আজ বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১১ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরি
আজ বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১১ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরি

ফাইজারের ভ্যাকসিন ৯৫ শতাংশ কার্যকর, শিগগিরই অনুমোদনের আবেদন

করোনার একটি সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ফাইজার ও জার্মানির বায়োএনটেক। সম্প্রতি তৃতীয় ধাপের পরীক্ষার প্রাথমিক ফলাফলের বরাতে ৯০ শতাংশ কার্যকর বলে জানানো হলেও বিস্তারিত ফলে দেখা যাচ্ছে ওই ভ্যাকসিন ৬৫ বছরের বেশি বয়স্কদের ক্ষেত্রে ৯৫ শতাংশ কার্যকর।

বার্তা সংস্থা এপি ও রয়টার্স এবং কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে ফাইজারের ভ্যাকসিনটি ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে কার্যকরের কথা জানানো হলেও বিবিসির প্রতিবেদনে অবশ্য ৯৪ শতাংশ কার্যকরের কথা জানানো হয়েছে।

আজ কোম্পানি দুটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভ্যাকসিনের তৃতীয় ধাপের পরীক্ষার আরও বিস্তারিত ফলাফল আসতে শুরু করেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, এই ভ্যাকসিন সব বয়স, বর্ণ ও নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে সমানভাবে কাজ করে।

যুক্তরাষ্ট্রে ভ্যাকসিনটির জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পেতে শিগগিরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) কাছে আবেদন করা হবে বলেও জানিয়েছে এর উদ্ভাবক দুই কোম্পানি।

বিশ্বজুড়ে ৪১ হাজারের বেশি মানুষের দেহে দুটি ডোজ পুশ করার পর প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে ভ্যাকসিনটির এমন কার্যকারিতার কথা জানালো ফাইজার ও বায়োএনটেক। এর আগে প্রাথমিক ফলাফলে ৯০ শতাংশ কার্যকর হিসেবে প্রমাণ পাওয়ার ঘোষণার দিন কোম্পানি এর কোনো পার্শ্বিপ্রতিক্রিয়া নেই বলে জানিয়েছিল।

করোনার ভ্যাকসিন তৈরির দৌড়ে এগিয়ে থাকা আরেক মার্কিন কোম্পানি তাদের তৈরি ভ্যাকসিন ৯৫ শতাংশ কার্যকর বলে প্রমাণ পাওয়ার ঘোষণা দেয়ার কয়েক দিনের মাথায় এ ঘোষণা এলো। বিশ্বজুড়ে করোনার যেসব ভ্যাকসিন গবেষণার তৃতীয় ধাপে রয়েছে এর মধ্যে দুটি ভ্যাকসিনের কার্যকারিতার কথা জানা গেল।

জরুরি অনুমোদন পাওয়া মার্কিন স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রথমে ভ্যাকসিনটি পাবেন। এর অন্তত এক মাস পর জাতীয় পর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হতে পারে। দুটি ভ্যাকসিনই তৈরি করা হয়েছে ম্যাসেঞ্জার আরএনএ নামক একটি নতুন জৈব-প্রযুক্তির মাধ্যমে।

ফাইজারের প্রধান নির্বাহী আলবার্ট বোরলা এক বিবৃতিতে বলেন, নতুন এই ফলাফল ভ্যাকসিন তৈরির প্রক্রিয়ায় তাদের আট মাসের যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তারা এমন এক ভ্যাকসিন তৈরির প্রক্রিয়ায় আছেন, যা ভয়াবহ এক মহামারি ঠেকাতে কার্যকর হবে।

শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Print this page
Print