
(খ) অফিসারকে সরকারী কর্ম কমিশন কর্তৃক পরিচালিত সিনিয়র ে ̄‹ল পরীক্ষা পাশ করিতে হইবে।
(গ) পুলিশ সার্ভিসে ০৬ বৎসর চাকুরির অভিজ্ঞতা থাকিতে হইবে।
(ঘ) প্রতি লঘু দন্ড প্রাপ্তির জন ̈ দন্ড প্রাপ্তির তারিখ হইতে কোন অফিসারের পদোন্নতি দন্ড প্রাপ্তির তারিখ হইতে এক বৎসরের জন ̈
̄’গিত থাকিবে এবং প্রতি ̧রুদন্ডের জন ̈ দন্ড প্রাপ্তির তারিখ হইতে তিন বৎসর ̄’গিত থাকিবে।
(ঙ) বিভাগীয় সহকারী পুলিশ সুপার হইতে ৭০% এবং সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার হইতে ৩০% হারে পদোন্নতির
মধে ̈মে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদ পূরণ হইবে।
১০
৩৯। পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতির পদ্ধতি-
(ক) পদোন্নতির জন ̈ বিবেচ ̈ বিষয় ̧লি হইবে- (ক) অভিজ্ঞতা ও জে ̈ষ্ঠতা, (খ) বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন, (গ) মৌলিক প্রশিক্ষণ
(ঘ) ইন-সার্ভিস প্রশিক্ষণ এবং (ঙ) সততা, মেধা ও পুলিশের ভাবমূর্তি গঠনে অবদান।
(খ) পুলিশ সার্ভিসে ১২ বৎসর চাকুরির অভিজ্ঞতা থাকিতে হইবে।
(গ) প্রতে ̈ক লঘু দন্ডের কারণে এক বৎসর এবং প্রতে ̈ক ̧রুন্ডের কারণে তিন বৎসর কোন অফিসারের পদোন্নতি ̄’গিত থাকিবে (
দন্ড প্রদানের তারিখ হইতে)।
৪০। অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক ও তদুর্ধ পর্যায়ের পুলিশ অফিসারদের পদোন্নতির পদ্ধতি-
(ক) পদোন্নতির জন ̈ বিবেচ ̈ বিষয় ̧লি হইবে- (ক) অভিজ্ঞতা ও জে ̈ষ্ঠতা, (খ) বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন, (গ) মৌলিক প্রশিক্ষণ
(ঘ) ইন-সার্ভিস প্রশিক্ষণ এবং (ঙ) সততা, মেধা ও পুলিশের ভাবমূর্তি গঠনে অবদান।
(খ) পুলিশ সার্ভিসে ১৫ বৎসর চাকুরির অভিজ্ঞতা থাকিতে হইবে।
(গ) প্রতে ̈ক লঘু দন্ডের কারণে এক বৎসর এবং প্রতে ̈ক ̧রুন্ডের কারণে তিন বৎসর কোন অফিসারের পদোন্নতি ̄’গিত থাকিবে (
দন্ড প্রদানের তারিখ হইতে)।
৪১। অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ও তদুর্ধ পর্যায়ের পুলিশ অফিসারদের পদোন্নতির পদ্ধতি-
(ক) পদোন্নতির জন ̈ বিবেচ ̈ বিষয় ̧লি হইবে- (ক) অভিজ্ঞতা ও জে ̈ষ্ঠতা, (খ) বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন, (গ) মৌলিক প্রশিক্ষণ
(ঘ) ইন-সার্ভিস প্রশিক্ষণ এবং (ঙ) সততা, মেধা ও পুলিশের ভাবমূর্তি গঠনে অবদান।
(খ) পুলিশ সার্ভিসে ১৮ বৎসর চাকুরির অভিজ্ঞতা থাকিতে হইবে।
(গ) প্রতে ̈ক লঘু দন্ডের কারণে এক বৎসর এবং প্রতে ̈ক ̧রুন্ডের কারণে তিন বৎসর কোন অফিসারের পদোন্নতি ̄’গিত থাকিবে (
দন্ড প্রদানের তারিখ হইতে)।
ষষ্ঠ অধ ̈ায়
নিয়োগ ও পদায়ন
৪২। পুলিশ প্রধান নিয়োগ ও পদায়ন-
(ক) পুলিশ কমিশন কর্তৃক সুপারিশক…ত ০৫ জন অতিরিক্ত আইজিপির সংক্ষিপ্ত তালিকা হইতে একজনকে রাষ্ট্রপতি পুলিশ প্রধান
হিসাবে নিয়োগ করিবেন।
(খ) তাঁহার ̄^াভাবিক অবসরের তারিখ যাহাই হউক না কেন নিযুক্ত পুলিশ প্রধানের অফিসের মেয়াদ অনূ ̈ন দুই বছর হইবে।
(গ) পুলিশ প্রধানের সাময়িক অনুপি ̄’তিকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত জে ̈ষ্ঠতম পুলিশ অফিসার পুলিশ প্রধানের সকল ক্ষমতা
প্রয়োগসহ তাঁহার সকল কর্তব ̈, দায়িত্ব ও কাজকর্ম সম্পাদন করিতে পারিবেন।
৪৩। পুলিশ প্রধানের সাধারণ ক্ষমতা-
(ক) এই অধ ̈াদেশ ও ইহার অধীনে প্রণীত বিধিমালা সাপেক্ষে পুলিশ প্রধান তাহাদের ̄^ীয় কর্তৃত্ত¡াধীন ক্ষেত্রে নিয়োগ, প্রশিক্ষণ,
পদায়ন, বদলী, পদোন্নতি, অ ̄¿শ ̄¿, ব ̈ায়াম, শৃঙ্খখলা, পোষাক পরিচ্ছদ, কর্ম-বন্টন এবং তাহাদের নিয়ন্ত্রণাধীন পুলিশ সদস ̈দের
দক্ষতার সহিত কর্তব ̈ সম্পাদন সম্পৃর্কিত অন ̈ কোন বিষয় পরিচালনা, নির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণ করিবেন।
(খ) জেলার পুলিশ সুপার, রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রো কমিশনার ও থানার ওসি পদায়নের ক্ষেত্রে একটি সুনিদিষ্ট নীতিমালা তৈরি করা এবং
নীতিমালা মেনে যোগ ̈দের জেলার পুলিশ সুপার, রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রো কমিশনার ও থানার ওসি হিসাবে পদায়ন করা।
(গ) পুলিশ প্রধান পদাধিকারবলে বিভিন্ন আইন বা বিধিমতে সরকারের সচিবকে প্রদত্ত ব ̈ব ̄’াপনা, প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতাসহ এই
অধ ̈াদেশ ও অন ̈ আইনে তাঁহাকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবেন।
৪৪। পুলিশ প্রধান ও ইউনিট প্রধানগণের “পুলিশ হিসাব” সম্পৃর্কিত ক্ষমতা-
(১) পুলিশ ইউনিট ̧লির সহিত স¤ক্সৃক্ত হিসাব সম্পর্কিত সকল বিষয় তদন্ত ও নিয়ন্ত্রণ করিবার ক্ষমতা পুলিশ প্রধান ও ইউনিট
প্রধানগণের থাকিবে এবং সংশিষ্ট সকল ব ̈ক্তি উক্ত তদন্ত পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁহাদের আদেশ নির্দেশ মান ̈ করিতে এবং যুক্তিযুক্ত
সকল সাহায ̈ সহযোগিতা প্রদানে বাধ ̈ থাকিবে।
(২) পুলিশ প্রধান ও ইউনিট প্রধানগণের হিসাব নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত উপধারা (১) এ প্রদত্ত ক্ষমতা সত্তে¡ও মহাহিসাব নিরীক্ষকের পুলিশ
হিসাব নিরীক্ষা করিবার ক্ষমতা অটুট থাকিবে।
৪৫। পুলিশ প্রধানের পদ হইতে অব ̈াহতি- নি¤œ বর্ণিত যে কোন ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি লিখিত আদেশবলে পুলিশ প্রধানকে তাঁহার মেয়াদ পূর্ণ
হওয়ার পূর্বে বদলী বা অপসারণ করিতে পারিবেন-
১১
