আজ শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১ মাঘ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২ জমাদিউস সানি ১৪৪২ হিজরি
আজ শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১ মাঘ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২ জমাদিউস সানি ১৪৪২ হিজরি

এরফান সেলিমকে অব্যাহতির সুপারিশ করে প্রতিবেদন

হাজী সেলিমের ছেলে এরফান সেলিমকে চকবাজার থানায় দায়ের করা অস্ত্র ও মাদক মামলায় অব্যাহতির সুপারিশ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ। তার দেহরক্ষী জাহিদুল মোল্লাকে অভিযুক্ত করে দুই মামলায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৪ জানুয়ারি) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চকবাজার থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘এরফান সেলিমের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ না পাওয়ায় তাকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে। তার দেহরক্ষী জাহিদুলের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।’

তবে এখনও আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখায় তা জমা পড়েনি বলে সংশ্লিষ্ট জিআর থেকে জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, গত ২৫ অক্টোবর নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমদ খান মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন। এ সময় এমপি হাজী সেলিমের ছেলে ওয়ার্ড কাউন্সিলর এরফান সেলিমের গাড়িটি তাকে ধাক্কা মারে। এরপর তিনি সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামিয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়ান এবং নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে এরফানের সঙ্গে থাকা অন্যরা একসঙ্গে তাকে কিল-ঘুষি মারেন এবং মেরে ফেলার হুমকি দেন। তার স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।

এ ঘটনায় ২৬ অক্টোবর সকালে ইরফান সেলিম, তার বডিগার্ড মো. জাহিদুল মোল্লা, এ বি সিদ্দিক দিপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে ওয়াসিফ আহমদ খান বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন।

ওই দিনই পুরান ঢাকার বড় কাটরায় ইরফানের বাবা হাজী সেলিমের বাড়িতে দিনভর অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদক রাখার দায়ে এরফান সেলিমকে এক বছর কারাদণ্ড দেন। এরফানের দেহরক্ষী মো. জাহিদকে ওয়াকিটকি বহন করার দায়ে ছয় মাসের সাজা দেন।

এরপর ২৮ অক্টোবর র‌্যাব-৩ এর ডিএডি কাইয়ুম ইসলাম চকবাজার থানায় এরফান সেলিম ও দেহরক্ষী জাহিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকের পৃথক চারটি মামলা করেন।

শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Print this page
Print