আজ রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরি
আজ রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরি

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে কে কোন দলে?

নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে শুরু হতে যাওয়া বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের প্লেয়ার্স ড্রাফট শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার পর পাঁচ দলের প্লেয়ার্স ড্রাফট অনুষ্ঠিত হয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সরাসরি এই অনুষ্ঠান প্রচার করেছে রাইজিংবিডি…

বেক্সিমকো ঢাকা: মুশফিকুর রহিম, রুবেল হোসেন, তানজিদ হাসান তামিম, নাসুম আহমেদ, নাঈম শেখ, নাঈম হাসান, শাহাদাত হোসেন দিপু, আকবর আলী, ইয়াসির আলী রাব্বি, সাব্বির রহমান, মেহেদী হাসান রানা, মুক্তার আলী, শফিকুল ইসলাম, আবু হায়দার রনি, পিনাক ঘোষ ও রবিউল ইসলাম রবি।

জেমকন খুলনা: সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, ইমরুল কায়েস, হাসান মাহমুদ, আল আমিন হোসেন, এনামুল হক বিজয়, শামীম হোসেন, আরিফুল হক, শফিউল ইসলাম, শুভাগত হোম চৌধুরী, শহিদুল ইসলাম, রিশাদ হোসেন, নাজমুল ইসলাম অপু, জাকির হাসান, সালমান হোসেন ও জহুরুল ইসলাম।

ফরচুন বরিশাল: তামিম ইকবাল, তাসকিন আহমেদ, ইরফান শুক্কুর, আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, আবু জায়েদ রাহী, তৌহিদ হৃদয়, তানভীর ইসলাম, সুমন খান, সাইফ হাসান, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, মাহিদুল অঙ্কন, পারভেজ হোসেন ইমন, কামরুল ইসলাম রাব্বি, আবু সায়েম ও সোহরাওয়ার্দী শুভ।

গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম: মোস্তাফিজুর রহমান, লিটন দাস, মোহাম্মদ মিঠুন, সৌম্য সরকার, মোসাদ্দেক হোসেন, শরিফুল ইসলাম, জিয়াউর রহমান, তাইজুল ইসলাম, শামসুর রহমান, নাহিদুল ইসলাম, সৈকত আলী, মুমিনুল হক, রাকিবুল হাসান, সঞ্জিত সাহা, মাহমুদুল হাসান জয় ও মেহেদী হাসান।

মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী: সাইফউদ্দিন, শেখ মেহেদী হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, নুরুল হাসান সোহান, ফরহাদ রেজা, মোহাম্মদ আশরাফুল, আরাফাত সানি, এবাদত হোসেন, ফজলে মাহমুদ রাব্বি, রনি তালুকদার, আনিসুল ইমন, রেজাউর রহমান, জাকির আলী অনিক, রাকিবুল হাসান সিনিয়র, মুকিদুল ইসলাম ও সানজামুল ইসলাম।

যুব বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেটাররা কে কোন দলে?

বেক্সিমকো ঢাকা: তানজিদ হাসান তামিম, শাহাদাত হোসেন দিপু, আকবর আলী; জেমকন খুলনা: শামীম হোসেন; ফরচুন বরিশাল: তৌহিদ হৃদয়, পারভেজ হোসেন ইমন; গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম: শরিফুল ইসলাম, রাকিবুল হাসান, মাহমুদুল হাসান জয়; মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী: কোনও যুব বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেটার নেই।

ষোড়শ রাউন্ড

ড্রাফটের শেষ রাউন্ডে ভাগ্য খুলেছে ছয় ক্রিকেটারের। চট্টগ্রাম ডেড়ায় গিয়েছে মেহেদী হাসান। বরিশাল দলে নিয়েছে সোহরাওয়ার্দী শুভকে। ঢাকার তাঁবুকে রবিউল ইসলাম রবি। খুলনা নিয়েছে জহুরুল ইসলামকে। দিনের শেষ ডাকে দল পান সানজামুল ইসলাম।

পঞ্চদশ রাউন্ড

এ রাউন্ডে চট্টগ্রাম বেছে নেয় মাহমুদুল হাসান জয়কে। বরিশাল দলভুক্ত করে আবু সায়েমকে। ঢাকার পছন্দ পিনাস ঘোষ। খুলনা দলে নেয় সালমান হোসেনকে। রাজশাহী আস্থা রাখছে মাকিদুল ইসলাম মুদ্ধর উপর।

চর্তুদশ রাউন্ড

টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপুকে এ রাউন্ডে দলে নিয়েছে খুলনা। রাজশাহী দলে নিয়েছে রাকিবুল হাসানকে। ঢাকার পছন্দ আবু হায়দার রনি। বিভাগীয় দলে খেলার সুযোগ পেয়েছেন বরিশালের কামরুল ইসলাম রাব্বী। এছাড়া সঞ্জীত সাহা খেলবে চট্টগ্রামে।

ত্রয়োদশ রাউন্ড

এ রাউন্ডে উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান জাকের আলী অনিককে দেল নিয়েছে রাজশাহী। পেসার শফিকুল ইসলামকে নিয়েছে ঢাকা। পারভেজ হোসেন ইমনের ঠিকানা বরিশাল। যুব বিশ্বকাপজয়ী স্পিনার রাকিবুল হাসানকে নিয়েছে চট্টগ্রাম। খুলনার পছন্দ জাকির হাসান।

দ্বাদশ রাউন্ড

টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হককে দল পেতে অপেক্ষা করতে হয় দ্বাদশ রাউন্ড পর্যন্ত। নিজের বিভাগীয় শহর চট্টগ্রামেই তার ঠিকানা। এইচপির লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন রয়েছেন খুলনায়। পেসার রেজাউর রহমানকে নিয়েছে রাজশাহী। এছাড়া দুই পেসার মাকিদুল ইসলাম অঙ্কন ও মুক্তার আলীকে নিয়েছে বরিশাল ও ঢাকা।

একাদশ রাউন্ড

এ রাউন্ডে দল পেয়েছেন শেষ বিপিএল চমক দেখানো মেহেদী হাসান রানা। তাকে দলে নিয়েছে ঢাকা। লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লবকে এ রাউন্ডে দলে টেনেছে বরিশাল। এছাড়া পেসার শহীদুল ইসলামকে খুলনা, আনিসুল ইমনকে রাজশাহী এবং সৈকত আলীকে দলভুক্ত করেছে চট্টগ্রাম।

দশম রাউন্ড

দশম রাউন্ডে এসে দল পেলেন সাব্বির রহমান। রাজশাহীর হার্ডহিটারকে দলে নিয়েছে ঢাকা। ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত ভালো করা রনি তালুকদারকে নিয়েছে রাজশাহী। এছাড়া শুভাগত হোসের ওপর আস্থা রেখেছে খুলনা। জাতীয় দলের হয়ে দুই টেস্ট খেলা সাইফ হাসানকে নিয়েছে বরিশাল। স্পিন অলরাউন্ডার নাহিদুল ইসলামকে নিয়েছে চট্টগ্রাম।

নবম রাউন্ড

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের ফাইনালে ৫ উইকেট পাওয়া সুমন খানকে এ রাউন্ডে দলে নেয় বরিশাল। জাতীয় দলের পেসার শফিউলকে দলে ভেড়ায় খুলনা। ঢাকার পছন্দ ইয়াসির আলী রাব্বী। শামসুর রহমানের ঠিকানা চট্টগ্রাম। নিজ বিভাগী দল রাজশাহীতে জায়গা হয়েছে ফজলে মাহমুদের।

অষ্টম রাউন্ড

যুব বিশ্বকাপজয়ী আকবর আলীকে এ রাউন্ডে দলে নিয়েছে ঢাকা। খুলনা এবারের রাউন্ডে দলে নেয় হার্ড হিটার আরিফুল হককে। জাতীয় দলের টেস্ট দলের নিয়মিত পেসার ইবাদত হোসেনের ঠিকানা রাজশাহী। স্পিনার তাইজুলকে দলে টেনেছে চট্টগ্রাম। আরেক বাঁহাতি স্পিনার তানবীর ইসলামকে নিয়েছে বরিশাল।

সপ্তম রাউন্ড

বিশ্বকাপজয়ী একাধিক ক্রিকেটারের সুযোগ হয়েছে এ রাউন্ডে। ব্যাটসম্যান শাহাদাত হোসেন দিপুকে দলে নিয়েছে ঢাকা। স্পিন অলরাউন্ডার শামীম পাটোয়ারিকে নিয়েছে খুলনা। দল পেয়েছেন তৌহিদ হৃদয়ও। তাকে নিয়েছে বরিশাল। এছাড়া আরাফাত সানীকে রাজশাহী এবং জিয়াউর রহমানকে দলে টেনেছে চট্টগ্রাম।

ষষ্ঠ রাউন্ড

এ রাউন্ডে দলে পান জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল। তাকে দলে টানে রাজশাহী। খুলনা দলে টানে ওপেনার এনামুল হক বিজয়কেও। এছাড়া নাঈম হাসানকে নেয় ঢাকা। দুই পেসার শরীফুল ইসলাম ও আবু জায়েদ রাহীকে দলে নেয় চট্টগ্রাম ও বরিশাল।

পঞ্চম রাউন্ড

ঢাকা এ রাউন্ডে দলে নেয় নাঈম শেখকে। খুলনার পছন্দ পেসার আল-আমিন। পেস অলরাউন্ডার ফরহাদ রেজাকে দলে ভেড়ায় রাজশাহী। এছাড়া মোসাদ্দেককে চট্টগ্রাম, মিরাজকে দলে টানে বরিশাল।

চতুর্থ রাউন্ড

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে দ্যুতি ছড়ানো ইরফান শুক্কুর চতুর্থ রাউন্ডে দলভুক্ত হন। তাকে দলে নিয়েছে বরিশাল। জাতীয় দলের ওপেনার সৌম্য সরকারকে এ রাউন্ডে দলে নেয় চট্টগ্রাম। এছাড়া কাজী নুরুল হাসান সোহানকে রাজশাহী, পেসার হাসান মাহমুদকে খুলনা ও স্পিনার নাসুম আহমেদকে দলে নেয় ঢাকা।

তৃতীয় রাউন্ড

এ রাউন্ডে দল পেয়েছেন যুব বিশ্বকাপজয়ী ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ঢাকার জার্সিতে দেখা যাবে বাঁহাতি ওপেনারকে। এছাড়া ইমরুল খেলবেন খুলনায়, নাজমুল হোসেন শান্ত বিভাগীয় দল রাজশাহী, মোহাম্মদ মিথুন চট্টগ্রাম এবং তাসকিন আহমেদ বরিশালে।

দ্বিতীয় রাউন্ড

প্রথম রাউন্ডে মাহমুদউল্লাহকে নেয়নি কোনো দল। দ্বিতীয় রাউন্ডে এ গ্রেডের ক্রিকেটারকে দলে ভেড়ায় খুলনা। এর আগে তারা দলে নেয় সাকিব আল হাসানকে। এছাড়া লিটন দাসকে নেয় চট্টগ্রাম। আফিফ হোসেনকে বরিশাল, শেখ মেহেদী হাসানকে রাজশাহী এবং রুবেল হোসেনকে নেয় ঢাকা।

প্রথম রাউন্ড

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের প্লেয়ার্স ড্রাফটে প্রথম ডাকার সুযোগ পেয়ে বেক্সিমকো ঢাকা ডেকেছে মুশফিকুর রহিমকে। জেমকন খুলনা ডেকেছে সাকিব আল হাসানকে। এরপর ফরচুন বরিশাল ডেকেছে তামিম ইকবালকে। চার ও পাঁচে খেলোয়াড় ডাক দেওয়ার সুযোগ পেয়ে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম ও মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী নেয় মোস্তাফিজুর রহমান ও মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনকে।

সাকিবের ঠিকানা খুলনা

নিষেধাজ্ঞা শেষে ক্রিকেটে ফেরার অপেক্ষায় থাকা সাকিব আল হাসানের প্রতি বাড়তি আগ্রহ ছিল। এক বছর পর সাকিব ফিরছেন ক্রিকেটে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দিয়ে মাঠে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু শ্রীলঙ্কা সফর স্থগিত হওয়ায় সাকিবের ২২ গজে ফেরা বিলম্ব হয়। বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ দিয়ে ফিরবেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। তাইতো তার প্রতি ছিল বাড়তি আগ্রহ।

কিন্তু লটারিতে প্রথম ডাকের সুযোগ পেয়েও বাঁহাতি অলরাউন্ডারকে নেয়নি বেক্সিমকো ঢাকা। তাদের পছন্দ ছিল মুশফিকুর রহিম। দ্বিতীয় ডাকে জেমকন খুলনা দলে নেয় সাকিবকে।

চলছে প্লেয়ার্স ড্রাফট

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের প্লেয়ার্স ড্রাফট চলছে হোটেল লা মেরিডিয়ানে। দুপুর সাড়ে ১২টার পর শুরু হয়েছে প্লেয়ার্স ড্রাফট। সব মিলিয়ে ১৫৭ ক্রিকেটারকে ড্রাফটে তোলা হয়েছে। পাঁচ দল সর্বোচ্চ ১৬ জন করে খেলোয়াড় নিতে পারবে। তাতে করোনা মহামারির পর মাঠে ফেরা এই ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় খেলতে পারবেন ৮০ ক্রিকেটার।

ক্যাটাগরি চারটি

দেড়শতাধিক ক্রিকেটারের জন্য রয়েছে চারটি ক্যাটাগরি। ‘এ’ গ্রেডে আছেন পাঁচ ক্রিকেটার। সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, তামিম ইকবাল ও মোস্তাফিজুর রহমান রয়েছে এই গ্রেডে। তাদের পারিশ্রমিক ১৫ লাখ টাকা।

২১ ক্রিকেটার আছেন ‘বি’ গ্রেডে। ১০ লাখ টাকা পারিশ্রমিক ধরা হয়েছে তাদের।

‘সি’ গ্রেডে আছেন ২৩ ক্রিকেটার, পারিশ্রমিক ৬ লাখ। ‘ডি’ গ্রেডে থাকা ১০৮ ক্রিকেটারের পারিশ্রমিক ৪ লাখ টাকা করে।

পাঁচ বিভাগের নামে পাঁচ দল

পাঁচ দলের টি-টোয়েন্টির জন্য চাওয়া হয়েছিল স্পন্সর। বিসিবির ডাকে সাড়া দিয়েছে পাঁচটি গ্রুপ। পাঁচটি বিভাগের নামে দলগুলোর নামকরণ করা হয়েছে- ফরচুন বরিশাল, বেক্সিমকো ঢাকা, মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী, জেমকন খুলনা ও গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম।

ফিরছে ঘরোয়া ক্রিকেট

করোনা প্রার্দুভাবে গত মার্চে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয় ঘরোয়া ক্রিকেট। আট মাস পর ফিরছে ঘরোয়া ক্রিকেট। জৈব সুরক্ষা বলয়ে থেকে ক্রিকেটারদের মাঠে ফেরানোর সিদ্ধান্ত

শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Print this page
Print