(ক) ব ̈ক্তিগত কারণে প্রদত্ত তাঁহার ে ̄^চ্ছাপ্রণোদিত দরখাে ̄Íর ভিত্তিতে; অথবা
(খ) আদালত কর্তৃক ফৌজদারি অপরাধে দন্ডিত হইলে; অথবা
(গ) সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা, ১৯৮৫ বা অন ̈ কোন প্রযোজ ̈ বিধিমালা অনুযায়ী তাঁহার বরখা ̄Í, অপসারণ,
বাধ ̈তামক্সলক অবসর বা পদাবনতি হইলে।
৪৬। পুলিশ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান প্রধানের পদায়ন-
(ক) সরকার পুলিশ প্রধানের সহিত পরামর্শ ও পুলিশ কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক বা তদুর্ধ পদমর্যাদার
একজন পুলিশ অফিসারকে পুলিশ ষ্টাফ কলেজের রেক্টর, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল এবং ডিএমপির পুলিশ কমিশনার
হিসাবে নিয়োগ বা পদায়ন করিবে।
(খ) সরকার পুলিশ প্রধানের সহিত আলোচনা পূর্বক পুলিশ প্রশিক্ষণ কলেজ, ̄‹ুল বা কেন্দ্রের পরিচালক পদে অতিরিক্ত উপ-
মহাপরিদর্শক বা তদুর্ধ পদমর্যাদার একজন পুলিশ অফিসারকে নিয়োগ প্রদান করিবে।
৪৭। রেঞ্জ ও মেট্রা কমিশনার প্রধানের পদায়ন- সরকার পুলিশ প্রধানের সহিত পরামর্শμমে রেঞ্জ ও মেট্রা কমিশনার হওয়ার যোগ ̈দের
একটি তালিকা পুলিশ কমিশনের সহিত আলোচনা করিয়া পুলিশ প্রধান তৈরি করিবেন। উক্ত তালিকা হইতে সরকার সাধারণতঃ পুলিশ
প্রধানের সুপারিশ মোতাবেক রেঞ্জ জিআইজি ও মেট্রা কমিশনার হিসাবে বদলী করিবেন।
৪৮। জিলা পুলিশ প্রধানের পদায়ন- জিলা পুলিশ প্রধান হওয়ার যোগ ̈দের একটি তালিকা পুলিশ প্রধান তৈরি করিবেন। উক্ত তালিকা
হইতে সরকার সাধারণতঃ পুলিশ প্রধানের সুপারিশ মোতাবেক জিলা পুলিশ প্রধান পদে বদলী করিবেন।
৪৯। থানার প্রধানের পদায়ন- থানার প্রধান হওয়ার যোগ ̈দের একটি তালিকা পুলিশ প্রধান তৈরি করিবেন। উক্ত তালিকা হইতে
সরকার সাধারণতঃ রেঞ্জ ডিআইজি থানার প্রধান(অফিসার ইনচার্জ) পদে বদলী করিবেন।
৫০। সিনিয়র র ̈াংকে পদায়ন-
(১) সরকার পুলিশ প্রধানের সুপারিশ অনুযায়ী পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক, অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক ও পুলিশ সুপার পদে পুলিশ
অফিসার নিয়োগ বা পদায়ন করিবেন।
(২) পুলিশের মহাপরিদর্শক হইবেন ইন্সপেক্টর হইতে তদুর্ধ পদমর্যাদার পুলিশ অফিসার পদের জন ̈ পদায়নকারী কর্তৃপক্ষ।
(৩) পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক হইবেন তার নিজ রেঞ্জ এর মধে ̈ ইন্সপেক্টর ও সহকারী পুলিশ সুপার পদের জন ̈ পদায়নকারী
কর্তৃপক্ষ।
৫১। জুনিয়র র ̈াংকে পদায়ন-
(১) জিলার ক্ষেত্রে জিলা পুলিশ প্রধান এবং অন ̈ান ̈ ইউনিটের ক্ষেত্রে সুপারিন্টেন্ডেন্ট অব পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর ও তদনি¤œ পদের জন ̈
পদায়নকারী কর্তৃপক্ষ হইবেন।
৫২। ইউনিট প্রধানের অফিসের মেয়াদ- এই অধ ̈াদেশে সংজ্ঞায়িত বিভিন্ন ইউনিট, রেঞ্জ, জোন এবং অন ̈ান ̈ সাংগঠনিক বা
এলাকাভিত্তিক ইউনিট প্রধান হিসাবে পোষ্টিং প্রাপ্তদের অফিসের মেয়াদ পদে যোগদানের তারিখ হইতে অনূ ̈ন দুই বৎসর হইবে।
তবে উপরোক্ত যে কোন অফিসারকে তাঁহার নি¤œতম মেয়াদ পর্ণ হইবার পূর্বে নি¤œরূপ ক্ষেত্রে বদলী করা যাইবে-
(ক) ে ̄^চ্ছা প্রণোদিতভাবে ব ̈ক্তিগত কারণে প্রদত্ত তাঁহার দরখাে ̄Í ভিত্তিতে; অথবা
(খ) উচ্চতর পদে পদায়ন বা পদোন্নততি হইলে; অথবা
(গ) আদালত কর্তৃক ফৌজদারী অপরাধে দন্ডিত হইলে; অথবা
(ঘ) সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা, ১৯৮৫ বা অন ̈ কোন প্রযোজ ̈ বিধিমালা অনুযায়ী তাঁহার বরখা ̄Í, অপসারণ,
বাধ ̈তামূলক অবসর বা পদাবনতি হইলে; অথবা
(ঙ) উপরোক্ত বিধি অনুসারে সাময়িক বরখা ̄Í হইলে; অথবা
(চ) শারীরিক, মানসিক রোগ বা অন ̈ কোন কারণে তিনি কর্তব ̈কর্ম পালনে অসমর্থ হইলে।
৫৩। অন ̈ সরকারী প্রতিষ্ঠানে পদায়ন- এই অধ ̈াদেশের বিধান সাপেক্ষে সরকার পুলিশ প্রধানের সহিত পরামশμমে যে কোন পুলিশ
অফিসারকে অন ̈ কোন সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা বিদেশী দুতাবাসে বদলী বা পদায়ন করিতে পারিবে।

১২
সপ্তম অধ ̈ায়
বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস
৫৪। পুলিশের তত্ত¡াবধান-
(১) পুলিশ সার্ভিসের তত্ত¡াবধানের দায়িত্ব পুলিশ কমিশন ও সরকারের উপর ন ̈ ̄Í থাকিবে। তবে এই অধ ̈াদেশের বিধানের সহিত
সংগতিহীনভাবে সরকার কোন ব ̈ক্তি, কর্মকর্তা, কর্তৃপক্ষ বা আদালতকে কোন পুলিশ কর্মকর্তাকে নিয়ন্ত্রন করিবার ক্ষমতা দিবে না।
(২) পুলিশী তদন্ত ও অন ̈ান ̈ আইন প্রয়োগ সংμান্ত কর্মকান্ড, নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলী, পদায়ন বা অন ̈ কোন পুলিশী কর্মকান্ডে
বেআইনীভাবে প্রত ̈ক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব খাটানো বা হ ̄Íক্ষেপ করা ফৌজদারী অপরাধ বলিয়া গণ ̈ হইবে।
(৩) পুলিশ সার্ভিস কঠোরভাবে সংবিধান ও আইন মোতাবেক তাহাদের কর্তব ̈ সম্পাদন করিতেছে কেবল ইহা নিশ্চিত করিবার জন ̈
উপধারা (১) এ প্রদত্ত তত্ত¡াবধানের ক্ষমতা প্রয়োগ করা হইবে।
(৪) কোন সরকারী সং ̄’া বা কর্মকর্তা কর্তৃক পুলিশের প্রতি ক…ত অনুরোধ আইনসম্মত কিনা তাহা দেখার দায়িত্বও উপধারা (১) এ
প্রদত্ত তত্ত¡াবধান কর্তৃত্বের অন্তর্ভুক্ত হইবে।
৫৫। পুলিশ প্রশাসন-
(১) এ অধ ̈াদেশের বিধান সাপেক্ষে পুলিশ সার্ভিসের সার্বিক ব ̈ব ̄’াপনা তথা প্রশাসন, অর্থ, মানব স¤ক্সদ, বদলী, দেশের ভিতরে বা
বাহিরে প্রেষণে নিয়োগ, বৈদেশিক সহযোগিতা ও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কর্মকান্ডের সহিত সম্পর্কিত বিষয়াবলী পুলিশ প্রধানের উপর
ন ̈ ̄Í হইবে।
(২) পুলিশ প্রধান, পুলিশের মহাপরিদর্শক, অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক, উপ-মহাপরিদর্শক, অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক, পুলিশ সুপার ̄^
̄^ ক্ষেত্রে এই অধ ̈াদেশ ও বলবৎ অন ̈ান ̈ আইনের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করিবেন এবং নির্ধারিত দায়িত্ব ও কর্তব ̈
কর্ম সম্পাদন করিবেন।
(৩) উপধারা (২) এ উল্লেখিত পুলিশ অফিসারগণ দক্ষভাবে পুলিশের কাজকর্ম স¤ক্সাদনের উদ্দেশে ̈ এই অধ ̈াদেশ অথবা ইহার
অধীনে প্রণীত বিধি বা প্রবিধানমালার সহিত অসংগতিপূর্ণ নয় এমন ̄’ায়ী আদেশ জারী করিতে পারিবেন।
৫৬। আইন উপদেষ্টা, অর্থ উপদেষ্টা ও বিশেষজ্ঞ নিয়োগ-
(১) পুলিশ প্রধানের সহিত পরামশμমে, পুলিশ প্রধান বা কোন ইউনিট প্রধানকে সহায়তা ও পরামর্শ প্রদানের জন ̈, সরকার এক বা
একাধিক আইন উপদেষ্টা (প ̈ানেল আইনজ্ঞ ইহাতে অন্তভর্ক্সক্ত) এবং অর্থ উপদেষ্টা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ করিবেন।
(২) সরকার, পুলিশ প্রধানের সহিত পরামর্শμমে, পুলিশ প্রধান বা কোন ইউনিট প্রধানকে সাংগঠনিক, পরিচালন ও তদরাত বিষয়ে
সহায়তা প্রদানের উদ্দেশে ̈ দেশের ভিতর বা বাহির হইতে যে কোন বিষয়ে এক বা একাধিক বিশেষজ্ঞ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ করিতে
পারিবেন।
(৩) বিশেষজ্ঞদের শিক্ষাগত যোগ ̈তা, উপযুক্ততা ও চাকুরীর শর্তাবলী এই অধ ̈াদেশের অধীনে প্রণীত বিধি অনুসারে নির্ধারিত হইবে।
৫৭। পুলিশের প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা-
(১) জাতীয় প্রশিক্ষণ নীতির আলোকে সকল র ̈াংক বা পদের পুলিশ সদসে ̈র জন ̈ একটি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ নীতি প্রণয়ন করা হইবে।
সকল পুলিশ সদস ̈ যেন গণতান্ত্রিক মূল ̈বোধ ও আন্তর্জাতিকভাবে ̄^ীক…ত মানদন্ডের ভিত্তিতে তাহাদের কর্তব ̈ সম্পাদন করিতে পারে
সেই উদ্দেশে ̈ এই নীতি যথেষ্ট প্রশিক্ষণ প্রদানের নিশ্চয়তা বিধান করিবে এবং সদস ̈দের চাকুরী জীবনের উন্নতির পরিকল্পনা ও
ধারাμমের সহিত এই নীতির সম্পৃক্ততা থাকিবে।
(২) চাকুরী জীবনে অগ্রগতির সাথে সাথে যথোপযুক্ত শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ ̈তা অর্জনের মাধ ̈মে পুলিশ সদস ̈দের মধে ̈ একটি
চাকুরী সং ̄‹…তি বিনির্মাণ এই নীতির অন ̈তম উদ্দেশ ̈ হইবে।
(৩) পুলিশ প্রধান বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব ̈ক্তির পূর্ব অনুমোদন সাপেক্ষে পুলিশ কর্মকর্তা/সদস ̈গন উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন
করিতে পারিবে।
৫৮। জনগণের প্রতি পুলিশের দায়িত্ব ও কর্তব ̈- আইনী বিধান সাপেক্ষে প্রতে ̈ক পুলিশ অফিসারের দায়িত্ব ও কর্তব ̈ হইবে –
(ক) জনসাধারণের সহিত সম্মান ও সে.জনে ̈র সহিত আচরণ করা;
(খ) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে সন্নিবেশিত মৌলিক অধিকারসমূহের নিশ্চয়তা বিধান করা;
(গ) মহিলা ও শিশুদের প্রতি হয়রানি বা উৎপীড়ন প্রতিরোধ করা;
(ঘ) গ্রেফতারক…ত ব ̈ক্তির অধিকার ও সুবিধাদি রক্ষা করা;
(ঙ) অপরাধ এবং গণ-উপদ্রব সংঘটন প্রতিরোধ করা;
১৩
(চ) অপরাধ প্রতিরোধ ও উদঘাটন;
(ছ) অভ ̈ন্তরীন নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ;
(জ) সড়ক, জনপথ, রা ̄Íাঘাট, মেলা, উম্মুক্ত ̄’ান ও পথ, জনগণের প্রবেশাধিকার সম্বলিত ̄^া ̄’ ̈ ও বিনোদন কেন্দ্র, মসজিদ, মন্দির ও
অন ̈ান ̈ গণউপাসনালয় ইত ̈াদিতে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা এবং যে কোন প্রকার উপদ্রব ও প্রতিবন্ধকতা প্রতিরোধ করা;
(ঝ) সড়ক, জনপথ, রেলপথ, পানিপথ ও রা ̄Íাঘাটে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচলে শঙ্খখলা আনয়ন;
(ঞ) দাবীদার বিহীন সম্পদের হেফাজত, তালিকা প ̄‘তকরণ, প্রক…ত মালিককে খুঁজিয়া উহা ফেরৎ প্রদানের প্রচেষ্টায় বিফল হইলে
উক্ত স¤ক্সত্তি বা উহার মুল ̈ সরকারী কোষাগারে জমা করা;
(ট) অপরাধীদের বিচারের সম্মুখীন করা;
(ঠ) ঐ সকল ব ̈ক্তিকে গ্রেফতার করা যাহাদের গ্রেফতারের ক্ষমতা পুলিশ অফিসারের আছে এবং যাহাদের গ্রেফতার করিবার যথেষ্ট
কারণ বিদ ̈মান রহিয়াছে;
(ড) আইন দ্বারা নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের সকল আইনসংগত আদেশ মান ̈ করা ও সত্ত¡র কার্যকর করা;
(ঢ) গ্রেফতারক…ত ব ̈ক্তির গ্রেফতারের খবর তাহার মনোনীত লোকদের নিকট যথাশীঘ্র প্রেরণ নিশ্চিতকরণ;
(ণ) যে কোন দোকানপাট, জুয়া খেলার ঘর বা যেখানে মদ, গাঁজা বা অন ̈ মাদক দ্রব ̈াদি বিμয় হয় অথবা অ ̄¿শ ̄¿, বিস্ফোরক এবং
বিপজ্জনক রাসায়নিক দ্রব ̈ রাখা হয় এবং যেখানে উশৃ‧খল ও সন্দেহজনক চরিত্রের লোকদের সমাগম হয় এমন আনন্দ বিনোদন ও
̄^া ̄’ ̈ কেন্দ্রে নির্ভরযোগ ̈ তথে ̈র ভিত্তিতে বিনা পরোয়ানায় প্রবেশ ও পরিদর্শন;
(ত) মাপে কম দেওয়া, প্রবঞ্চনা, শঠতা, ভেজাল ও অ ̄^া ̄’ ̈কর খাদ ̈ দ্রব ̈াদি, প্রকাশ ̈ ̄’ানে দাহ ̈ পদার্থ বিμয় প্রভৃতি প্রতিরোধ করণে
আইনানুগ ব ̈ব ̄’া গ্রহণ।
(ন) তাহার নিজের বা জনগণের বা তাহাদের সম্পদের ক্ষতি প্রতিরোধের জন ̈ কোন ব ̈ক্তিকে হেফাজতে নেওয়া; এবং
(প) এই অধ ̈াদেশ, কোড বা বলবৎ অন ̈ কোন আইনে প্রদত্ত অন ̈ যে কোন কর্তব ̈ স¤ক্সাদন এবং ক্ষমতার প্রয়োগ করণ।
৫৯। পুলিশ অফিসারগণের কর্তব ̈কাল- ছুটিতে না থাকিলে বা সাময়িক বরখা ̄Í না হইলে প্রতে ̈ক অফিসার এই অধ ̈াদেশের সকল
উদ্দেশে ̈র জন ̈ সর্বদা কর্তব ̈রত বলিয়া বিবেচিত হইবেন এবং দেশের যে, কোন অংশে তাহাকে যে কোন সময় কর্তবে ̈ নিয়োজিত
করা যাইবে।
৬০। কর্তব ̈ পরিহার বা ই ̄Íফা-
(১) পুলিশ সুপার বা তদুর্ধ পদের কোনো কর্মকর্তা বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসারের লিখিত অনুমতি ব ̈তীত কোন পুলিশ
অফিসার ̄^ীয় কর্তব ̈ পরিত ̈াগ করিবেন না।
ব ̈াখ ̈া- ছুটির কারণে অনুপি ̄’ত কোন পুলিশ অফিসার যুক্তিযুক্ত কারণ ব ̈তিরেকে ছুটি শেষে কাজে যোগদানে ব ̈র্থ হইলে এই ধারামতে
তিনি তাঁহার দাপ্তরিক কর্তব ̈ পরিত ̈াগ করিয়াছেন বলিয়া গণ ̈ হইবেন।
(২) উর্ধতন উপর ̄’. অফিসারের নিকট লিখিত নোটিশ প্রদান ব ̈াতিরেকে কোন পুলিশ অফিসারকে তাঁহার দাপ্তরিক কর্তব ̈ হইতে
ই ̄’ফা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হইবে না ।
প্রকাশ থাকে যে ই ̄Íফার কাংখিত তারিখের অন্ততঃ এক মাস পূর্বে এইরুপ নোটিশ না দিলে ই ̄Íফা নোটিশ গ্রাহ ̈ করা হইবে না।
৬১। জুনিয়র র ̈াংকের সদস ̈দের অন ̈ কর্মে নিয়োজিত হওয়া-জুনিয়র র ̈াকের কোন পুলিশ সদস ̈, তাহার পুলিশী কর্তবে ̈র সাথে
সাংঘর্ষিক না হইলে, নিয়োগকারী কত..র্.পক্ষের অনুমতিμমে দ্বিতীয় পেশা হিসাবে অন ̈ কর্মে নিয়োজিত হইতে পারিবেন
৬২। তদন্ত খরচ এবং পুল, ফেরী ও রা ̄Íার টোল বা পথশুল্ক প্রদান হইতে অব ̈াহতি-
বলবৎ অন ̈ান ̈ আইনে যাহাই থাকুক না কেন সরকারী, আধা সরকারী, বেসরকারী বা ̄^ায়ত্বশাসিত সং ̄’া কর্তৃক কোন পুল, ব্রিজ,
ফেরী বা রা ̄Íা ব ̈বহারের জন ̈ আরোপিত ও আদায়যোগ ̈ টোল বা পথশুল্ক হইতে পুলিশের যানবাহনসমূহ অব ̈াহতি পাইবে।
৬৩। থানায় সাধারণ ডায়েরী সংরক্ষণ- নির্ধারিত ফরমে ছাপানো কাগজে বা ইলেকট্রনিক ফরমে প্রতে ̈ক থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী
সংরক্ষণ করিতে হইবে। একজন পুলিশ অফিসার যাহা যথাযথ মনে করিবেন এমন সব ঘটনা উহাতে রেকর্ড বা লিপিবদ্ধ করা হইবে।
পুলিশের কাজে যে কোন প্রকারের হ ̄Íক্ষেপের বিবরন ও এই সাধারন ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হইবে।
৬৪। জননিরাপত্তা তহবিল-
(১) সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের মাধ ̈মে সরকার একটি জননিরাপত্তা তহবিল গঠন করিতে পারিবে, যাহা মূলতঃ নি¤œবর্ণিত
অনুদান ও দানে সংগঠিত হইবেঃ
১৪
(ক) সরকার, ̄’ানীয় সরকার, ̄^ায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, সরকার ̄^ীক…ত বেসরকারীসং ̄’া ̄’’হ (এনজিও), আন্তর্জাতিক ও জাতিসংঘ
সং ̄’া ̄’’হ কর্তৃক প্রদত্ত দান বা অনুদান;
(২) ট্রাফিক জরিমানা হিসাবে আদায়ক…ত অর্থের অর্ধেক সরকার জননিরাপত্তা তহবিলে জমা দিতে পারবে।
(৩) এই তহবিলের জমা খরচের সঠিক হিসাব থাকিবে, যাহা প্রতি অর্থ বৎসরে অডিটর জেনারেল বা মহা হিসাব নিরীক্ষক কর্তৃক
নিরীক্ষা করা হইবে।
(৪) এই অধ ̈াদেশের অধীনে প্রণীত বিধিবিধান সাপেক্ষে পুলিশ প্রধানের সার্বিক তত্ত¡বধানে জননিরাপত্তা তহবিল পরিচালনা করা
হইবে।
(৬) জননিরাপত্তা তহবিল নিম্নলিখিত উদ্দেশে ̈ ব ̈বহৃত হইবেঃ
(ক) থানায় পুলিশ কর্তৃক প্রদেয় সেবার মান এবং জনগণের জন ̈ সুবিধাদির প্রবর্তন ও উন্নয়ন;
(খ) ট্রাফিক পুলিশসহ সকল পুলিশের সেবার মান উন্নয়ন; এবং
(গ) ভালোভাবে কর্তব ̈ সম্পাদনের জন ̈ পুলিশ সদস ̈দের পুর ̄‹…ত করা।
৬৫। ভারপ্রাপ্ত বা ̄’াভিষিক্ত অফিসারের দায়িত্ব ও ক্ষমতা-
পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ পুলিশ প্রধান বা জিলা পুলিশ প্রধানের অনুপি ̄’তিতে যিনি উপযুক্ত নিয়োগ কর্তৃপক্ষের আদেশে ঐ পদে ̄’ায়ী বা
অ ̄’ায়ীভাবে ̄’লাভিষিক্ত বা ভারপ্রাপ্ত হইবেন তিনি এই অধ ̈াদেশে রেঞ্জ পুলিশ অফিসার বা জিলা পুলিশ প্রধানের সকল ক্ষমতা, দায়িত্ব
ও কর্তব ̈ প্রয়োগ ও সম্পাদন করিবেন।
৬৬। সরল বিশ্বাসে কর্তব ̈ সম্পাদনের কারণে কোন পুলিশ অফিসার দন্ডিত হইবেন না-
এই অধ ̈াদেশে বা বলবৎ অন ̈ কোন আইনে বা তদধীন প্রণীত বা প্রদত্ত কোন বিধিবিধান, আদেশ বা নির্দেশনাধীন আরোপিত কর্তব ̈
বা প্রদত্ত কর্তৃত্ব অনুসরণে সরল বিশ্বাসে সম্পাদিত কোন কাজের জন ̈ কোন পুলিশ অফিসার কোন দন্ডে দন্ডিত হইবেন না বা কোন
ক্ষতিপূরণ প্রদান করিবেন না।
৬৭। পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে মামলা- সরকার দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার কত..র্.ক অথবা অনুরূপ কোন অফিসারের পূর্ব
অনুমোদনের ভিত্তিতে লিখিত প্রতিবেদন (যাহাতে অপরাধ সম্পৃক্ত ঘটনাবলীর বিবরণ থাকিবে) ব ̈তীত কোন পুলিশ অফিসারের
বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে কোন আদালতে ফৌজদারী কাযμম গ্রহন করা যাইবে না।
৬৮। কর্তবে ̈র আবরণে ক…ত কাজের বিরুদ্ধে ছয় মাসের মধে ̈ মামলা- নালিশী কাজ সংঘটনের তারিখ হইতে অথবা পুলিশ অভিযোগ
কত..র্.পক্ষ এর নিকট অভিযোগ দায়ের করার তারিখ হইতে ছয় মাসের মধে ̈ দায়ের করা না হইলে কোন আদালত কোন পুলিশ
অফিসারের বিরুদ্ধে এই অধ ̈াদেশের অধীন কর্তৃত্ব প্রয়োগে বা কর্তব ̈ সম্পাদনকালে অথবা কর্তবে ̈র আবরণে ক…ত কোন অন ̈ায় বা
অপরাধের অভিযোগে কোন মামলা গ্রহন করিবে না।
৬৯। ৬৮ ধারাধীন মামলায় দুই মাসের নোটিশ-
(১) ৬৮ ধারায় কোন পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে মামলা করিতে হইলে অভিযোগকারী/বাদী কর্তৃক অভিযোগের যথেষ্ট বর্ণনাসহ
দেওয়ানী কায র্̈বিধি, ১৯০৮ এর ৮০ ধারানুযায়ী দুই মাসের নোটিশ দিতে হইবে।
(২) উপধারা (১) অনুযায়ী প্রদেয় নোটিশের ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্য ̈বিধি, ১৯০৮ এর ৮০ ধারার বিধান প্রয়োজনীয় অভিযোজন সহকারে
প্রযোজ ̈ হইবে।
৭০। সরকারের বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা-
এই অধ ̈াদেশের বিধান কার্যকর করার জন ̈ সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের মাধ ̈মে বিধিমালা প্রণয়ন করিতে পারিবে।
৭১। প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা-
(১) পুলিশ প্রধান বিভিন্ন সময়ে এই অধ ̈াদেশ বা ইহার অধীন প্রণীত বিধিমালার সহিত অসংগতিপ‚র্ণ নয় এমন প্রবিধান ও আদেশ জারী
করিতে পারিবেন।
(২) উপরোক্ত ক্ষমতার সাধারণ প্রয়োগ ক্ষুন্ন না করিয়া প্রবিধানমালায় নি¤œলিখিত বিষয়াবলী বিশেষভাবে অন্তভর্‚ক্ত থাকিবেঃ
(ক) প্রশিক্ষণ পদ্ধতিসহ পুলিশের মানব স¤ক্সদ ব ̈ব ̄.াপনা;
(খ) পুলিশ সদস ̈দের নিকট সরবরাহযোগ ̈ অ ̄¿শ ̄¿, গোলাবারুদ ও সাজসরঞ্জামের প্রাধিকার নির্ধারণ ।
(গ) কর্তবে ̈ অবহেলা ও ক্ষমতার অপব ̈বহার প্রতিরোধ এবং পুলিশের কর্মকান্ডে সার্বিক শৃঙ্খলা, শিষ্টাচার ও শালীনতা সংরক্ষণ ও
উৎকর্ষ সাধন;
১৫
(ঘ) পুলিশ সদস ̈দের আবাসন, অব-কাঠামো, মেসিং সুবিধাদি;
(ঙ) পুলিশের সাধারণ প্রশাসন, অপারেশন, গোয়েন্দা তথ ̈াদি সংগ্রহ ও নিরাপত্তা ব ̈ব ̄’াপনা।
৭২। বিধিমালা ও প্রবিধানমালার প্রজ্ঞাপন-
এই অধ ̈াদেশের অধীন প্রতে ̈কটি বিধি ও প্রবিধান সরকারী গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনের মাধ ̈মে প্রণয়ন করা হইবে।
৭৩। অন ̈ আইনে মামলা করার ক্ষমতা অপরিবর্তিত-
কোন ব ̈ক্তি কত..র্.ক এই অধ ̈াদেশের অধীন শাি ̄Í-যোগ ̈ কোন অপরাধের জন ̈ অন ̈ কোন আইনে বিধানসাপেক্ষে তাহার বিরুদ্ধে মামলা
করা যাইবে।
৭৪। রহিতকরণ ও সংরক্ষণ- ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (অধঃ ̄Íন কর্মকর্তাদের শ…ঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০০৬, পুলিশ আইন,
১৮৬১ ( অতঃপর ‘ঐ আইন’ নামে অভিহিত) এতদ্বারা রহিত করা হইল।
অষ্টম অধ ̈ায়
বিশেষ পুলিশ নিয়োগ
৭৫। বিশেষ পুলিশ অফিসার নিয়োগ-
(১) অপর্যাপ্ত জনবলের ক্ষেত্রে বিশেষ সময়ের জন ̈ জিলা পুলিশ প্রধান বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতায়িত যে কোন পুলিশ
অফিসার বিশেষ পুলিশ অফিসার নিয়োগ করিতে পারিবেন।
(২) উপধারা (১) অনুযায়ী নিযুক্ত একজন বিশেষ পুলিশ অফিসার নিয়োগকালে (ক) নির্ধারিত ফরমে একটি সার্টিফিকেট পাইবেন;
এবং (খ) তিনি তাঁহার সম পদমর্যাদার সাধারণ পুলিশ অফিসারের মত সকল সুযোগ সুবিধা, দায়িত্ব ও ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইবেন এবং একই
কর্তৃপক্ষের অধীনে থাকিবেন।
৭৬। অতিরিক্ত পুলিশ নিয়োগ-
(১) সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে জিলা পুলিশ প্রধান তাঁহার বিবেচনায় উপযুক্ত মনে করিলে নির্দিষ্ট র ̈াংক/পদে নির্দিষ্ট সময়ের জন ̈
নির্দিষ্ট সংখ ̈ক অতিরিক্ত পুলিশ অফিসার নিয়োগ করিতে পারিবেন এবং কি উদ্দেশে ̈ তাহাদের নিয়োগ করা হইল তাহা তাহাদের
নিয়োগ আদেশে উল্লেখ থাকিবে।
(২) প্রতে ̈ক অতিরিক্ত পুলিশ অফিসার (ক) পুলিশ প্রধান কর্তৃক অনুমোদিত ফরমে একটি ছাড়পত্র পাইবেন, (খ) একই পদের পুলিশ
অফিসারের মত সকল সুযোগ সুবিধা, কর্তব ̈ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত হইবেন এবং (গ) জিলা পুলিশ প্রধানের নিয়ন্ত্রণে থাকিবেন।
(৩) কোন ব ̈ক্তির অনুরোধে তাহার যুক্তিগ্রাহ ̈ প্রয়োজনে অতিরিক্ত পুলিশ অফিসার নিয়োগ করা যাইতে পারে এবং সেই ক্ষেত্রে এই
অধ ̈াদেশ ও উহার অধীনে প্রণীত বিধি অনুসারে এই নিয়োগের খরচ আদায়যোগ ̈ হইবে।
৭৭। শান্তি রক্ষার্থে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন-
(১) কোন ব ̈ক্তির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শান্তি শঙ্খখলা রক্ষার্থে বা এই অধ ̈াদেশের কোন বিধান কার্যকর করণে বা কোন বিশেষ
ধরণের অপরাধ সম্পর্কিত অন ̈ কোন আইনের বিধান পালনার্থে অথবা পুলিশের উপর আরোপিত অন ̈ কোন কর্তব ̈ সম্পাদনার্থে পুলিশ
কমিশনার বা রেঞ্জ পুলিশ অফিসার বা জিলা পুলিশ প্রধান পুলিশ প্রধানের অনুমোদন সাপেক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করিতে
পারিবেন।
(২) বিধি সাপেক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের খরচ আবেদনকারী বহন করিবে।
(৩) উপধারা (১) এর অধীনে নিয়োজিত অতিরিক্ত পুলিশ প্রত ̈াহারের জন ̈ এক সপ্তাহের পূূর্ব নোটিশ প্রদান করিলে আবেদনকারী
উহার খরচ বহন হইতে অব ̈হতি লাভ করিবে।
(৪) উপরোক্ত ব ̈য় পরিশোধ স¤ক্সর্কে কোন বিরোধ দেখা দিলে সংক্ষুব্ধ ব ̈ক্তির আবেদইμমে জিলা পুলিশ প্রধান বিষয়টি পুলিশ
প্রধানের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং পুলিশ প্রধানের সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত বলিয়া গন ̈ হইবে।
৭৮। আয়োজকদের খরচে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন-
(১) যখন জিলা পুলিশ প্রধানের নিকট এইরূপ প্রতীয়মান হইবে যে- (ক) কোন ̄’ানে বিশেষ বা বড় ধরণের কোন কাজ চলিতেছে বা
গণবিনোদন ব ̈ব ̄’া বা এমন কোন ঘটনা সংঘটিত হইতেছে যাহাতে অনেক লোকের সমাগমের ফলে যানবাহন বা লোক চলাচল
১৬
বিঘ্রিবত হইতে পারে, অথবা (খ) রেলপথ, খাল বা অন ̈ান ̈ সরকারী কার্যে ̈, বা নির্মাণাধীন/চালু কোন কারখানা বা বাণিজি ̈ক
প্রতিষ্ঠান স¤ক্সর্কে যুক্তিযুক্ত উৎকন্ঠা হইতে অতিরিক্ত পুলিশ কাজে লাগানো প্রয়োজন তখন তিনি যত সময়ের জন ̈ প্রয়োজন বা সমীচীন
মনে করিবেন তত সময়ের জন ̈ প্রয়োজনীয় সংখ ̈ক অতিরিক্ত পুলিশ নিয়োজিত করিতে পারিবেন।
(২) বিধি সাপেক্ষে, সরকার কর্তৃক অনুমোদিত হারে, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের খরচ আয়োজক বা অবকাঠামো বা বাণিজি ̈ক
প্রতিষ্ঠানের মালিক বা সংশিষ্ট ব ̈ক্তিবর্গ কর্তৃক বহন করা হইবে।
৭৯। আনসার, গ্রাম পুলিশ, ব ̈টালিয়ন আনসার নিয়োগ- পুলিশের সহায়তার প্রয়োজন হইলে সরকার কর্তৃক প্রয়োজন অনুসারে
আনসার, গ্রাম পুলিশ এবং ব ̈াটালিয়ন আনসার নিয়োজিত করা আইনসংগত হইবে এবং এইরূপে নিয়োজিত আনসার, গ্রাম প্রতিরক্ষা
দল এবং ব ̈াটালিয়ন আনসারগন ̄’ানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রনে থাকিবে।
৮০। গ্রাম পুলিশের উপর জিলা পুলিশ প্রধানের কর্তৃত্ব- বলবৎ অন ̈ কোন আইনে যাহাই থাকুক না কেন, এই অধ ̈াদেশ কার্যকর করার
উদ্দেশে ̈ গ্রাম পুলিশের উপর জিলা পুলিশ প্রধানের কর্তৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা আইনসংগত হইবে।
৮১। বেআইনী সমাবেশ সংμান্তে ক্ষতিপুরণ-
বেআইনী জনসমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ ̈ বা ̄Íবায়নে ক…ত কোন কর্মের ফলে যদি কোন স¤ক্সদের ক্ষতি সাধিত হয় বা কোন লোকের
মৃতু ̈ ঘটে বা কেউ মারাত্বক আঘাতপ্রাপ্ত হয় তাহা হইলে আদালত উক্ত ক্ষতি, মৃতু ̈ বা আঘাতের ক্ষতিপূরণের অংক নির্ধারণ করিতে
পারিবে যাহা বেআইনী সমাবেশে সমবেত লোকজন যথাসম্ভব সমষ্টিগতভাবে পরিশোধ করিবে। কিন্তু ইহা তাহাকে ফৌজদারী অপরাধ
হইতে দায়মুক্ত করিবে না।
৮২। পুলিশের নিকট মিথ ̈া বক্তব ̈- কোন সুবিধা আদায়ের উদ্দেশে ̈ কোন ব ̈ক্তি কোন পুলিশ অফিসারের নিকট মিথ ̈া বা মুলতঃ
বিভ্রান্তিকর বক্তব ̈ রাখিলে ঐ ব ̈ক্তি অনুর্ধ ছয় মাসের কারাদন্ড বা জরিমানা বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবেন।
নবম অধ ̈ায়
জন সমাবেশ, শোভাযাত্রা ইত ̈াদি নিয়ন্ত্রনের ক্ষমতা
৮৩। সভা সমাবেশ নিয়ন্ত্র ণ-
(ক) জিলা পুলিশ প্রধান জননিরাপত্তা সংরক্ষণের ̄^ার্থে সমগ্র জিলা বা উহার কোন অংশে সকল প্রকার সভা, শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ বা
নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন।
(খ) বিদ ̈মান অব ̄’ানুযায়ী প্রয়োজন হইলে জিলা পুলিশ প্রধান অথবা তৎকর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতাবলে পুলিশ ইন্সপেক্টরের নি¤েœ নয় এমন
একজন পুলিশ অফিসার ১৮৬০ সালের দন্ডবিধির ধারা ২৬৮ হইতে ২৯৪বি এ উল্লে খিত জন ̄^া ̄’ ̈, জননিরাপত্তা, শান্তি, শঙ্খলা,
ক্সনতিকতা, শালীনতা, সুযোগ-সুবিধা সংশিষ্ট অপরাধসমূহ প্রতিরোধকল্পে এবং জনশৃঙ্খখলা সংরক্ষণে যথোপযুক্ত আদেশ জারী করিতে
পারিবেন।
৮৪। জনগণকে নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা- বিধি সাপেক্ষে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা তৎকর্তৃক অর্পিত ক্ষমতাবলে একজন পুলিশ
অফিসার নি¤œলিখিত ক্ষেত্রে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেনঃ
(ক) রা ̄Íায় বা সড়কে শোভাযাত্রা বা জনসমাবেশে অংশগ্রহনকারী ব ̈ক্তিদের আচার ব ̈বহার ইত ̈াদি নিয়ন্ত্রণ কল্পে;
(খ) শোভাযাত্রা বা জনসমাবেশকালে, উপাসনার সময় উপাসনালয়ের আশে পাশে, রাজপথ, রেলপথ, বিনোদন কেন্দ্র, জনগনের জন ̈
উš§ুক্ত ও জনাকীর্ণ ̄’ানে প্রতিবন্ধকতা রোধকল্পে; এবং
(গ) রা ̄Íাঘাট, মসজিদ, গির্জা, মন্দির বা অন ̈ান ̈ উপসনালয় বা বিনোদন কেন্দ্র অতিরিক্ত জনাকীর্ণ হইলে তথায় শান্তি শৃ ঙ্খলা
রক্ষাকল্পে ।
৮৫। জনসমাবেশ ও শোভাযাত্রা নিয়ন্ত্র নে লাইসেন্স-
(১) জিলা পুলিশ প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স ব ̈তিরেকে কোন জনসমাবেশ বা শোভাযাত্রা করা যাইবে না।
১৭
(২) বিদ ̈মান অব ̄’া বিবেচনায় প্রয়োজনানুযায়ী জিলা পুলিশ প্রধান উপধারা (১) অনুযায়ী প্রদত্ত লাইসেন্সে সড়ক, জনপথ, রা ̄Íাঘাট ও
উম্মুক্ত জায়গায় জন সমাবেশ ও শোভাযাত্রা সংঘটনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ এবং শোভাযাত্রা কখন কোন্ রা ̄Íা দিয়া যাইবে,
তাহাও নির্দিষ্ট করিয়া দিবেন।
(৩) জন ̄^ার্থে প্রয়োজন বা সমীচীন মনে করিলে জিলা পুলিশ প্রধান সড়ক ও জনপথ, রা ̄Íাঘাট ও উম্মুক্ত জায়গায় গান বাজনা নিয়ন্ত্রন
এবং উš§ুক্ত ̄’ানে মাইক বা অন ̈ কোন শব্দযন্ত্রের ব ̈বহার নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশে ̈ প্রয়োজনীয় শর্ত সম্বলিত লাইসেন্স প্রদান করিতে
পারিবেন।
(৪) যে কোন সমাবেশে বা জনসভায় বা বিনোদন ̄’লে জনগণের প্রবেশ ও নির্গমণ জিলা পুলিশ প্রধান নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন; এবং
(৫) জেলা পুলিশ প্রধান সামাজিক শান্তি সংরক্ষণে ও বিশৃঙ্খলা, উত্তেজনা বা গোলযোগ প্রতিরোধও জনসাধারনের অধিকার সংরক্ষনের
উদ্দেশে ̈ প্রদত্ত লাইসেন্সে অন ̈ যে কোন প্রয়োজনীয় শর্ত আরোপ করিতে পারিবেন। প্রকাশ, লাইসেন্সের জন ̈ দরখা ̄Í পেশকালে অথবা
লাইসেন্স ইসু ̈ করিবার সময় কোন ফিস ধার্য ̈ বা গ্রহন করা যাইবে না।
৮৬। লাইসেন্স সংμান্ত শর্তাবলী ভঙ্গের ক্ষেত্রে পুলিশের ক্ষমতা-
(১) ধারা ৮৫ অনুযায়ী প্রদত্ত লাইসেন্সের কোন শর্ত লংঘিত হইলে জিলা পুলিশ প্রধান, অতিরিক্ত বা সহকারী পুলিশ সুপার, পুলিশ
ইন্সপেক্টর বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংশিষ্ট জনসাবেশ বা শোভাযাত্রা বন্ধ করা এবং জনতাকে ছত্রভংগ বা ঐ ̄’ান ত ̈াগ করার
আদেশ দিতে পারিবেন।
(২) কোন শোভাযাত্রা বা জনসমাবেশ উপধারা (১) মতে প্রদত্ত আদেশ অ ̄^ীকার বা লংঘন করিলে উহা কোডের সংজ্ঞানুযায়ী বেআইনী
সমাবেশ বলিয়া গণ ̈ হইবে।
৮৭। নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা-
(১) জিলা পুলিশ প্রধানের নিকট প্রয়োজনীয় প্রতীয়মান হইলে তিনি একটি নির্ধারিত সময়ের জন ̈ কোন নির্দিষ্ট শহর বা গ্রাম এলাকায়
সর্বসাধারণের জ্ঞাতার্থে নোটিশের মাধ ̈মে অথবা নির্দিষ্ট ব ̈ক্তিদেরকে নোটিশ প্রেরণের মাধ ̈মে ঐ এলাকায় অ ̄¿শ ̄¿, তরবারি, বলম,
বন্দুক, ছুরি, লাঠি বা অন ̈ যে কোন ব ̄‘. যাহা সহিংসতা সৃষ্টিতে ব ̈বহার্য ̈ এবং কোন বিস্ফোরক বা করোসিভ দ্রব ̈ পরিবহনে, পাথর বা
মিসাইল বা মিসাইল নিক্ষেপকারী কোন যন্ত্র বহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করিতে পারিবেন।
(২) উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন অ ̄¿শ ̄¿ বা সহিংসতায় ব ̈বহার্য অন ̈ কোন দ্রব ̈াদি নিয়া কোন ব ̈ক্তি উপরোক্ত এলাকায় প্রবেশ
করিলে কোন পুলিশ অফিসার ঐ ব ̈ক্তিকে গ্রেফতার এবং তাহার নিকট হইতে নিষিদ্ধ দ্রব ̈াদি জব্দ করিতে পারিবেন।
৮৮। বিনোদন ̄’লে বিশঙ্খখলা নিয়ন্ত্র ণ ক্ষমতা-
(১) জনগণের জন ̈ উম্মুক্ত কোন গণবিনোদন ̄’লে বা কোন গণ সভা সমাবেশে আগত জনগণের নিরাপত্তা বিধানে ও আইনভংগ বা
মারাত্মক বিশঙ্খখলা প্রতিরোধে তথায় উপি ̄’ত সাব-ইন্সপেক্টর বা তদুর্ধ র ̈াংকের কোন পুলিশ অফিসার, আইনসংগত বিধিবিধান
সাপেক্ষে, সভা পরিচালনা ও সভায় আগত লোকদের আগমন/নির্গমণ নিয়ন্ত্রন স¤ক্সর্কে প্রয়োজনীয় ও যুক্তিযুক্ত নির্দেশ দিতে পারিবেন
এবং সকলেই ঐ নির্দেশ মানিতে বাধ ̈ থাকিবে।
(২) উপধারা (১) এর বিধান ও তদধীনে প্রদত্ত কোন নির্দেশ কার্যকর করিবার উদ্দেশে ̈ কর্তব ̈রত প্রতে ̈ক পুলিশ অফিসার এর যে
কোন গণবিনোদন ̄’লে বা গণসমাবেশে অবাধ প্রবেশ অধিকার থাকিবে।
৮৯। রা ̄Íায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি-
একজন সাব-ইন্সপেক্টর পদের কোন পুলিশ অফিসার কোন জরুরী অব ̄’া মোকাবেলা করার উদ্দেশে ̈ যে কোন রা ̄Íাঘাট বা উম্মুক্ত ̄’ানে
জনগণ বা যানবাহন চলাচল বন্ধ করিয়া দিতে পারিবেন।
৯০। রা ̄Íায় সন্দেহজনক ব ̈ক্তি বা যানবাহন তলাশী করার ক্ষমতা-
যখন কোন পুলিশ অফিসার এইরূপ সন্দেহ করিবে যে কোন রা ̄Íায় বা গণবিনোদন ̄’লে কোন ব ̈ক্তি বা যানবাহন এমন কোন দ্রব ̈ বহন
করিতেছে যাহা বেআইনীভাবে প্রাপ্ত বা দখলক…ত অথবা যাহা কোন অপরাধ সংঘটনে ব ̈বহৃত হইতে পারে তখন তিনি ঐ ব ̈ক্তিকে বা
যানবাহনে তলাশী করিতে পারিবেন, এবং যদি ঐ ব ̈ক্তি বা ঐ যানবাহন দখলকারীর বক্তব ̈ তাহার নিকট মিথ ̈া বা সন্দেহজনক মনে
হয় তবে তিনি কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া ঐ দ্রব ̈ আটক করিয়া নির্ধারিত ফরমে একটি রশিদ ইসু ̈ করিবেন এবং ঐ ঘটনা থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তাকে জানাইবেন যিনি ঐ ব ̈ক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব ̈ব ̄’া নেওয়ার জন ̈ আদালতকে অনুরোধ করিবেন।
৯১। শাি ̄Í-
১৮
(১) যে কেহ এই অধ ̈ায়ে অধীনে প্রণীত কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ লংঘন করিবে, অমান ̈ করিবে বা উহার
বিরোধিতা করিবে বা উহার সহিত সংগতি রক্ষায় ব ̈র্থ হইবে তিনি তিন মাস মেয়াদের কারাদন্ড ও পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ডে
দন্ডিত হইবেন।
(২) যে কেহ এই অধ ̈ায়ে অধীনে প্রণীত প্রজ্ঞাপন বা আদেশ লংঘন করিবে তাঁহাকে তিন মাস হইতে দুই বছর মেয়াদের কারাদন্ড
এবং এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ডে দন্ডিত করা হইবে।
দশম অধ ̈ায়
অপরাধ ও শাি ̄Í
৯২। কেউ বিশেষ নিরাপত্তা এলাকায় কোন অ ̄¿শ ̄¿, যন্ত্রপাতি, বিষাক্ত, রাসায়নিক, জীবানু বা তেজμি…য় পদার্থের প্রবেশ, উৎপাদন,
বিμি, মজুদ বা হ ̄Íগতকরণ, বা অর্থায়ন বা যে কোন প্রকার প্রচারণা নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রিত করিতে পারিবে, যদি ইহা প্রতীয়মান হয় যে ঐ
সকল দ্রব ̈, যন্ত্রপাতি, অর্থ ইত ̈াদির ব ̈বহার ঐ এলাকার অভ ̈ন্তরীন নিরাপত্তা ও জন শৃঙ্খখলার প্রতি হুমকি ̄^রুপ তাহা হইলে তিনি ৬
মাস অনুর্ধ তিন বৎসরের কারাদন্ড বা এক লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবেন।
৯৩। পুলিশ ইউনিফরম সদৃশ পোষাক পরা নিষিদ্ধ-
(১) যদি পুলিশ প্রধান বা পুলিশ কমিশনার বা রেঞ্জ পুলিশ অফিসার বা জিলা পুলিশ প্রধানের নিকট সন্তোষ-জনকভাবে ইহা প্রতীয়মান
হয় যে কোন ব ̈ক্তি, সং ̄’া, সমিতি বা সংগঠনের কোন সদসে ̈র জনসমক্ষে পরিহিত পোষাক পুলিশ ইউনিফরম সদৃশ তবে বিশেষ
আদেশবলে তিনি উক্ত ব ̈ক্তি বা সংগঠনের সদস ̈ কর্তৃক পোষাক পরা বা প্রদর্শন করা নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন।
