আজ শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৭ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
আজ শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৭ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

অমলেন্দু বিশ্বাস চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন

‘বাংলাদেশের যাত্রা শিল্প ও অমলেন্দু বিশ্বাস’ গ্রন্থের আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন যাত্রা শিল্পই হচ্ছে এদেশের নিজস্ব ঐতিহ্য। এ দেশে যাত্রা শিল্পের বিকাশ ও প্রসারে অমলেন্দু বিশ্বাস অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। এদেশের যাত্রা শিল্প সম্পর্কে বলতে গেলে তাঁকে স্মরণ করতেই হবে। কিন্তু তাঁকে নিয়ে সে রকম গবেষণা হয়নি। তারপরও তিনি অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

গ্রন্থটি রচনা করেছেন মিলন কান্তি দে। প্রকাশ করেছেন বাংলা একাডেমি। শুক্রবার বিকেলে জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার হলে বইটির পর প্রকাশনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে দেশ অপেরা।

চিত্তরঞ্জন সাহার সভাপতিত্বে প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বইয়ের লেখক মিলন কান্তি দে, নাট্যজন ম হামিদ, এস এম মোহসিন, গোলাম সরওয়ার, ড. ইউসুফ হোসেন অর্ক, ড. কামাল উদ্দিন কবির, জাহিদ রিপন, গবেষক আমিনুর রহমান সুলতান, কবি তপন বাগচি প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা নাট্যজন ম হামিদ বলেন, বিদেশে গেলে কিংবা বাইরের কেউ আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে চাইলে আমরা যাত্রা শিল্পের কথাই বলি। কিন্তু এই শিল্পের প্রসারের জন্য কিছুই করি না। জুয়া, অশ্লীলতা বন্ধ করার নামে যাত্রাকেই বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। আমাদের সংস্কৃতি বান্ধব সরকারও কিছুই করছে না। হয়তো বাধা দিচ্ছে না। কিন্তু এখনো যাত্রা করতে গেলে অনুমতি নিতে হয়। অথচ নাটক করতে গেলে অনুমোদন লাগে না।

তিনি বলেন, ৩৩ বছর হয়ে গেছে অমল বিশ্বাস নেই। এত বছর হয়ে গেছে মনেই হয় না। কারণ তার উপস্থিতি এত প্রাণময়, এতো উজ্জ্বল ছিল যে সবাই তাঁকে মনে রেখেছেন। এই বইয়ের মাধ্যমে তার উপস্থিতি চিরস্মরণীয় হলো।

মিলনকান্তি দে বলেন, অমল বিশ্বাস ১৭৫টি যাত্রাপালায় অভিনয় করেছেন। কিন্তু সে তালিকা এখন আর পাওয়া যায় না। গ্রন্থে ১০০টির মতো যাত্রাপালার নাম যুক্তি করা হয়েছে। কাজটি এখনো চলছে।

শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
Pin on Pinterest
Pinterest
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin