আজ শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২ মাঘ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২ হিজরি
আজ শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২ মাঘ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২ হিজরি

বাজেটে দেওয়া সুযোগে কালো টাকা সাদা হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে দেওয়া সুযোগ নিয়ে অনেকেই কালো টাকা সাদা করেছে। বিশেষ করে দেশের আবাসন খাতেই এর বেশির ভাগ টাকা বিনিয়োগ হয়েছে।

বুধবার (৬ জানুয়ারি) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল সভা শেষে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।

চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নিয়েছেন ৭ হাজার ৬৫০ করদাতা। এই সুযোগ নিয়ে তারা প্রায় ১০ হাজার ২২০ কোটি কালো টাকা সাদা করেছেন। আর এতে সরকার কর পেয়েছে ৯৬২ কোটি টাকা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘রাজস্ব আদায়ে আবাসন খাত একটি বড় খাত। এই আবাসন খাতে স্ট্যাম্প ফি ও ডিউটি বাড়তি থাকার কারণে কোনো রেজিস্ট্রেশন হয় না। ফলে সরকার কোনো রাজস্ব পাচ্ছে না। বাড়ি বিক্রি হচ্ছে অথচ বিক্রি দেখাচ্ছে না। আর বিক্রি যেখানে ১০ টাকা সেটা দেখাচ্ছে এক টাকা। ১০ টাকার ওপরে গেলে স্ট্যাম্প ডিউটি দিতে লাগে সেজন্য স্ট্যাম্প ডিউটি কমিয়ে দিয়েছি।’

মুস্তফা কামাল বলেন, ‘টাকা অনেক সময় পলিসিগত কারণে কালো হয়। অনেকেই ট্যাক্স দেন আবার অনেকেই দেন না। আবার ট্যাক্স রেট অনেক বেশি ছিলো। আস্তে আস্তে যদি এগুলো কমিয়ে আনতে না পারি তাহলে হবে না। আমাদের সুদের হার অনেক বেশি ছিল। এতো বেশি সুদ হারে কোনো দেশে শিল্পায়ন হয় না। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় না। এখন যে ৬ শতাংশে ঋণ পাচ্ছে যা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি। বিদেশে টাকা রাখলে উল্টো টাকা দিতে হয়। সেখানে লাভ পায় না যদিও পায় সেটা এক থেকে দেড় শতাংশ। সেখানে আমাদের দেশে ৬ শতাংশ পাচ্ছে। এটা হলো আমাদের ইতিবাচক দিক। এটা আমাদের দেখতে হবে।’

আমদানি কমে গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যদি আমদানি বেশি থাকতো, তাহলে আমাদের ডিউটি বাড়তো। আমাদের আয়করের রেশিও ভালো আছে। তুলনামূলক আমরা অনেক দেশের থেকে ভালো আছি।’

পুঁজিবাজার নিয়ে তিনি বলেন, ‘পুঁজিবাজারে যদি বিদেশি বিনিয়োগ থাকতো তাহলে তারা যেকোনো মুহূর্তে পুঁজি তুলে নিতে পারতো। যেটা আমরা ১৯৯৭ সালে দেখছি। সাউথ এশিয়ার সঙ্গে যেটা হলো। সে সময় বিদেশিদের টাকা তারা তুলে নিয়ে যাওয়ায় অর্থনীতি বসে গেছে। আমাদের এ ধরনের চিন্তার কোনো কারণ নেই।’

শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Print this page
Print