ব ̈াখ ̈া- জনগণের জন ̈ উম্মুক্ত কোন জায়গায় উপধারা (১) এ বর্ণিত পোষাক পরা বা প্রদর্শন করা হইলে তাহা জনসমক্ষে পরিহিত বা
প্রদর্শিত হইয়াছে বলিয়া গণ ̈ হইবে।
৯৪। পুলিশ ইউনিফরম ব ̈বহারের শাি ̄Í- পুলিশ সদস ̈ নয় এমন কোন ব ̈ক্তি যদি অনুমোদন ব ̈তীত পুলিশ ইউনিফরম বা দেখিতে
তদ্রæপ কোন পোষাক বা পুলিশ ইউনিফরমের বিশেষ চিহৃ বহনকারী কোন পোষাক বা উহার অংশ পরিধান করে তাহা হইলে তিনি ৬
মাস অনুর্ধ তিন বৎসরের কারাদন্ড বা এক লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবেন।
৯৫। রা ̄Íায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি- কোন ব ̈ক্তি কোন ব ̈ ̄‘ ও সকলের জন ̈ উম্মুক্ত সড়ক, জনপথ, রা ̄—া, বা খোলা জায়গায় নি¤œববর্ণিত
কোন একটি কার্য করিয়া যাত্রী বা আশে পাশের অধিবাসীদের কোনরূপ ক্ষয়ক্ষতি, বিপদ, বিরক্তি বা অসুবিধার উদ্রেক করিলে তিনি
অনুর্ধ পাঁচ হাজার টাকা অথবা অনুর্ধ তিন মাসের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত হইবেন এবং যে কোন পুলিশ অফিসার বিনা
ওয়ারেন্টে ঐ ব ̈ক্তিকে পুলিশ হেফাজতে নিতে পারিবেনঃ
(ক) পশু জবাই, পশুর মৃতদেহ পরি ̄‹ার, বিপজ্জনকভাবে কোন পশুর উপর সওয়ার হওয়া বা উহাকে চালানো, ঘোড়া বা অন ̈ পশুকে
প্রশিক্ষণ দেওয়া;
(খ) নিষ্ঠুরভাবে কোন পশুকে মারপিট করা, অত ̈াচার বা অপব ̈বহার করা;
(গ) মালামাল বা যাত্রী উঠানামার জন ̈ প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় কোন পশু বা যানবাহনকে রা ̄Íার উপর রাখা অথবা জনগণের
অসুবিধা বা বিপদ হয় এমনভবে কোন যানবাহন ফেলিয়া যাওয়া;
(ঘ) রা ̄Íায় বিμির পশরা সাজানো/প্রদর্শন করা;
(ঙ) রা ̄Íায় ময়লা, আবর্জনা, রাবিশ, পাথর, নির্মাণ সামগ্রী ফেলা বা জমানো, গরুর/ঘোড়ার ঘর বা দোকান তৈরী করা এবং বাড়ী,
কারখানা, গোবর ̄‘প ইত ̈াদি হইতে দুর্গন্ধযুক্ত পদার্থ রা ̄Íায় ফেলা;
(চ) মদ ̈প, মারমুখী বা বেসামাল অব ̄’ায় রা ̄Íায় উপদ্রব করা;
(ছ) অশালীন ব ̈বহার, ইচ্ছাক…ত ও অশালীনভাবে দেহ প্রদর্শন, দৃষ্টি কটু দৈহিক বৈকল ̈ ও রোগাμান্ত দেহাংশ প্রদর্শন, পায়খানা
প্রশাব করা, অনির্ধারিত পানির ট ̈াংক বা জলাধারে গোসল করা বা হাত পা ধৌত করা;
(জ) পুকুর, জলাধার, ট ̈াংক, কুপ বা অন ̈ান ̈ বিপজ্জনক ̄’ানে বেড়া বা নিরাপত্তার ব ̈ব ̄’া না দেওয়া বা অবহেলা করা;
(ঝ) অন ̈ কোনভাবে রা ̄Íাঘাটে প্রতিবন্ধকতা, বিরক্তি বা উপদ্রব সৃষ্টি করা।
৯৬। দেওয়ালে নোটিশ লাগানো- মালিক বা অব ̄’ানকারীর পূর্ব অনুমতি ব ̈তীত কেহ কোন দেওয়াল, দালান বা অন ̈ান ̈ ̄’াপনা
বিবর্ণ/বিক…ত করিবে না বা তথায় বিজ্ঞাপন, নোটিশ ইত ̈াদি লাগাইবে না বা দেওয়াল চিত্র অংকন করিবে না।
১৯
৯৭। পোষা প্রানী দ্বারা অনিষ্ট সাধন – কোন রা ̄Íা বা সড়কে বা জনসাধারণের জন ̈ উম্মুক্ত কোন ̄’ানে অনিষ্ট সাধনের উদ্দেশে ̈ নি¤œ
বর্ণিত কোনো কার্যের জন ̈ সংশিষ্ট ব ̈ক্তি ও প্রাণীকে কোন পুলিশ অফিসার বিনা ওয়ারেন্টে হেফাজতে লইতে পারিবে।
(ক) কোন পোষা পশু প্রানীকে ইচ্ছাক…তভাবে বা অবহেলা করিয়া ছাড়া অব ̄’ায় রাখা যাহা অনে ̈র জন ̈ বিপদ, অনিষ্ট, বিরক্ত ও ভীতি
সঞ্চার করিতে পারে;
(খ) মুখবদ্ধ ছাড়া হিংস্র পোষা প্রানীকে মুক্ত অব ̄’ায় রাখা; অথবা
(গ) অন ̈ প্রানী বা মানুষকে আμমন করিবার উদ্দেশে ̈ পোষা প্রানী ছাড়া/মুক্ত অব ̄’ায় রাখা।
৯৮। বিশঙ্খখল আচরণে সম্মতি প্রদান- কোন বিনোদন কেন্দ্র বা অবকাশ কেন্দ্রের মালিক বা পরিচালক জ্ঞাতসারে তথায় বিশঙ্খল
আচরণ বা জুয়া খেলা, বা অন ̈ কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত হইতে অনুমতি বা নীরব সম্মতি দিলে তিনি পঞ্চাশ হাজার টাকা
পর্যন্ত অর্থদন্ডে দন্ডিত হইবেন।
৯৯। পানির উৎস কলুষিত করা-
যদি কেউ জনগণের ব ̈বহার্য পানির কূপ, ট ̈াংক, জলাধার, পুকুর, বা নদীর কোন অংশ, ঝরনা, নালা ও পানি সরবরাহের উৎস বা
উপায় কলুষিত করে, এইরূপে যে উহা নির্ধারিত উদ্দেশে ̈ ব ̈বহারের অনুপযোগী হইয়া যায়, তবে সেই ব ̈ক্তি অনুর্ধ ছয় মাসের
কারাদন্ড বা সর্বোচ্চ ত্রিশ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় বিধ দন্ডে দন্ডিত হইবেন।
১০০। তুচ্ছ বা বিরক্তিকর নালিশের শাি ̄Í- কোন পুলিশ সদসে ̈র বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ পুলিশ কর্তৃপক্ষ বা পুলিশ অভিযোগ
কত..র্.পক্ষের তদন্তে তুচ্ছ বা বিরক্তিকর প্রতীয়মান হইলে অভিযোগকারী তিন মাসের কারাদন্ড বা বিশ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়
দন্ডে দন্ডিত হইবেন।
১০১। এই আইনে সংগঠিত অপরাধে অপরাধী কে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করা যাবে; তবে উহা অধর্তব ̈ ও জামিনযোগ ̈ অপরাধ
হিসাবে গণ ̈ হইবে ।
১০২। অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষমতা- এই অধ ̈াদেশের অধীন অপরাধ সমক্সহের বিচার কোডে বিধৃত সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে
করিবার এখতিয়ার আদালতের থাকিবে।
১০৩। এই অধ ̈াদেশের কোন বিধান লংঘন করার অপরাধে কোন ব ̈ক্তি সর্বোচ্চ দশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা অনুর্ধ ৬মাস
কারাদন্ডে দন্ডিত হইবে।

শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
Pin on Pinterest
Pinterest
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin