আজ বুধবার, ২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
আজ বুধবার, ২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ঘোষণা

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে অপারেশন থিয়েটারে ঢুকে চিকিৎসকদের মারধরের ঘটনায় নিরাপদ কর্মস্থলের দাবিতে রোববার দুপুর দুইটা থেকে সারা দেশে চিকিৎসকরা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা করেছে।  দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রশাসনিক গেটে ডা. আবদুল আহাদ এই ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, ‘ দুপুরে বাগান গেটে নিজেদের দাবি নিয়ে ব্রিফ করবেন তারা।’ এ সময় সেখানে গণজমায়েত ডাকা হয়েছে বলেও জানান এই ডাক্তার। তাদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন নার্সরাও।

এর আগে সকাল থেকে অবহেলাজনিত এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর অভিযোগে ৩ চিকিৎসকে মারধরের ঘটনায় ঢামেক হাসপাতালের চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করছেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও বহির্বিভাগসহ সব ওয়ার্ডে চিকিৎসাসেবা বন্ধ রয়েছে। এতে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা শত শত রোগী দুর্ভোগে পড়েছেন।

এদিন সকালে চিকিৎসকরা কাজে যোগ দিলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান তারা। এরপর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জরুরি বিভাগে মেডিকেল অফিসাররা তাদের কক্ষ বন্ধ করে দেন। একইসঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হয় জরুরি বিভাগের টিকিট কাউন্টার। এরপর থেকেই হাসপাতালের সামনে রোগীর ভিড় বেড়ে যায়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া জানান, আজ সকাল ৮টার পর থেকে জরুরি বিভাগসহ সব বিভাগের চিকিৎসকরা কর্মবিরতিতে সমর্থন জানিয়েছেন। এতে জরুরি বিভাগে আসা রোগীরা দুর্ভোগে পড়েছেন।

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস টেকনোলজির (বিইউবিটি) আহসানুল হক দীপ্ত নামে এক শিক্ষার্থীর অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে ঢুকে চিকিৎসকদের মারপিটের ঘটনা ঘটে। গতকাল শনিবার বিকালের দিকে ওই শিক্ষার্থীর অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে ঢুকে চিকিৎসকদের মারপিটের অভিযোগ ওঠে।

এতে নিউরো সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ইমরান, মাশরাফি ও জুবায়ের আহত হন। এই ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করলে কর্মবিরতিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন চিকিৎসকরা।

এছাড়া গতকাল রাতে খিলগাঁও সিপাহীবাগ এলাকা থেকে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহতরা ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে আসলে পরবর্তীতে অন্য গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসহ হাসপাতালে জরুরি বিভাগের ভেতরে ঢুকে যায়। এ সময় হাতেনাতে চারজনকে আটক করে সেনাবাহিনীকে দেয় কর্তৃপক্ষ। এরপর নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি তুলছেন চিকিৎসকরা।

 

শেয়ার করুন
Share on Facebook
Facebook
Pin on Pinterest
Pinterest
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin