আজ শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১ মাঘ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২ জমাদিউস সানি ১৪৪২ হিজরি
আজ শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১ মাঘ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২ জমাদিউস সানি ১৪৪২ হিজরি

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা: দিহানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

রাজধানীর কলাবাগান থানা এলাকায় ‘ও’লেভেল পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে (১৭) ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় একমাত্র আসামি ইফতেখার ফারদিন দিহান (১৮) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিচ্ছে।

শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কলাবাগান থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আসামিকে আদালতে হাজির করেন।

আসামি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ তার জবানবন্দি রেকর্ড করছেন।

কলাবাগান থানার আদালতে (নারী ও শিশু) সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা স্বপন এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার মাস্টারমাইন্ড স্কুলের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ ওঠে। সন্ধ্যায় ধর্ষণের শিকার ওই শিক্ষার্থীকে গুরুতর অবস্থায় আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এঘটনায় দিহানকে (১৮) একমাত্র আসামি করে মেয়েটির বাবা ধর্ষণ ও হত্যার মামলা করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা মা কর্মস্থলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়ে যান। এর এক ঘণ্টা পরে তার বাবাও ব্যবসায়িক কাজে বাসা থেকে বের হয়ে যান। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ওই শিক্ষার্থী তার মাকে ফোন করে কোচিং থেকে পড়ালেখার পেপার্স আনার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। এই মামলার একমাত্র আসামি ‘ও’ লেভেল পড়ুয়া শিক্ষার্থী দুপুর আনুমানিক ১টা ১৮ মিনিটে ফোন করে ওই শিক্ষার্থীর মাকে জানান, মেয়েটি তার বাসায় গিয়েছিলেন। হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়ায় তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়েছে।

অফিস থেকে বের হয়ে আনুমানিক দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা হাসপাতালে পৌঁছেন। হাসপাতালের কর্মচারীদের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, আসামি তার কলাবাগান ডলফিন গলির বাসায় ডেকে নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে অচেতন হয়ে পড়লে বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য আসামি নিজেই তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নিয়ে যান। খবর পেয়ে কলাবাগান থানা পুলিশের একটি দল হাসপাতালে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিক‌্যাল কলেজ মর্গে পাঠায় বলে উল্লেখ করা হয় এজাহারে।

শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Print this page
Print