আজ মঙ্গলবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১লা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৮ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি
আজ মঙ্গলবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১লা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৮ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

চট্টগ্রাম টেস্ট ড্র

সংক্ষিপ্ত স্কোর: শ্রীলঙ্কা-দ্বিতীয় ইনিংসে ২৬০/৬ (৯০.১ ওভার); বাংলাদেশ- প্রথম ইনিংসে ৪৬৫ ; শ্রীলঙ্কা- প্রথম ইনিংসে ৩৯৭

দিনেশ চান্দিমালের সঙ্গে নিরোশান ডিকবেলার অপরাজিত ৯৯ রানের জুটি শেষে ড্র ঘোষণা হলো চট্টগ্রাম টেস্ট। দ্বিতীয় সেশনে যখন তারা ক্রিজে যোগ দেন, তখন বিপদেই ছিল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু ক্রিজে সেট হয়ে যান এই দুই ব্যাটসম্যান, বাংলাদেশি স্পিনারদের ভালোভাবে সামাল দেন। শেষ সেশনেও তাদের জুটি ভাঙতে পারেনি স্বাগতিকরা। ম্যাচের প্রায় দেড় ঘণ্টা বাকি থাকলেও তাই ফল যে হচ্ছে না, তা ছিল এক প্রকার নিশ্চিত। তাই সোয়া চারটার দিকে ড্র ঘোষণা করা হয়। ৬১ রানে ডিকবেলা ও ৩৯ রানে চান্দিমাল অপরাজিত ছিলেন। শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২৬০ রান। এই ইনিংসে চারটি উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সেরা বোলার তাইজুল ইসলাম।

প্রথম ইনিংসে ১৯৯ রান করা লঙ্কান ব্যাটসম্যান অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ হয়েছেন ম্যাচসেরা খেলোয়াড়। আর মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার অ্যাওয়ার্ড গেছে নাঈম ইসলামের হাতে, প্রথম ইনিংসে ১০৫ রান দিয়ে বাংলাদেশি স্পিনার নেন ৬ উইকেট।

শ্রীলঙ্কার লিড দেড়শ ছাড়াল, ডিকবেলার হাফ সেঞ্চুরি

ধনঞ্জয়া ডি সিলভা আউট হওয়ার পর মাঠে নেমে প্রথম বলেই জীবন পান নিরোশান ডিকবেলা, দলকে দেড়শর বেশি লিড এনে দেওয়ার পথে হাফ সেঞ্চুরিও করেছেন তিনি। ৮৪তম ওভারে তাইজুলের বলে সিঙ্গেল নিয়ে ৮৩ বলে ফিফটি ছোঁন এই ব্যাটসম্যান। তার সঙ্গে দিনেশ চান্দিমাল ক্রিজে সেট হয়ে গেছেন। তাদের অপরাজিত জুটিতে শ্রীলঙ্কার লিড দেড়শ ছাড়িয়ে গেছে। ১৩৭ রানে এগিয়ে থেকে শেষ সেশনে ব্যাট করতে নামে তারা।

১৩৭ রানের লিড নিয়ে চা বিরতিতে শ্রীলঙ্কা

নেমেই জীবন পাওয়া নিরোশান ডিকবেলা বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়েছেন দিনেশ চান্দিমালকে নিয়ে। দ্বিতীয় সেশনে তারা লিড বাড়িয়ে নিচ্ছেন, সফরকারীরা ১৩৭ রানে এগিয়ে। দলীয় স্কোর ২০০ পেরিয়ে গেছে। দ্বিতীয় সেশন শেষে শ্রীলঙ্কার রান ৬ উইকেটে ২০৫।

সাকিবের শিকার ধনঞ্জয়া, শ্রীলঙ্কার লিড একশ ছাড়াল

সাকিব আল হাসান ফেরালেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভাকে। ৩৩ রানে তাকে মুশফিকুর রহিমের ক্যাচ বানান বাঁহাতি স্পিনার। পুল করতে গিয়ে মিডউইকেটে সহজ ক্যাচ হন ধনঞ্জয়া। তার ৬০ বলের ইনিংসে ছিল ৩ চার ও ১ ছয়। পরের বলেই নতুন ব্যাটসম্যান নিরোশান ডিকবেলাও উইকেট হারাতে বসেছিলেন। তার নেওয়া জোরে শট বেরিয়ে যায় তাইজুল ইসলামের হাত ফসকে। আউট হওয়ার বদলে বাউন্ডারি মারেন ডিকবেলা। ওই ওভারের শেষ বলে আরেকটি চার মেরে সফরকারীদের ১০০ রানের লিড এনে দেন তিনি।

শ্রীলঙ্কার লিড একশর পথে

একশর পথে শ্রীলঙ্কার লিড। দিমুথ করুণারত্নের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট যাওয়ার পর ক্রিজে হাল ধরেছেন দিনেশ চান্দিমাল ও ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। লাঞ্চের পর হাফ সেঞ্চুরি মারা করুণারত্নে আর বেশিক্ষণ টেকেননি। তাইজুল তাকে নিজের চতুর্থ শিকার বানান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৯১ রানে এগিয়ে শ্রীলঙ্কা।

করুণারত্নেকেও ফেরালেন তাইজুল

দিমুথ করুণারত্নেকে ৫২ রানে আউট করলেন তাইজুল ইসলাম। দ্বিতীয় সেশনের চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে শ্রীলঙ্কা অধিনায়ক মিডউইকেটে মুমিনুল হকের হাতে ক্যাচ তুলে দিলেন। তার ১৩৮ বলের ইনিংসে ছিল দুটি চার। তাইজুল পেয়ে গেলেন তার চতুর্থ উইকেট।

লাঞ্চের পর করুণারত্নের ফিফটি

দিমুথ করুণারত্নে তার ক্যারিয়ারের ২৮তম টেস্ট ফিফটি করলেন লাঞ্চের পরপর। ৪৪ রানে অপরাজিত থেকে প্রথম সেশন শেষ করা লঙ্কান অধিনায়ক দ্বিতীয় সেশনের প্রথম ওভারের শেষ বলে তিন রান নিয়ে পঞ্চাশ ছোঁন। ১৩২ বলে হাফ সেঞ্চুরি করলেন তিনি। অন্য প্রান্তে খেলছেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা।

প্রথম সেশন শেষে শ্রীলঙ্কার লিড ৬০

পঞ্চম ও শেষ দিন প্রথম সেশন শেষে শ্রীলঙ্কার লিড ৬০। দলটির সংগ্রহ ১২৮ রানে ৪ উইকেট। দিনের শুরুতেই আগ্রাসী ব্যাটিং করে লিড এনে দিয়েছিলেন কুশল মেন্ডিস। ক্রিজে আছেন দিমুথ করুনারত্নে ৪৪ ও ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা ১২ রানে। এই সেশনে তারা ২ উইকেট হারিয়ে ৮৯ রান যোগ করে। ২টি উইকেটই নেন তাইজুল।

এবার ম্যাথুজকে শূন্য রানে ফেরালেন তাইজুল

আগের ইনিংসে ১৯৯ রান করা ম্যাথুজকে এবার তাইজুল ফেরালেন শূন্য রানে। প্রথম ইনিংসে ১৯৯ রান করে শ্রীলঙ্কাকে এগিয়ে দিয়েছিলেন ম্যাথুজ। দ্বিতীয় ইনিংসে রানের খাতাই খুলতে পারলেন না। ক্যারিয়ারে তৃতীয়বারের মত আউট হয়েছেন শূন্য রানে। ৫ বছরের মধ্যে এটি প্রথম। তাইজুলকে ফিরতি ক্যাচ দেন তিনি। শ্রীলঙ্কার ৪ উইকেটের মধ্যে ৩টিই নিয়েছেন তাইজুল, আরেকটি সরাসরি তার অবদান। থ্রোতে রানআউট করেন গতকাল শেষ বিকেলে।

সেই কুশলকে ফিফটি করতে দিলেন না তাইজুল

কুশল মেন্ডিসকে বোল্ড করে ফেরালেন তাইজুল ইসলাম। মাত্র ২ রানের জন্য পাননি ফিফটি। শুরু থেকেই ভোগাচ্ছিলেন। সমানতালে রান তুলছিলেন পেস-স্পিনে। যদিও চল্লিশের ঘরে যাওয়ার পর কিছুটা শান্ত। ফিফটি থেকে যখন ২ রান দূরে তখন আক্রমণে তাইজুল। তার ফ্লাইট ডেলিভারি ফরোয়ার্ড ডিফেন্স করতে চেয়েছিলেন মেন্ডিস, কিন্তু বল ব্যাট ছুঁয়ে ভেঙে দেয় স্ট্যাম্প। ৮ চার ও ১ ছয়ে ৪৩ বলে ৪৮ রান করেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

ছক্কা মেরে জুটির ৫০

এক প্রান্তে কুশল মেন্ডিস আগ্রাসী ব্যাটিং করছেন অন্য প্রান্তে করুনারত্ন খেলছেন সাবধানী ইনিংস। নাঈম হাসানকে ছয় মেরে জুটির ফিফটি পূর্ণ করেন মাত্র ৪৯ বলে। তাতে ২৬ বলে ৪০ রানই কুশলের। এরপরেই ২৭.২ ওভারে দলীয় ১০০ পূর্ণ করে শ্রীলঙ্কা। লিড দাঁড়ায় ৩২।

কুশলের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে শ্রীলঙ্কার লিড

কুশল মেন্ডিসের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দিনের শুরুতেই শ্রীলঙ্কার লিড। ২৯ রানে পিছিয়ে থেকে দিন শুরু করেছিল তারা। শুরু থেকেই কুশল খেলেন আগ্রাসী। দিনের প্রথম ওভার থেকেই কুশলের মার শুরু। তাইজুলের চতুর্থ বলে কাভার দিয়ে পাঠিয়ে দেন বাউন্ডারির বাইরে। এক বল ডট দিয়ে আবার চার। এবার মিডউইকেট অঞ্চল দিয়ে। পরের ২ ওভার কোনো চার আসেনি। কিন্তু খালেদের করা ২১তম ওভারে টানা তিন চার মেরে পুষিয়ে দেন। এই ওভারে নেন ১৪ রান। প্রথম ২৩ মিনিটেই তারা লিড টপকে যায়। বাংলাদেশের ৬৮ রানের লিড টপকে যায় শ্রীলঙ্কা।

করুনারত্নের সঙ্গী মেন্ডিস

অপরাজিত দিমুথ করুনারত্নর সঙ্গী হন কুশল মেন্ডিস। মেন্ডিস নাইটওয়াচম্যান অ্যাম্বুলদেনিয়ার জায়গায় ব্যাটিংয়ে নামেন। ১৯ রানে দিন শুরু করেন করুনা। শ্রীলঙ্কার লিড পেতে আরও ২৯ রান প্রয়োজন।

জয়ে চোখ বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিন বৃহস্পতিবার (১৯ মে) মাঠে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা। দ্রুত উইকেট নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে অলআউট করার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। ম্যাচ শুরুর আগে লিটন দাস জানিয়েছেন, তারা শ্রীলঙ্কার উইকেটগুলো দ্রুত তুলে নিতে চান। আজ দিনেও ম্যাচ বের করা সম্ভব বলে বিশ্বাস করেন তিনি। মাঠে তারা সেই চেষ্টাই করবেন।

চতুর্থ দিন শেষে

নাইটওয়াচম্যান অ্যাম্বুলদেনিয়া আউট হতেই দিনের খেলার ইতি টানেন আম্পায়ার। ওশাদা ফার্নান্দোকে সরাসরি থ্রোতে রানআউটের পর অ্যাম্বুলদেনিয়াকে বোল্ড করেন তাইজুল। শেষ বিকেলে বাংলাদেশ শিবির উল্লাসে ভাসে তাইজুল ম্যাজিকে। বাংলাদেশের ৫৮ রানের লিডের বিপরীতে চতুর্থ দিন শেষে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ২ উইকেট হারিয়ে ৩৯ রান। করুনারত্ন অপরাজিত আছেন ১৯ রানে। বাংলাদেশএগিয়ে আছে ২৯ রানে। এর আগে শ্রীলঙ্কার ৩৯৭ রানের জবাবে খেলতে নেমে বাংলাদেশ ৪৬৫ রান করে। লিড দাঁড়ায় ৬৮ রান।