আজ শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২ মাঘ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২ হিজরি
আজ শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২ মাঘ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২ হিজরি

৫জি’র আওতায় ১০০ কোটির বেশি মানুষ

২০২৬ সালে প্রতি ১০টি মোবাইল সংযোগের চারটি হবে ৫জি সমর্থিত। আর চলতি বছর শেষে ১০০ কোটির বেশি মানুষ, অর্থাৎ পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ১৫ শতাংশের বেশি ৫জি কভারেজের আওতায় থাকবে এবং ৫জি সংযোগ হবে প্রায় ২২ কোটি। এরিকসন মোবিলিটি রিপোর্টের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এমন অনুমান করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়, ২০২৬ সালে বিশ্বের ৬০ শতাংশ জনগণ ৫জি কভারেজের আওতাভুক্ত হবে এবং ৫জি সংযোগ ৩৫০ কোটিতে পৌঁছে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২৬ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ওশেনিয়াতে এলটিই’র পরে ৫জি দ্বিতীয় সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রযুক্তি হবে বলে অনুমান করা হয়েছে।

চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং থাইল্যান্ডে লাইভ নেটওয়ার্কসহ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ওশেনিয়াতে বাণিজ্যিকভাবে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে ৫জি চালু হতে দেখা গেছে। ২০২১ সালে তরঙ্গ নিলাম পরিকল্পনায় বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম এবং মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোতে পরের বছরে ৫জি নেটওয়ার্ক চালুর বিষয় বিবেচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এরিকসন বাংলাদেশের প্রধান আবদুস সালাম বলেন, ‘৫জি বিভিন্ন বাজারে চালু হচ্ছে এবং বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে ৪জি (এলটিই) নেটওয়ার্ক বিস্তারের গতি এখনো অব্যাহত রয়েছে। ২০২০ -এর শেষে বিশ্বের ৮০ শতাংশেরও বেশি মানুষ ৪জি কভারেজের আওতাভুক্ত হবে এবং ২০২৬ সালে এই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৯৫ শতাংশে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে। বর্ধিত ধারণক্ষমতা এবং দ্রুত গতির ডেটা সরবরাহ করতে ৪জি নেটওয়ার্কের উন্নয়ন হচ্ছে। বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে ৫জি প্রবর্তন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগকে আরও বেগবান করবে এবং যোগাযোগ সেবা প্রদানকারীদের ও বাংলাদেশের আইসিটি ইন্ডাস্ট্রির ব্যাপক উন্নতি সাধন করবে।’

এরিকসন মোবিলিটি প্রতিবেদনে আলোকপাত করা হয়েছে, ৫জি’র সাফল্য কেবল নেটওয়ার্ক এবং সংযোগের পরিমাণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং নতুন নতুন ব্যবহার যুক্ত হবে। আইওটি এবং ক্লাউড গেমিং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে।

এরিকসন কনজ্যুমার ল্যাব -এর নতুন ৫জি কনজ্যুমার পোটেনশিয়াল প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ২০৩০ সালের মধ্যে ৫জি কনজ্যুমার মার্কেটের মূল্য ৩১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে, যার মধ্যে যোগাযোগ সেবাদানকারীরা (সিএসপি) আয় করবে মোট ৩.৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। ডিজিটাল সেবায় নতুন সুযোগ বৃদ্ধির সঙ্গে এই আয়ের পরিমাণ আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

এই রিপোর্টে ধারণা করা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ওশেনিয়াতে ২০৩০ সালের মধ্যে ৫জি সক্রিয় গ্রাহক রাজস্ব খাতে সিএসপিরা ২৯৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার উপার্জন করতে পারবে। ৫জি ব্রডব্যান্ড সার্ভিস মার্কেট ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ২২৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যাবে। আরও ধারণা করা হচ্ছে যে, সামগ্রিক সেবা প্রদানকারীদের মধ্যে ৫জি ডিজিটাল সেবার ৭৯ শতাংশের রাজস্ব ২০৩০ সালের মধ্যে হবে ৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ৫জি ডিজিটাল সেবার মধ্যে ভিডিও, মিউজিক, গেমিং, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এবং কনজ্যুমার আইওটি সেবা অন্তর্ভুক্ত।

শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Print this page
Print