আজ রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরি
আজ রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরি

বিএনপি দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে গিয়েছিল: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে গিয়েছিল। আর এখন যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তখনও অব্যাহতভাবে গত ১২ বছর ধরে দেশকে অন্ধকারের দিকেই নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে তারা।

মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে সরকারি বাসভবনে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও প্রদর্শক সমিতির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু, সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম এবং চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা সুদীপ্ত কুমার দাস ও আইন সম্পাদক আর এম ইউনুস রুবেল এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

‘আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছে এবং নির্বাচন কমিশনকে দলীয়করণ করেছে’—বিএনপির এই অভিযোগের জবাবে ড. হাছান বলেন, ‘বিএনপি শুধু গৎবাঁধা অভিযোগ করেই যায়। বিএনপির সব বক্তৃতা-বিবৃতি, আন্দোলন-সংগ্রাম সবই নির্বাচন কমিশন আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারকেন্দ্রিক, যা প্রমাণ করে তারা শুধু ক্ষমতা চায়, জনগণের কথা ভাবে না।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির জন্মই হয়েছে অগণতান্ত্রিকভাবে সেনা ছাউনির মধ্যে, সেনাবাহিনীর শত শত অফিসার এবং জওয়ানের লাশের ওপর দাঁড়িয়ে। তাদের আমলে দেশ দুর্নীতিতে পর পর পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। হাওয়া ভবনে সমান্তরাল সরকার পরিচালনা, আর খোয়াব ভবনে ছিল আমোদ-ফুর্তি। তখন বাংলাভাই, শায়েখ আব্দুর রহমানসহ জঙ্গিদের উত্থান ঘটেছিল। দেশে আদালতে বোমা, রাজপথে বোমা, ৬৩টি জেলায় পাঁচশ’র বেশির স্থানে একযোগে বোমা ফেটেছিল।’

আওয়ামী লীগের অন্যতম এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি গণতন্ত্র ধ্বংস করার জন্য শুধু নির্বাচন বর্জনই নয়, নির্বাচন বানচালের জন্য পেট্রোলবোমা মেরে শত শত মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে এবং নির্বাচনি কর্মকর্তাকে বোমা মেরে ও পুড়িয়ে হত্যা করেছে। সে কারণে কানাডার আদালতের রায়ের মধ্যে বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী দল বলা হয়েছে। সুতরাং আন্তর্জাতিকভাবে আদালতে সন্ত্রাসী দল হিসেবে স্বীকৃত বিএনপি’র মুখে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না।’

শহীদ নূর হোসেন স্মরণে ড. হাছান বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে এক জীবন্ত পোস্টার হিসেবে সবসময় নূর হোসেনের নাম রক্তাক্ষরে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকবে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তার অবদান চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Print this page
Print