আজ বুধবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ মাঘ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২ হিজরি
আজ বুধবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ মাঘ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২ হিজরি

ভারত থেকে ১৫ হাজার মেট্রিকটন চাল আসবে হিলি বন্দরে

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে ১৫ হাজার মেট্রিকটন চাল আমদানি করা হবে ভারত থেকে।

চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছেন বন্দরের রেণু কনস্ট্রাকশন আমদানিকারকটি। তবে সংকীর্ণ সড়ক এবং সরকারের বেঁধে দেওয়া স্বল্প সময়ের মধ্যে চাল আমদানি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন রেণু কনস্ট্রাকশন।

বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ হারুন বিষয়টি জানিয়েছেন।

রেণু কনস্ট্রাকশনের প্রতিনিধি আনিসুর রহমান জানান, গত বোরো আর আমন ধানের মৌসুম পেরিয়ে গেলেও বাজারে কমেনি চালের দাম। বরং চালের দাম অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান প্রতিটি চালের দাম কেজিতে ৮ থেকে ১০ বেশি। ধানের দাম বেশি থাকায় চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে, দেশের বাজারে চালের দাম স্বাভাবিক রাখতে ভারত থেকে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ সরকার। ১ লাখ ৫ হাজার মেট্রিকটন চালের ১০ জন এলসি পেয়েছেন দেশের বিভিন্ন বন্দরের আমদানিকারকরা। এর মধ্যে হিলি স্থলবন্দরে ১৫ হাজার মেট্রিকটন চালের এলসি পেয়েছেন রেণু কনস্ট্রাকশন। আবার অনেক আমদানি কারকরাও চালের এলসির জন্য চেষ্টা করছেন।

সভাপতি হারুন উর রশিদ হারুন  জানান, হিলির রেণু কনস্ট্রাকশন আমদানি কারকটি ভারত থেকে চাল আমদানির এলসি পেয়েছেন। এরই মধ্যে চাল আমদানির সকল প্রকার প্রস্তুতি নিয়েছেন আমদানি কারকটি।

হারুন উর রশিদ হারুন বলেন, ‘চালের বাজার স্বাভাবিক রাখতে আমিসহ আরও আমদানিকারকারা এলসির জন্য আবেদন করেছি। আশা করছি এলসি পেয়ে যাবো। বর্তমান চালের অস্থির বাজারকে স্থির করতে বিভিন্ন দেশ থেকে চালের আমদানি প্রয়োজন আছে। এলসি করা চালগুলো দেশে প্রবেশ করলে, চালের দাম অনেকটাই কমে আসবে, আশা করছি। তবে আমাদের ভারত থেকে হিলি স্থলবন্দরের রাস্তা সংকীর্ণ হওয়ায় প্রতিনিয়ত যানজটে পড়তে হয়। আর যার কারণে আমদানি কারকদের চরম বিপাকে পড়ে। আবার সরকারের বেঁধে দেওয়া স্বল্প সময়ের মধ্যে চাল আমদানি নিয়ে শংকায় আছে চাল আমদানিকারকরা।’

শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Print this page
Print